ঢাকা ১২:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
নানা জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন রাষ্ট্রপতি আন্দোলন কতদিন চলবে, যা বলছে ককরোচ পার্টি ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে প্রতিবাদের আগুন ছড়িয়ে পড়েছে হোটেলকক্ষের গোপন ক্যামেরা শনাক্ত করুন মোবাইল দিয়েই গাজী নজরুলকে বহিষ্কার করেছে জামায়াত ফরিদপুরে যাত্রা শুরু করল ‘পেয়ালা ক্যাফে অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট’ ফরিদপুরে নারীর মানসিক স্বাস্থ্য: সচেতনতা, সহমর্মিতা ও করণীয় বিষয়ক নন্দিতা সুরক্ষার কর্মশালা অনুষ্ঠিত মেসিকে নিয়ে আবারও নিজের ভালোবাসা প্রকাশ করলেন আলোচিত চিত্রনায়িকা পরীমনি বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় তিন ধাপ উন্নতি করেছে বাংলাদেশ আমূল বদলে যাচ্ছে বাংলাদেশের পাসপোর্ট

তসলিমা নাসরিনসহ তিনজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৭:৩১:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ অক্টোবর ২০২১
  • ৩১৮ Time View

ভারতে বসবাসরত বাংলাদেশী লেখিকা তসলিমা নাসরিনসহ তিনজনের বিরুদ্ধে ইসলামবিদ্বেষ ও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেয়ার অভিযোগে দায়ের করা একটি মামলায় আদালতে চার্জশিট দিয়েছে পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল (সিটিটিসি) ইউনিট।

পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, তদন্ত করে আমরা তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রমাণ পেয়েছি। আর নাম-ঠিকানা না পাওয়ায় একজনকে অব্যাহতি দেয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। সেটাই চার্জশিটে বলেছি। এখন আদালত পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

মামলার অভিযোগে যা বলা হয়েছিল
মুহম্মদ মাহবুব আলম ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারায় পিটিশন মামলাটি দায়ের করেছিলেন, যাতে তসলিমা নাসরিন, সুপ্রীতি ধর, সুচিস্মিতা সিমন্তি ও লীনা হককে আসামি করা হয়েছিল। এই মামলায় অভিযোগ আনা হয় যে প্রযুক্তির অবাধ প্রবাহকে কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন মিথ্যা কাহিনী তৈরি করে এসব ব্যক্তিরা ধর্মীয় সম্প্রীতি নষ্ট করার অভিপ্রায়ে লিপ্ত আছে।

অভিযোগে বলা হয়, ফেসবুকে ‘ধর্ষকের কাছে নারীর কোনো ধর্ম নাই’ শিরোনামে লেখা একটি পোস্টে তসলিমা নাসরিন পয়গম্বরদের নিয়ে ইসলামবিদ্বেষী মন্তব্য করেছেন এবং তার লেখাটি উইমেন চ্যাপ্টার নামক ওয়েবসাইটটিতে প্রকাশ করা হয়।

অভিযোগে আরো বলা হয়, আসামিদের সকলে এ দেশের ধর্মপ্রাণ নারী সমাজকে হেয় প্রতিপন্ন করার একই সাধারণ উদ্দেশ্য পূরণ কল্পে তাদের ওয়েবসাইট ও ফেসবুকে ইসলামবিদ্বেষী এসব পোস্ট করে থাকেন। বাদী/সংবাদদাতা একজন ধার্মিক মুসলিম ও আলেম হওয়ায় এসব ইসলামবিদ্বেষী পোস্ট পড়ে তার ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লাগে।

এতে বলা হয়, বাদী তাদের শেয়ার বা পোস্ট করা আরো কিছু ইসলামবিদ্বেষী পোস্ট দেখেছেন।

মামলাটি ট্রাইব্যুনালে দায়েরের পর ট্রাইব্যুনাল ঢাকার শাহজাহানপুর থানাকে এজাহার হিসেবে নথিভুক্তের নির্দেশ দেন।

নব্বইয়ের দশকে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেয়ার অভিযোগে লেখিকা তসলিমা নাসরিনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছিল। বর্তমানে ভারতে বসবাস করছেন তিনি। ১৯৯৪ সালে বাংলাদেশ ত্যাগ করেছিলেন তিনি।

