ঢাকা ০৪:১৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম

তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচে নেপালের বিপক্ষে কষ্টার্জিত জয় তুলে নিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা

NEW YORK, NEW YORK - JUNE 10: Keshav Maharaj of South Africa celebrates after dismissing Mahmudullah Riyad of Bangladesh during the ICC Men's T20 Cricket World Cup West Indies & USA 2024 match between South Africa and Bangladesh at Nassau County International Cricket Stadium on June 10, 2024 in New York, New York. (Photo by Alex Davidson-ICC/ICC via Getty Images)

তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচে নেপালের বিপক্ষে কষ্টার্জিত জয় তুলে নিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। ক্যারিবিয়ার সেইন্ট ভিনসেন্টে অনুষ্ঠিত এ ম্যাচে শক্তিশালী দক্ষিণ আফ্রিকাকে মাত্র ১১৫ রানে অলআউট করে সহযোগী দেশ নেপাল। দীপেন্দ্র সিং আইরে এবং কুশাল ভুর্তেল নাভিশ্বাস তুলেছেন আফ্রিকান ব্যাটারদের। ‘ডি’ গ্রুপের ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকাকে নিজেদের বোলিং ইউনিট দিয়ে পুরোপুরি চমকে দেয় নেপাল।

কুইন্টন ডি কক আর এইডেন মার্করাম খুব বড় স্কোর না করতে পারলেও রিজাকে ভোলো সঙ্গ দেন। চতুর্থ ওভারে আইরের বলে কট এন্ড বোল্ড হন ডি কক। ১০ রান করে সাজঘরে ফেরেন তিনি। অধিনায়ক মার্করামকে সঙ্গে নিয়ে রিজা হেনড্রিকস ১০ ওভারে করেন ৪৬ রানের জুটি।

২২ বলে ১৫ করেন মার্করাম। তিনিই ফিরলেন আগে। হেনরিখ ক্লাসেন ৩ আর ডেভিড মিলার ৭ রান করে বিদায় নেন। দুজনেই কুশালের বলে ক্যাচ দিয়েছেন। রিজা করেন ৪৩ রান। ওপেনিং পার্টনার ডি ককের মতো তিনিও ফেরেন দীপেন্দ্র সিং আইরের বলে কট এন্ড বোল্ড হয়ে।

শেষদিকে ত্রিস্টান স্টাবস যা একটু রানের দেখা পেয়েছেন। তার ১৮ বলে ২৭ রানের ইনিংসে ভর করে প্রোটিয়াদের সংগ্রহ দাড়ায় ১১৫ রানে। নেপালের হয়ে ৪ উইকেট নেন কুশালের। ৩ উইকেট পেয়েছেন দীপেন্দ্র।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে মাত্র ১১৪ রানে অল আউট হয় নেপাল।  কুশাল ১৩ ও উইকেট কিপার আসিফ শেখ করেন ৪২ রান। নেপালের অধিনায়ক রোহিত পাউডাল আউট হন শূন্য রানে। অনিল শাহের ব্যাট থেকে আসে ২৭ রান।

১৮তম ওভারে তাবরাইজ শামসি এলেন বোলিংয়ে। তখন পর্যন্ত পুরো ক্রিকেট দুনিয়া বুঁদ হয়ে ছিল অঘটনের প্রত্যাশায়। আটলান্টিক পাড়ের ক্যারিবিয়ান অঞ্চলে এর আগে বিশ্বকাপের বড় অঘটন দেখা হয়ে গিয়েছে। সেবার আফগানিসস্তান হারিয়েছিল নিউজিল্যান্ডকে। তেমন আরেক অঘটনের অপেক্ষায় ছিল সকলেই।

কিন্তু শামসির ওই ওভারটাই যেন বদলে দিল সমীকরণ। চার বলের ব্যবধানে একই ওভারে তুলে নিলেন নেপালের দুই ইনফর্ম ব্যাটার দীপেন্দ্র সিং আইরে আর আসিফ শেখের উইকেট। আইরে আউট হয়েছেন লেগস্ট্যাম্পের বাইরের বল খেলতে গিয়ে। আর আসিফ শেখ আউট হন দারুণ এক ডেলিভারিতে বোল্ড হয়ে।

এরপরেই মূলত কঠিন হয়ে পড়ে নেপালের জয়। ১৮ বলে ১৮ রানের সমীকরণ নেমে আসে ১২ বলে ১৬ রানে। নরকিয়ার করা ১৯তম ওভারে ফেরেন কুশাল মাল্লা। এরপরেই সোমপাল কামির ১০৫ মিটারের ছক্কা বদলে দেয় দৃশ্যপট। সেই ওভারে আসে ৮ রান। শেষ ওভারে নেপালের দরকার ছিল আরও ৮ রান। ওটনিয়েল বার্টম্যানের সেই ওভারের প্রথম দুই বল ছিল ডট। পরের বলেই গুলশান ঝায়ের চার।

৩ বলে ৪ রানের সমীকরণ মেলাতে কষ্ট হওয়ার কথা না। যদিও সেখানেও দক্ষিণ আফ্রিকা আদায় করে নেয় ডটবল। শেষ বলে দরকার ছিল দুই রান। কিন্তু বার্টম্যানের শেষ বলে ব্যাটে বলে হয়নি। সেখানেই রানআউট হয়ে ১ রানে হারের হতাশায় ডুবতে হয় নেপালকে। সেইসঙ্গে এবারের বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিশ্চিত হয় তাদের।

