ঢাকা ১০:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
জ্বালানি তেল পাচার রোধ এবং সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি অব্যাহত রাখতে সরকারের তেলের মূল্য সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত এমপি গাজী নজরুল ও তার প্রথম স্ত্রী রিমান্ডে ডেঙ্গুতে আরও ৬ জনের মৃত্যু হাম উপসর্গে আরও ৬ জনের মৃত্যু ইউএনজিএ ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা ইরানে নতুন করে বড় ধরনের হামলা চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে: তেহরান কোথাও গভীর ভালোবাসা, কোথাও বিশ্বাসভঙ্গের বেদনা, আবার কোথাও রয়েছে আক্ষেপ, ক্ষোভ ও আত্মসম্মান;উদ্ধার মরিয়মের রেখে যাওয়া শেষ চিঠি ইরানে থাকা মার্কিন নাগরিকদের দেশটি ছাড়ার পরামর্শ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ভার্চ্যুয়াল দূতাবাস আজকে কোন টিভি চ্যানেলে কোন খেলা

গত এক বছরে ১০ টাকা থেকে শুরু করে ১ হাজার টাকার দুই কোটি টাকার জালনোট ছড়িয়েছে জিসান

  • অনলাইন ডেস্ক
  • Update Time : ১১:২৬:৪৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
  • ২৭১ Time View

জালনোট তৈরি ও সরবরাহের অভিযোগে জিসান হোসেন রিফাত (১৯) নামে একজনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। বৃহস্পতিবার রাতে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় রাজধানীর কদমতলী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

এ সময় তার কাছ থেকে দুই লাখ ৩০ হাজার ৯০০ টাকার বিভিন্ন মূল্যমানের জালনোট ও ব্যবহৃত কম্পিউটারসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে র‌্যাব-১০ এর সিপিসি-১ কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান কোম্পানি কমান্ডার পুলিশ সুপার (এসপি) মহিউদ্দিন মাহমুদ সোহেল।

মহিউদ্দিন মাহমুদ সোহেল জানান, অল্প সময়ে বেশি টাকা আয়ের লোভে উচ্চাভিলাষী জিসান ইউটিউবসহ বিভিন্ন মাধ্যম ব্যবহার করে একটি চক্রের কাছ থেকে জালনোট তৈরির প্রশিক্ষণ নেন। এর পর তিনি নিজেই জালনোট তৈরি করে বিভিন্নভাবে সরবরাহ করে আসছিলেন। এখন পর্যন্ত প্রায় দুই কোটি টাকার জালনোট বাজারে ছাড়েন গ্রেফতার জিসান।

জিসানকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, নিজের তৈরি জালটাকা সরবরাহের জন্য বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পেজ ও গ্রুপে সংযুক্ত হন জিসান। একটি সংঘবদ্ধ চক্র টেলিগ্রাম অ্যাপ ব্যবহার করে জালটাকা তৈরির প্রযুক্তি আদান-প্রদান করত। জালটাকা বিক্রির পন্থা বলে দিতেন চক্রের সদস্যরা। মেসেঞ্জার গ্রুপ খুলে জালনোট বিক্রি করা হতো। ফেসবুক গ্রুপে জালটাকা বিক্রির পোস্ট দেওয়া হতো। এর পর কেউ আগ্রহী হয়ে কমেন্ট করলে তাদের সঙ্গে মেসেঞ্জারে চ্যাটিংয়ের মাধ্যমে ক্রেতাদের কাছ থেকে অগ্রিম টাকা নিয়ে সুবিধাজনক স্থানে জালনোটগুলো সরবরাহ করতেন চক্রের সদস্যরা।

পুলিশ সুপার মহিউদ্দিন মাহমুদ সোহেল আরও বলেন, চক্রের সদস্যদের মাধ্যমে রাজধানী ঢাকার কদমতলী, যাত্রাবাড়ী, শ্যামপুর, ডেমরা এবং নারায়ণগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় জালনোট সরবরাহ করা হতো।

জিসান প্রতি এক লাখ টাকার সমপরিমাণ মূল্যের জালনোট ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকায় বিক্রি করতেন। পরে চক্রটি মাছবাজার, লঞ্চঘাট, বাস টার্মিনালসহ বিভিন্ন মার্কেটে নানান কৌশল অবলম্বন করে জালনোট সরবরাহ করত।