অন্য দিকে সুপ্রীতি ধরও বিদেশে বসবাস করেন। আদালতে অভিযোগপত্র দেয়ার পর তিনি তার ফেসবুক পাতায় অভিযোগের বিষয়ে সরাসরি কোনো মন্তব্য না করে জানিয়েছেন, যেহেতু ‘আসামিপক্ষ’ দেশের বাইরে, তাই চার্জশিটে পুলিশ ইন্টারপোলের সহায়তা চেয়েছে।

সূত্র : বিবিসি

Tag :
জনপ্রিয়

নানা জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন রাষ্ট্রপতি

তসলিমা নাসরিনসহ তিনজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট

Update Time : ০৭:৩১:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ অক্টোবর ২০২১

ভারতে বসবাসরত বাংলাদেশী লেখিকা তসলিমা নাসরিনসহ তিনজনের বিরুদ্ধে ইসলামবিদ্বেষ ও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেয়ার অভিযোগে দায়ের করা একটি মামলায় আদালতে চার্জশিট দিয়েছে পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল (সিটিটিসি) ইউনিট।

পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, তদন্ত করে আমরা তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রমাণ পেয়েছি। আর নাম-ঠিকানা না পাওয়ায় একজনকে অব্যাহতি দেয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। সেটাই চার্জশিটে বলেছি। এখন আদালত পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

মামলার অভিযোগে যা বলা হয়েছিল
মুহম্মদ মাহবুব আলম ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারায় পিটিশন মামলাটি দায়ের করেছিলেন, যাতে তসলিমা নাসরিন, সুপ্রীতি ধর, সুচিস্মিতা সিমন্তি ও লীনা হককে আসামি করা হয়েছিল। এই মামলায় অভিযোগ আনা হয় যে প্রযুক্তির অবাধ প্রবাহকে কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন মিথ্যা কাহিনী তৈরি করে এসব ব্যক্তিরা ধর্মীয় সম্প্রীতি নষ্ট করার অভিপ্রায়ে লিপ্ত আছে।

অভিযোগে বলা হয়, ফেসবুকে ‘ধর্ষকের কাছে নারীর কোনো ধর্ম নাই’ শিরোনামে লেখা একটি পোস্টে তসলিমা নাসরিন পয়গম্বরদের নিয়ে ইসলামবিদ্বেষী মন্তব্য করেছেন এবং তার লেখাটি উইমেন চ্যাপ্টার নামক ওয়েবসাইটটিতে প্রকাশ করা হয়।

অভিযোগে আরো বলা হয়, আসামিদের সকলে এ দেশের ধর্মপ্রাণ নারী সমাজকে হেয় প্রতিপন্ন করার একই সাধারণ উদ্দেশ্য পূরণ কল্পে তাদের ওয়েবসাইট ও ফেসবুকে ইসলামবিদ্বেষী এসব পোস্ট করে থাকেন। বাদী/সংবাদদাতা একজন ধার্মিক মুসলিম ও আলেম হওয়ায় এসব ইসলামবিদ্বেষী পোস্ট পড়ে তার ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লাগে।

এতে বলা হয়, বাদী তাদের শেয়ার বা পোস্ট করা আরো কিছু ইসলামবিদ্বেষী পোস্ট দেখেছেন।

মামলাটি ট্রাইব্যুনালে দায়েরের পর ট্রাইব্যুনাল ঢাকার শাহজাহানপুর থানাকে এজাহার হিসেবে নথিভুক্তের নির্দেশ দেন।

নব্বইয়ের দশকে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেয়ার অভিযোগে লেখিকা তসলিমা নাসরিনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছিল। বর্তমানে ভারতে বসবাস করছেন তিনি। ১৯৯৪ সালে বাংলাদেশ ত্যাগ করেছিলেন তিনি।

অন্য দিকে সুপ্রীতি ধরও বিদেশে বসবাস করেন। আদালতে অভিযোগপত্র দেয়ার পর তিনি তার ফেসবুক পাতায় অভিযোগের বিষয়ে সরাসরি কোনো মন্তব্য না করে জানিয়েছেন, যেহেতু ‘আসামিপক্ষ’ দেশের বাইরে, তাই চার্জশিটে পুলিশ ইন্টারপোলের সহায়তা চেয়েছে।

সূত্র : বিবিসি