ঢাকা ০৩:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঊর্ধ্বমুখী থাকা পেঁয়াজের দামে হঠাৎ ব্যাপক পতন

  • অনলাইন ডেস্ক
  • Update Time : ০৪:৫৮:৩৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মার্চ ২০২৪
  • ২২১ Time View

সরবরাহ ঘাটতির অভিযোগে ঊর্ধ্বমুখী থাকা পেঁয়াজের দাম হঠাৎ করে কমতে শুরু করেছে। রাজধানীতে গত দুই দিন আগে যে পেঁয়াজ ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে, সেই পেঁয়াজ পাওয়া যাচ্ছে ৫০ টাকায়।

মঙ্গলবার (১৮ মার্চ) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, ঊর্ধ্বমুখী থাকা পেঁয়াজের ঝাঁজ কমতে শুরু করেছে।

ভ্যান থেকে পেঁয়াজ কিনছিলেন বেসরকারি কোম্পানিতে চাকরি করা আল- আমিন। তিনি জানান, দুইদিন আগেও যে পেঁয়াজ কিনলাম ১০০ টাকা করে। আজকে এসে দেখি তা অর্ধেক নেমে গেছে।

এদিকে, পাঁচ দিনের ব্যবধানে পাবনা জেলার সুজানগর ও সাঁথিয়ার পাইকারি বাজারে পেঁয়াজের দাম কমেছে প্রায় অর্ধেক। ৩ হাজার থেকে ৩ হাজার ২০০ টাকা মণের পেঁয়াজ  সুজানগর ও সাঁথিয়ার পাইকারি বাজারে বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৬০০ থেকে ১ হাজার ৮০০ টাকায়।

সরেজমিন স্থানীয় কৃষক ও পাইকারি ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী রমজান মাসে বেশি দামে বিক্রির আশায় পেঁয়াজ মজুত করেছিলেন। সেই পেঁয়াজ এখন বাজারে আসতে শুরু করেছে। অনেক কৃষক আবার নতুন পেঁয়াজ বাজারে বিক্রির জন্য তুলতে শুরু করেছেন। বাজারে সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় হঠাৎ এই দরপতন ঘটেছে।

জানা যায়, সুজানগর উপজেলা সদরে প্রতি রবিবার ও বুধবার পাইকারি পেঁয়াজের হাট বসে। গত বুধবার এই হাটে প্রতি মণ পেঁয়াজ ৩ হাজার থেকে ৩ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হয়। এরপর থেকেই পেঁয়াজের দাম কমতে শুরু করেছে। রবিবার এই হাটে প্রতি মণ পেঁয়াজ ১ হাজার ৬০০ থেকে ১ হাজার ৮০০ টাকায় বিক্রি হয়। দাম কমে যাওয়ায় বহু কৃষক পেঁয়াজ বিক্রি না করে বাড়িতে ফিরে গেছেন।

সাঁথিয়া উপজেলার আতাইকুলা হাটেও মিলেছে একই চিত্র। রবিবার এ হাটে প্রতি মণ পেঁয়াজ দেড় হাজার থেকে ১ হাজার ৮০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। দাম না পেয়ে অনেক কৃষক হতাশ হয়ে বিক্রির জন্য আনা পেঁয়াজ নিয়ে বাড়িতে ফিরে গেছেন।

হঠাৎ দাম কমার বিষয়ে সুজানগর হাটের পাইকার আবদুল আজিজ বিশ্বাস বলেন, রমজানের শুরুতে বাজারে পেঁয়াজের আমদানি কম ছিল। তাতে বেশি দামের আশায় অনেকে পেঁয়াজ মজুত করেছিলেন। রমজান শুরুর পর থেকেই মজুত পেঁয়াজ বাজারে আসতে শুরু করে। অন্যদিকে কৃষকেরাও বেশি দামের আশায় অপরিপক্ব পেঁয়াজ হাটে তুলেছেন। তাতে দরপতন ঘটে।