Tag :
জনপ্রিয়

আর্জেন্টিনা জাতীয় ফুটবল দল থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন লিওনেল মেসি

তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচে নেপালের বিপক্ষে কষ্টার্জিত জয় তুলে নিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা

Update Time : ০৩:৫৬:৩৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ জুন ২০২৪

তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচে নেপালের বিপক্ষে কষ্টার্জিত জয় তুলে নিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। ক্যারিবিয়ার সেইন্ট ভিনসেন্টে অনুষ্ঠিত এ ম্যাচে শক্তিশালী দক্ষিণ আফ্রিকাকে মাত্র ১১৫ রানে অলআউট করে সহযোগী দেশ নেপাল। দীপেন্দ্র সিং আইরে এবং কুশাল ভুর্তেল নাভিশ্বাস তুলেছেন আফ্রিকান ব্যাটারদের। ‘ডি’ গ্রুপের ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকাকে নিজেদের বোলিং ইউনিট দিয়ে পুরোপুরি চমকে দেয় নেপাল।

কুইন্টন ডি কক আর এইডেন মার্করাম খুব বড় স্কোর না করতে পারলেও রিজাকে ভোলো সঙ্গ দেন। চতুর্থ ওভারে আইরের বলে কট এন্ড বোল্ড হন ডি কক। ১০ রান করে সাজঘরে ফেরেন তিনি। অধিনায়ক মার্করামকে সঙ্গে নিয়ে রিজা হেনড্রিকস ১০ ওভারে করেন ৪৬ রানের জুটি।

২২ বলে ১৫ করেন মার্করাম। তিনিই ফিরলেন আগে। হেনরিখ ক্লাসেন ৩ আর ডেভিড মিলার ৭ রান করে বিদায় নেন। দুজনেই কুশালের বলে ক্যাচ দিয়েছেন। রিজা করেন ৪৩ রান। ওপেনিং পার্টনার ডি ককের মতো তিনিও ফেরেন দীপেন্দ্র সিং আইরের বলে কট এন্ড বোল্ড হয়ে।

শেষদিকে ত্রিস্টান স্টাবস যা একটু রানের দেখা পেয়েছেন। তার ১৮ বলে ২৭ রানের ইনিংসে ভর করে প্রোটিয়াদের সংগ্রহ দাড়ায় ১১৫ রানে। নেপালের হয়ে ৪ উইকেট নেন কুশালের। ৩ উইকেট পেয়েছেন দীপেন্দ্র।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে মাত্র ১১৪ রানে অল আউট হয় নেপাল।  কুশাল ১৩ ও উইকেট কিপার আসিফ শেখ করেন ৪২ রান। নেপালের অধিনায়ক রোহিত পাউডাল আউট হন শূন্য রানে। অনিল শাহের ব্যাট থেকে আসে ২৭ রান।

১৮তম ওভারে তাবরাইজ শামসি এলেন বোলিংয়ে। তখন পর্যন্ত পুরো ক্রিকেট দুনিয়া বুঁদ হয়ে ছিল অঘটনের প্রত্যাশায়। আটলান্টিক পাড়ের ক্যারিবিয়ান অঞ্চলে এর আগে বিশ্বকাপের বড় অঘটন দেখা হয়ে গিয়েছে। সেবার আফগানিসস্তান হারিয়েছিল নিউজিল্যান্ডকে। তেমন আরেক অঘটনের অপেক্ষায় ছিল সকলেই।

কিন্তু শামসির ওই ওভারটাই যেন বদলে দিল সমীকরণ। চার বলের ব্যবধানে একই ওভারে তুলে নিলেন নেপালের দুই ইনফর্ম ব্যাটার দীপেন্দ্র সিং আইরে আর আসিফ শেখের উইকেট। আইরে আউট হয়েছেন লেগস্ট্যাম্পের বাইরের বল খেলতে গিয়ে। আর আসিফ শেখ আউট হন দারুণ এক ডেলিভারিতে বোল্ড হয়ে।

এরপরেই মূলত কঠিন হয়ে পড়ে নেপালের জয়। ১৮ বলে ১৮ রানের সমীকরণ নেমে আসে ১২ বলে ১৬ রানে। নরকিয়ার করা ১৯তম ওভারে ফেরেন কুশাল মাল্লা। এরপরেই সোমপাল কামির ১০৫ মিটারের ছক্কা বদলে দেয় দৃশ্যপট। সেই ওভারে আসে ৮ রান। শেষ ওভারে নেপালের দরকার ছিল আরও ৮ রান। ওটনিয়েল বার্টম্যানের সেই ওভারের প্রথম দুই বল ছিল ডট। পরের বলেই গুলশান ঝায়ের চার।

৩ বলে ৪ রানের সমীকরণ মেলাতে কষ্ট হওয়ার কথা না। যদিও সেখানেও দক্ষিণ আফ্রিকা আদায় করে নেয় ডটবল। শেষ বলে দরকার ছিল দুই রান। কিন্তু বার্টম্যানের শেষ বলে ব্যাটে বলে হয়নি। সেখানেই রানআউট হয়ে ১ রানে হারের হতাশায় ডুবতে হয় নেপালকে। সেইসঙ্গে এবারের বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিশ্চিত হয় তাদের।