ঢাকা ১২:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
মরক্কো ম্যাচের আগে ব্রাজিল শিবিরে বড় দুঃসংবাদ আদ্-দ্বীন থেকে রেফার্ড রোগীদের তাৎক্ষণিক ও যথাযথ চিকিৎসা দিতে ৬ হাসপাতালকে নির্দেশ আজকে কোন টিভি চ্যানেলে কোন খেলা নিজেদের প্রথম ম্যাচে বড় ব্যবধানে জিতেছে যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বকাপের তৃতীয় ও শেষ পর্বের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্বকাপ ইতিহাসে প্রথমবারের মতো কোনো ম্যাচে ‘অপরাজিত’ স্বাদ পেয়েছে কানাডা জমকালো উৎসব, আলো আর বিশ্বমানের তারকাদের সুরের মূর্ছনায় সম্পন্ন হলো কানাডা পর্বের রাজকীয় উদ্বোধন এক নজরে বিশ্ব সংবাদ: ১২ জুন ২০২৬ আজকের নামাজের সময়সূচি: ১৩ জুন ২০২৬ ফেসবুক ও মেসেঞ্জারের হঠাৎ বিশ্ব জুড়ে সার্ভার ডাউন

তুরস্ক-সিরিয়ায় ভয়াবহ ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪১ হাজার ছাড়াল

তুরস্ক-সিরিয়ায় ভয়াবহ ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে চলছে। আটদিন পার হলেও মৃত্যুর মিছিল থামছেই না। এখনও ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে শতশত মরদেহ উদ্ধার করা হচ্ছে।

এ পর্যন্ত মৃত্যু সংখ্যা ৪১ হাজার ছাড়িয়েছে। এরমধ্যে তুরস্কেই মারা গেছেন ৩৫ হাজারের বেশি মানুষ। সিরিয়ায় সংখ্যাটি পাঁচ হাজারের বেশি। এখনও বহু মানুষ ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়ে আছেন।

ভূমিকম্পের ৮ দিন পেরিয়ে যাওয়ায় জীবিত মানুষের জন্য আলাদাভাবে তল্লাশি অভিযান বন্ধ করেছেন উদ্ধারকর্মীরা। তবুও অলৌকিকভাবে মঙ্গলবার ৯ জনকে ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। ততোক্ষণে পেরিয়েছে ভূমিকম্পের ২০০ ঘণ্টা। দুইটি দেশে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত দুই কোটি ৬০ লাখ মানুষের জন্য প্রয়োজন জরুরি সহায়তা।

এদিকে, রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে রাখা ভাষণে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান বলেছেন, শুধু তুরস্ক নয় বরং গোটা মানব ইতিহাসে এটি ভয়ংকর প্রাকৃতিক দুর্যোগ। তিনি জানিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে পরিস্থিতি সামাল দিতে না পারলেও বর্তমানে গোটা আন্তর্জাতিক মহল পাশে দাঁড়িয়েছে।

তবে, সিরিয়ায় এখনও বহু মানুষ দুর্ভোগে রয়েছেন। এমনকি, ঠিকভাবে পরিচালনা করা যাচ্ছে না উদ্ধারকাজও। দেশটির জন্য ৪০০ মিলিয়ন ডলারের তহবিল গঠনের তাগিদ দিয়েছে জাতিসংঘ।

উল্লেখ্য, গত সোমবার (৬ ফেব্রয়ারি) সকালে ৭.৮ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছিল তুরস্ক এবং সিরিয়া। তার পর অন্তত ১০০ বার জোরালো আফটার শকে কাঁপে দুই দেশের মাটি। এতে গুঁড়িয়ে যায় দুই দেশের হাজার হাজার হাসপাতাল, স্কুল ও অ্যাপার্টমেন্ট ভবন। এতে গৃহহীন হয়ে পড়ে দেশ দুটির লাখ লাখ মানুষ।

