ঢাকা ০৩:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দেশে প্রথমবারের মতো শুরু হয়েছে টাইফয়েড টিকাদান কর্মসূচি

  • অনলাইন ডেস্ক
  • Update Time : ০৫:৫৬:৩৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ অক্টোবর ২০২৫
  • ১৮২ Time View

দেশে প্রথমবারের মতো শুরু হয়েছে টাইফয়েড টিকাদান কর্মসূচি। রবিবার (১২ অক্টোবর) সকাল ৯টা ২০ মিনিটে রাজধানীর আজিমপুরে স্যার সলিমুল্লাহ মুসলিম এতিমখানা কেন্দ্রে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম আনুষ্ঠানিকভাবে সারা দেশে টাইফয়েড টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

এই কর্মসূচিতে ৯ মাস থেকে ১৫ বছরের কম বয়সী প্রায় পাঁচ কোটি শিশুকে আগামী ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত বিনামূল্যে ইনজেকটেবল টাইফয়েড টিকা দেওয়া হবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘টাইফয়েডে এখনো দেশের শিশুদের মৃত্যু হয়—এটা আমাদের লজ্জার।

ডায়রিয়া, রাতকানা রোগসহ অনেক কিছু আমরা প্রতিরোধ করেছি, এবার টাইফয়েড প্রতিরোধেও সফল হব ইনশাআল্লাহ।’

নূরজাহান বেগম বলেন, ‘আমাদের এখন সবচেয়ে বড় লক্ষ্য— রোগ প্রতিরোধ। যত বেশি মানুষ, বিশেষ করে শিশুদের প্রতিরোধমূলক টিকার আওতায় আনা যাবে, ততই হাসপাতালে ভিড় ও চাপ কমবে।’

এই ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে আমরা যদি প্রতিটি শিশুর কাছে টিকা পৌঁছে দিতে পারি, তাহলে দেশে টাইফয়েডে মৃত্যুর ঘটনা কার্যত বন্ধ করা সম্ভব হবে। এ উদ্যোগ আমাদের জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে আরো শক্তিশালী করবে।’অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ।অধিদপ্তর জানিয়েছে, জন্মসনদ না থাকা শিশুরাও এই টিকা পাবে।

ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট তৈরি করেছে এই টিকা, যা সরকার পেয়েছে আন্তর্জাতিক ভ্যাকসিন সহায়তা সংস্থা গ্যাভির সহায়তায়।
Tag :

দেশে প্রথমবারের মতো শুরু হয়েছে টাইফয়েড টিকাদান কর্মসূচি

Update Time : ০৫:৫৬:৩৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ অক্টোবর ২০২৫

দেশে প্রথমবারের মতো শুরু হয়েছে টাইফয়েড টিকাদান কর্মসূচি। রবিবার (১২ অক্টোবর) সকাল ৯টা ২০ মিনিটে রাজধানীর আজিমপুরে স্যার সলিমুল্লাহ মুসলিম এতিমখানা কেন্দ্রে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম আনুষ্ঠানিকভাবে সারা দেশে টাইফয়েড টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

এই কর্মসূচিতে ৯ মাস থেকে ১৫ বছরের কম বয়সী প্রায় পাঁচ কোটি শিশুকে আগামী ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত বিনামূল্যে ইনজেকটেবল টাইফয়েড টিকা দেওয়া হবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘টাইফয়েডে এখনো দেশের শিশুদের মৃত্যু হয়—এটা আমাদের লজ্জার।

ডায়রিয়া, রাতকানা রোগসহ অনেক কিছু আমরা প্রতিরোধ করেছি, এবার টাইফয়েড প্রতিরোধেও সফল হব ইনশাআল্লাহ।’

নূরজাহান বেগম বলেন, ‘আমাদের এখন সবচেয়ে বড় লক্ষ্য— রোগ প্রতিরোধ। যত বেশি মানুষ, বিশেষ করে শিশুদের প্রতিরোধমূলক টিকার আওতায় আনা যাবে, ততই হাসপাতালে ভিড় ও চাপ কমবে।’

এই ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে আমরা যদি প্রতিটি শিশুর কাছে টিকা পৌঁছে দিতে পারি, তাহলে দেশে টাইফয়েডে মৃত্যুর ঘটনা কার্যত বন্ধ করা সম্ভব হবে। এ উদ্যোগ আমাদের জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে আরো শক্তিশালী করবে।’অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ।অধিদপ্তর জানিয়েছে, জন্মসনদ না থাকা শিশুরাও এই টিকা পাবে।

ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট তৈরি করেছে এই টিকা, যা সরকার পেয়েছে আন্তর্জাতিক ভ্যাকসিন সহায়তা সংস্থা গ্যাভির সহায়তায়।