ঢাকা ০৫:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঈদের পর কমছে মাছ-মুরগির দাম, স্থিতিশীল সবজি

  • অনলাইন ডেস্ক
  • Update Time : ১১:০৪:০৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬
  • ১১৮ Time View

ঈদের আগে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছিল ব্রয়লার মুরগির দাম। তবে ঈদের পরে ফের কমেছে মুরগির দাম। যা মধ্যবিত্ত ও নিম্নমধ্য বিত্তদের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে এসেছে।

শুক্রবার (২৭ মার্চ) রাজধানীর কাওরানবাজার, মুগদা, শেওড়াপাড়া, কাজীপাড়া, যাত্রাবাড়ী, হাতিরপুল, ঝিগাতলাসহ বিভিন্নবাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে। বাজারে দেখা গেছে, বর্তমানে ঈদের পরে ব্রয়লার মুরগি কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে ১৯০ টাকায়। লেয়ার মুরগি ৩২০ টাকা, সোনালী মুরগি ৩৬০ টাকা এবং পাকিস্তানি মুরগি ৩৯০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আর দেশি মুরগি আকারভেদে ৫৫০-৭০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

মাংসের দোকানে দেখা গেছে, গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭৫০ থেকে ৮৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার টাকা কেজি।

ডিমের বাজারে দেখা গেছে, এক ডজন লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ১১০ থেকে ১২০ টাকায়, হাঁসের ডিম ২০০ টাকায়, দেশি মুরগির ডিমের হালি ১০০ টাকা এবং সোনালি কক মুরগির ডিমের হালি ৭০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে।

সবজির বাজারে দেখা গেছে, কাঁচামরিচের কেজি বিক্রি হচ্ছে ১১০ টাকায়, বেগুনের কেজি ৬০ টাকায়, পটল ৫০ টাকা, করলা ও বরবটি স্থানভেদে বিক্রি হচ্ছে ৬০-৭০ টাকা। গাজর ৫০ টাকায়, ঢেঁড়স বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়, ধুন্দল, ঝিঙা ও চিচিঙ্গা পাওয়া যাচ্ছে ৬০ থেকে ৮০ টাকায়। কাঁচা পেঁপে বিক্রি হচ্ছে ২৫-৩০ টাকা কেজিতে। জালি কুমড়া প্রতি পিস (সাইজের উপর দাম নির্ভর) ৪০-৫০ টাকা, লাউ প্রতিটি ৬০ টাকা এবং বাঁধাকপি ও ফুলকপি প্রতিটি ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সজনে ডাঁটা ১২০-১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া দেশি ধনেপাতা ১৮০ টাকা এবং হাইব্রিড ধনেপাতা ১০০ থেকে ১২০ কেজি, পুদিনা পাতা ২০০ টাকা কেজি, কাঁচা কলার হালি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়, চাল কুমড়া ৫০ টাকা পিস এবং ক্যাপসিকাম ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। লালশাক আঁটি ১০-১৫ টাকা, লাউশাক আঁটি ২০-৩০ টাকা, কলমিশাক দুই আঁটি ২০ টাকা, পুঁইশাক ৩০ টাকা এবং ডাটা শাক দুই আঁটি ২০ টাকা, পালংশাক দুই আঁটি ৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারগুলোতে আলুর দাম বাড়লেও পেঁয়াজ আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে। আলু কেজিতে পাঁচ টাকা বেড়ে ২৫ টাকা, দেশি পেঁয়াজ ৩০ থেকে ৩৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

মাছের বাজারে দেখা গেছে, রুই বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি (সাইজের উপর দামের তারতম্য) ৩৫০ থেকে ৪৫০ টাকায়, কাতলা ৩৪০ থেকে ৪৮০ টাকা, তেলাপিয়া ২০০–২৩০ টাকা, পাঙ্গাস ২০০–২৪০ টাকা এবং শিং ও মাগুর চাষেরটা ৩৫০-৪৫০ টাকা এবং দেশিটা ৭৫০-৮৫০ টাকা। চাষের কই ২৪০-২৮০ টাকা এবং দেশি কই ৭৫০-৮৫০ টাকা আর বোয়াল ও চিতল বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ৫৫০ টাকা থেকে ৭৫০ টাকায়। এ ছাড়া অন্যান্য মাছের মধ্যে নদীর দেশি ছোট মাঝারি চিংড়ি ৮৫০-১২০০ টাকা, কাঁচকি মাছ ৩৫০-৪০০ টাকা, মলা মাছ ৩০০-৩৫০ টাকা, পাবদা মাছ আকারভেদে ৩৩০-৪৫০ টাকা, গলদা চিংড়ি আকারভেদে ৬৫০-৮৫০ টাকা কেজি দামে বিক্রি করতে দেখা গেছে। ইলিশ ৩০০ গ্রাম ওজনের ১ কেজি ১২০০ টাকা থেকে ১৩০০ টাকা এবং ৫০০ গ্রামের ইলিশ ১৫০০-১৬০০ টাকা বিক্রি হচ্ছে।

