ঢাকা ০৭:৩৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
বিশ্বকাপের উদ্বোধনী মঞ্চে এবার নতুন এক ইতিহাস গড়লেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সংগীতশিল্পী সঞ্জয় ফরিদপুর জেলা পরিষদের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন মরক্কোর বিপক্ষে যে একাদশ নিয়ে নামতে পারে ব্রাজিল মরক্কো ম্যাচের আগে ব্রাজিল শিবিরে বড় দুঃসংবাদ আদ্-দ্বীন থেকে রেফার্ড রোগীদের তাৎক্ষণিক ও যথাযথ চিকিৎসা দিতে ৬ হাসপাতালকে নির্দেশ আজকে কোন টিভি চ্যানেলে কোন খেলা নিজেদের প্রথম ম্যাচে বড় ব্যবধানে জিতেছে যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বকাপের তৃতীয় ও শেষ পর্বের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্বকাপ ইতিহাসে প্রথমবারের মতো কোনো ম্যাচে ‘অপরাজিত’ স্বাদ পেয়েছে কানাডা জমকালো উৎসব, আলো আর বিশ্বমানের তারকাদের সুরের মূর্ছনায় সম্পন্ন হলো কানাডা পর্বের রাজকীয় উদ্বোধন

ঘূর্ণিঝড় ‘যশ’ কি বাংলাদেশে আঘাত হানবে?

পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘ইয়াস’ আর ঘনীভূত হয়ে উত্তর-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হচ্ছে। বর্তমান গতিপথ না বদলালে ঘূর্ণিঝড়টির বাংলাদেশে আঘাত হানার সম্ভাবনা কম।

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে ঘূর্ণিঝড়টির যে সম্ভাব্য গতিপথের চিত্র দেওয়া হয়েছে, সেখানে এমনই দেখা গেছে।

ঘূর্ণিঝড়টি বুধবার ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও ওডিশা রাজ্যের মাঝামাঝি উপকূল অতিক্রম করতে পারে। অবশ্য বাংলাদেশের খুলনা উপকূলে জোয়ারের পানি বৃদ্ধি ও ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে।

ভারতের কেন্দ্রীয় আবহাওয়া অধিদপ্তর বলেছে, আগামী ২৪ ঘণ্টায় আরও শক্তি বৃদ্ধি করবে ‘ইয়াস’। পরের ২৪ ঘণ্টায় আরও শক্তিশালী রূপ নিয়ে আছড়ে পড়বে স্থলভাগে।

পশ্চিমবঙ্গের সাগরদ্বীপ ও ওডিশার পারাদ্বীপের মধ্যে দিয়ে ঘূর্ণিঝড়টির স্থলভাগে আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলেই জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

এছাড়া আবহাওয়া বিষয়ক ওয়েবসাইট উইন্ডি ডটকম এবং ঘূর্ণিঝড় সংক্রান্ত ওয়েবসাইট সাইক্লোকেইনে ‘ইয়াস’র দেওয়া সম্ভাব্য গতিপথেও এমন দেখা গেছে।

এদিকে বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদপ্তরের পাঁচ নম্বর বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঘূর্ণিঝড়টি সোমবার সকাল ৬টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৬৭৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৬০৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৬৫০ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৬০৫ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থান করছিল। এটি আরও ঘনীভূত হয়ে উত্তর-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে।

ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৫৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ কিলোমিটার যা দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে ৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের নিকট সাগর বিক্ষুব্ধ রয়েছে।

চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ০১ (এক) নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত নামিয়ে তার পরিবর্তে ০২ (দুই) নম্বর পুনঃ ০২ (দুই) নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে তাদেরকে গভীর সাগরে বিচরণ না করতে বলা হয়েছে।

Tag :

বিশ্বকাপের উদ্বোধনী মঞ্চে এবার নতুন এক ইতিহাস গড়লেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সংগীতশিল্পী সঞ্জয়

ঘূর্ণিঝড় ‘যশ’ কি বাংলাদেশে আঘাত হানবে?

Update Time : ০৭:৪২:২৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ মে ২০২১

পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘ইয়াস’ আর ঘনীভূত হয়ে উত্তর-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হচ্ছে। বর্তমান গতিপথ না বদলালে ঘূর্ণিঝড়টির বাংলাদেশে আঘাত হানার সম্ভাবনা কম।

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে ঘূর্ণিঝড়টির যে সম্ভাব্য গতিপথের চিত্র দেওয়া হয়েছে, সেখানে এমনই দেখা গেছে।

ঘূর্ণিঝড়টি বুধবার ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও ওডিশা রাজ্যের মাঝামাঝি উপকূল অতিক্রম করতে পারে। অবশ্য বাংলাদেশের খুলনা উপকূলে জোয়ারের পানি বৃদ্ধি ও ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে।

ভারতের কেন্দ্রীয় আবহাওয়া অধিদপ্তর বলেছে, আগামী ২৪ ঘণ্টায় আরও শক্তি বৃদ্ধি করবে ‘ইয়াস’। পরের ২৪ ঘণ্টায় আরও শক্তিশালী রূপ নিয়ে আছড়ে পড়বে স্থলভাগে।

পশ্চিমবঙ্গের সাগরদ্বীপ ও ওডিশার পারাদ্বীপের মধ্যে দিয়ে ঘূর্ণিঝড়টির স্থলভাগে আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলেই জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

এছাড়া আবহাওয়া বিষয়ক ওয়েবসাইট উইন্ডি ডটকম এবং ঘূর্ণিঝড় সংক্রান্ত ওয়েবসাইট সাইক্লোকেইনে ‘ইয়াস’র দেওয়া সম্ভাব্য গতিপথেও এমন দেখা গেছে।

এদিকে বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদপ্তরের পাঁচ নম্বর বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঘূর্ণিঝড়টি সোমবার সকাল ৬টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৬৭৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৬০৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৬৫০ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৬০৫ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থান করছিল। এটি আরও ঘনীভূত হয়ে উত্তর-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে।

ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৫৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ কিলোমিটার যা দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে ৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের নিকট সাগর বিক্ষুব্ধ রয়েছে।

চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ০১ (এক) নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত নামিয়ে তার পরিবর্তে ০২ (দুই) নম্বর পুনঃ ০২ (দুই) নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে তাদেরকে গভীর সাগরে বিচরণ না করতে বলা হয়েছে।