Tag :

ঊর্ধ্বমুখী থাকা পেঁয়াজের দামে হঠাৎ ব্যাপক পতন

Update Time : ০৪:৫৮:৩৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মার্চ ২০২৪

সরবরাহ ঘাটতির অভিযোগে ঊর্ধ্বমুখী থাকা পেঁয়াজের দাম হঠাৎ করে কমতে শুরু করেছে। রাজধানীতে গত দুই দিন আগে যে পেঁয়াজ ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে, সেই পেঁয়াজ পাওয়া যাচ্ছে ৫০ টাকায়।

মঙ্গলবার (১৮ মার্চ) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, ঊর্ধ্বমুখী থাকা পেঁয়াজের ঝাঁজ কমতে শুরু করেছে।

ভ্যান থেকে পেঁয়াজ কিনছিলেন বেসরকারি কোম্পানিতে চাকরি করা আল- আমিন। তিনি জানান, দুইদিন আগেও যে পেঁয়াজ কিনলাম ১০০ টাকা করে। আজকে এসে দেখি তা অর্ধেক নেমে গেছে।

এদিকে, পাঁচ দিনের ব্যবধানে পাবনা জেলার সুজানগর ও সাঁথিয়ার পাইকারি বাজারে পেঁয়াজের দাম কমেছে প্রায় অর্ধেক। ৩ হাজার থেকে ৩ হাজার ২০০ টাকা মণের পেঁয়াজ  সুজানগর ও সাঁথিয়ার পাইকারি বাজারে বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৬০০ থেকে ১ হাজার ৮০০ টাকায়।

সরেজমিন স্থানীয় কৃষক ও পাইকারি ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী রমজান মাসে বেশি দামে বিক্রির আশায় পেঁয়াজ মজুত করেছিলেন। সেই পেঁয়াজ এখন বাজারে আসতে শুরু করেছে। অনেক কৃষক আবার নতুন পেঁয়াজ বাজারে বিক্রির জন্য তুলতে শুরু করেছেন। বাজারে সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় হঠাৎ এই দরপতন ঘটেছে।

জানা যায়, সুজানগর উপজেলা সদরে প্রতি রবিবার ও বুধবার পাইকারি পেঁয়াজের হাট বসে। গত বুধবার এই হাটে প্রতি মণ পেঁয়াজ ৩ হাজার থেকে ৩ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হয়। এরপর থেকেই পেঁয়াজের দাম কমতে শুরু করেছে। রবিবার এই হাটে প্রতি মণ পেঁয়াজ ১ হাজার ৬০০ থেকে ১ হাজার ৮০০ টাকায় বিক্রি হয়। দাম কমে যাওয়ায় বহু কৃষক পেঁয়াজ বিক্রি না করে বাড়িতে ফিরে গেছেন।

সাঁথিয়া উপজেলার আতাইকুলা হাটেও মিলেছে একই চিত্র। রবিবার এ হাটে প্রতি মণ পেঁয়াজ দেড় হাজার থেকে ১ হাজার ৮০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। দাম না পেয়ে অনেক কৃষক হতাশ হয়ে বিক্রির জন্য আনা পেঁয়াজ নিয়ে বাড়িতে ফিরে গেছেন।

হঠাৎ দাম কমার বিষয়ে সুজানগর হাটের পাইকার আবদুল আজিজ বিশ্বাস বলেন, রমজানের শুরুতে বাজারে পেঁয়াজের আমদানি কম ছিল। তাতে বেশি দামের আশায় অনেকে পেঁয়াজ মজুত করেছিলেন। রমজান শুরুর পর থেকেই মজুত পেঁয়াজ বাজারে আসতে শুরু করে। অন্যদিকে কৃষকেরাও বেশি দামের আশায় অপরিপক্ব পেঁয়াজ হাটে তুলেছেন। তাতে দরপতন ঘটে।