Tag :
জনপ্রিয়

ঈদের পর কমছে মাছ-মুরগির দাম, স্থিতিশীল সবজি

Update Time : ১১:০৪:০৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬

ঈদের আগে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছিল ব্রয়লার মুরগির দাম। তবে ঈদের পরে ফের কমেছে মুরগির দাম। যা মধ্যবিত্ত ও নিম্নমধ্য বিত্তদের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে এসেছে।

শুক্রবার (২৭ মার্চ) রাজধানীর কাওরানবাজার, মুগদা, শেওড়াপাড়া, কাজীপাড়া, যাত্রাবাড়ী, হাতিরপুল, ঝিগাতলাসহ বিভিন্নবাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে। বাজারে দেখা গেছে, বর্তমানে ঈদের পরে ব্রয়লার মুরগি কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে ১৯০ টাকায়। লেয়ার মুরগি ৩২০ টাকা, সোনালী মুরগি ৩৬০ টাকা এবং পাকিস্তানি মুরগি ৩৯০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আর দেশি মুরগি আকারভেদে ৫৫০-৭০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

মাংসের দোকানে দেখা গেছে, গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭৫০ থেকে ৮৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার টাকা কেজি।

ডিমের বাজারে দেখা গেছে, এক ডজন লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ১১০ থেকে ১২০ টাকায়, হাঁসের ডিম ২০০ টাকায়, দেশি মুরগির ডিমের হালি ১০০ টাকা এবং সোনালি কক মুরগির ডিমের হালি ৭০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে।

সবজির বাজারে দেখা গেছে, কাঁচামরিচের কেজি বিক্রি হচ্ছে ১১০ টাকায়, বেগুনের কেজি ৬০ টাকায়, পটল ৫০ টাকা, করলা ও বরবটি স্থানভেদে বিক্রি হচ্ছে ৬০-৭০ টাকা। গাজর ৫০ টাকায়, ঢেঁড়স বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়, ধুন্দল, ঝিঙা ও চিচিঙ্গা পাওয়া যাচ্ছে ৬০ থেকে ৮০ টাকায়। কাঁচা পেঁপে বিক্রি হচ্ছে ২৫-৩০ টাকা কেজিতে। জালি কুমড়া প্রতি পিস (সাইজের উপর দাম নির্ভর) ৪০-৫০ টাকা, লাউ প্রতিটি ৬০ টাকা এবং বাঁধাকপি ও ফুলকপি প্রতিটি ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সজনে ডাঁটা ১২০-১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া দেশি ধনেপাতা ১৮০ টাকা এবং হাইব্রিড ধনেপাতা ১০০ থেকে ১২০ কেজি, পুদিনা পাতা ২০০ টাকা কেজি, কাঁচা কলার হালি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়, চাল কুমড়া ৫০ টাকা পিস এবং ক্যাপসিকাম ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। লালশাক আঁটি ১০-১৫ টাকা, লাউশাক আঁটি ২০-৩০ টাকা, কলমিশাক দুই আঁটি ২০ টাকা, পুঁইশাক ৩০ টাকা এবং ডাটা শাক দুই আঁটি ২০ টাকা, পালংশাক দুই আঁটি ৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারগুলোতে আলুর দাম বাড়লেও পেঁয়াজ আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে। আলু কেজিতে পাঁচ টাকা বেড়ে ২৫ টাকা, দেশি পেঁয়াজ ৩০ থেকে ৩৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

মাছের বাজারে দেখা গেছে, রুই বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি (সাইজের উপর দামের তারতম্য) ৩৫০ থেকে ৪৫০ টাকায়, কাতলা ৩৪০ থেকে ৪৮০ টাকা, তেলাপিয়া ২০০–২৩০ টাকা, পাঙ্গাস ২০০–২৪০ টাকা এবং শিং ও মাগুর চাষেরটা ৩৫০-৪৫০ টাকা এবং দেশিটা ৭৫০-৮৫০ টাকা। চাষের কই ২৪০-২৮০ টাকা এবং দেশি কই ৭৫০-৮৫০ টাকা আর বোয়াল ও চিতল বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ৫৫০ টাকা থেকে ৭৫০ টাকায়। এ ছাড়া অন্যান্য মাছের মধ্যে নদীর দেশি ছোট মাঝারি চিংড়ি ৮৫০-১২০০ টাকা, কাঁচকি মাছ ৩৫০-৪০০ টাকা, মলা মাছ ৩০০-৩৫০ টাকা, পাবদা মাছ আকারভেদে ৩৩০-৪৫০ টাকা, গলদা চিংড়ি আকারভেদে ৬৫০-৮৫০ টাকা কেজি দামে বিক্রি করতে দেখা গেছে। ইলিশ ৩০০ গ্রাম ওজনের ১ কেজি ১২০০ টাকা থেকে ১৩০০ টাকা এবং ৫০০ গ্রামের ইলিশ ১৫০০-১৬০০ টাকা বিক্রি হচ্ছে।