সিরিয়া-তুরস্কের এই ভূমিকম্পকে শতাব্দীর সবচেয়ে ধ্বংসাত্মক ও প্রাণঘাতী বলে মনে করছেন কেউ কেউ। বলা হচ্ছে, আগামী কয়েক দিনে এই ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়ে যেতে পারে ৫০ হাজার। ১৯৩৯ সালের পর এটি তুরস্কের সবচেয়ে ভয়াবহ ভূমিকম্প।

সূত্র: আল জাজিরা ও রয়টার্সের।

Tag :

মরক্কো ম্যাচের আগে ব্রাজিল শিবিরে বড় দুঃসংবাদ

তুরস্ক-সিরিয়ায় ভয়াবহ ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪১ হাজার ছাড়াল

Update Time : ০৫:৫৫:৫৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

তুরস্ক-সিরিয়ায় ভয়াবহ ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে চলছে। আটদিন পার হলেও মৃত্যুর মিছিল থামছেই না। এখনও ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে শতশত মরদেহ উদ্ধার করা হচ্ছে।

এ পর্যন্ত মৃত্যু সংখ্যা ৪১ হাজার ছাড়িয়েছে। এরমধ্যে তুরস্কেই মারা গেছেন ৩৫ হাজারের বেশি মানুষ। সিরিয়ায় সংখ্যাটি পাঁচ হাজারের বেশি। এখনও বহু মানুষ ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়ে আছেন।

ভূমিকম্পের ৮ দিন পেরিয়ে যাওয়ায় জীবিত মানুষের জন্য আলাদাভাবে তল্লাশি অভিযান বন্ধ করেছেন উদ্ধারকর্মীরা। তবুও অলৌকিকভাবে মঙ্গলবার ৯ জনকে ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। ততোক্ষণে পেরিয়েছে ভূমিকম্পের ২০০ ঘণ্টা। দুইটি দেশে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত দুই কোটি ৬০ লাখ মানুষের জন্য প্রয়োজন জরুরি সহায়তা।

এদিকে, রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে রাখা ভাষণে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান বলেছেন, শুধু তুরস্ক নয় বরং গোটা মানব ইতিহাসে এটি ভয়ংকর প্রাকৃতিক দুর্যোগ। তিনি জানিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে পরিস্থিতি সামাল দিতে না পারলেও বর্তমানে গোটা আন্তর্জাতিক মহল পাশে দাঁড়িয়েছে।

তবে, সিরিয়ায় এখনও বহু মানুষ দুর্ভোগে রয়েছেন। এমনকি, ঠিকভাবে পরিচালনা করা যাচ্ছে না উদ্ধারকাজও। দেশটির জন্য ৪০০ মিলিয়ন ডলারের তহবিল গঠনের তাগিদ দিয়েছে জাতিসংঘ।

উল্লেখ্য, গত সোমবার (৬ ফেব্রয়ারি) সকালে ৭.৮ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছিল তুরস্ক এবং সিরিয়া। তার পর অন্তত ১০০ বার জোরালো আফটার শকে কাঁপে দুই দেশের মাটি। এতে গুঁড়িয়ে যায় দুই দেশের হাজার হাজার হাসপাতাল, স্কুল ও অ্যাপার্টমেন্ট ভবন। এতে গৃহহীন হয়ে পড়ে দেশ দুটির লাখ লাখ মানুষ।

সিরিয়া-তুরস্কের এই ভূমিকম্পকে শতাব্দীর সবচেয়ে ধ্বংসাত্মক ও প্রাণঘাতী বলে মনে করছেন কেউ কেউ। বলা হচ্ছে, আগামী কয়েক দিনে এই ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়ে যেতে পারে ৫০ হাজার। ১৯৩৯ সালের পর এটি তুরস্কের সবচেয়ে ভয়াবহ ভূমিকম্প।

সূত্র: আল জাজিরা ও রয়টার্সের।