জিসান অধিক জনসমাগম অনুষ্ঠান বিশেষ করে মেলা, উৎসব, পূজা ও কোরবানির পশুর হাট উপলক্ষ্যে বিপুল পরিমাণ জালনোট ছাপিয়ে মজুত করতেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিতে জালনোট ছাপানোর সময় কাগজের অব্যবহৃত ও নষ্ট অংশগুলো পুড়িয়ে ফেলতেন।

Tag :

জ্বালানি তেল পাচার রোধ এবং সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি অব্যাহত রাখতে সরকারের তেলের মূল্য সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত

গত এক বছরে ১০ টাকা থেকে শুরু করে ১ হাজার টাকার দুই কোটি টাকার জালনোট ছড়িয়েছে জিসান

Update Time : ১১:২৬:৪৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

জালনোট তৈরি ও সরবরাহের অভিযোগে জিসান হোসেন রিফাত (১৯) নামে একজনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। বৃহস্পতিবার রাতে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় রাজধানীর কদমতলী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

এ সময় তার কাছ থেকে দুই লাখ ৩০ হাজার ৯০০ টাকার বিভিন্ন মূল্যমানের জালনোট ও ব্যবহৃত কম্পিউটারসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে র‌্যাব-১০ এর সিপিসি-১ কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান কোম্পানি কমান্ডার পুলিশ সুপার (এসপি) মহিউদ্দিন মাহমুদ সোহেল।

মহিউদ্দিন মাহমুদ সোহেল জানান, অল্প সময়ে বেশি টাকা আয়ের লোভে উচ্চাভিলাষী জিসান ইউটিউবসহ বিভিন্ন মাধ্যম ব্যবহার করে একটি চক্রের কাছ থেকে জালনোট তৈরির প্রশিক্ষণ নেন। এর পর তিনি নিজেই জালনোট তৈরি করে বিভিন্নভাবে সরবরাহ করে আসছিলেন। এখন পর্যন্ত প্রায় দুই কোটি টাকার জালনোট বাজারে ছাড়েন গ্রেফতার জিসান।

জিসানকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, নিজের তৈরি জালটাকা সরবরাহের জন্য বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পেজ ও গ্রুপে সংযুক্ত হন জিসান। একটি সংঘবদ্ধ চক্র টেলিগ্রাম অ্যাপ ব্যবহার করে জালটাকা তৈরির প্রযুক্তি আদান-প্রদান করত। জালটাকা বিক্রির পন্থা বলে দিতেন চক্রের সদস্যরা। মেসেঞ্জার গ্রুপ খুলে জালনোট বিক্রি করা হতো। ফেসবুক গ্রুপে জালটাকা বিক্রির পোস্ট দেওয়া হতো। এর পর কেউ আগ্রহী হয়ে কমেন্ট করলে তাদের সঙ্গে মেসেঞ্জারে চ্যাটিংয়ের মাধ্যমে ক্রেতাদের কাছ থেকে অগ্রিম টাকা নিয়ে সুবিধাজনক স্থানে জালনোটগুলো সরবরাহ করতেন চক্রের সদস্যরা।

পুলিশ সুপার মহিউদ্দিন মাহমুদ সোহেল আরও বলেন, চক্রের সদস্যদের মাধ্যমে রাজধানী ঢাকার কদমতলী, যাত্রাবাড়ী, শ্যামপুর, ডেমরা এবং নারায়ণগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় জালনোট সরবরাহ করা হতো।

জিসান প্রতি এক লাখ টাকার সমপরিমাণ মূল্যের জালনোট ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকায় বিক্রি করতেন। পরে চক্রটি মাছবাজার, লঞ্চঘাট, বাস টার্মিনালসহ বিভিন্ন মার্কেটে নানান কৌশল অবলম্বন করে জালনোট সরবরাহ করত।

জিসান অধিক জনসমাগম অনুষ্ঠান বিশেষ করে মেলা, উৎসব, পূজা ও কোরবানির পশুর হাট উপলক্ষ্যে বিপুল পরিমাণ জালনোট ছাপিয়ে মজুত করতেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিতে জালনোট ছাপানোর সময় কাগজের অব্যবহৃত ও নষ্ট অংশগুলো পুড়িয়ে ফেলতেন।