ঢাকা ০৩:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ২১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পলাতক আওয়ামী লীগ নেতাদের অবশ্যই আইনের আওতায় আনা হবে: প্রেস সচিব শফিকুল আলম

বিদেশে পলাতক আওয়ামী লীগ নেতাদের অবশ্যই আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
সোমবার (২১ এপ্রিল) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
পলাতক আওয়ামী লীগের নেতাদের ফেরানোর বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে শফিকুল আলম বলেছেন, যারা অভিযুক্ত, যাদের বিরুদ্ধে বড় বড় দুর্নীতির অভিযোগ আছে, খুনের মামলা আছে, তাদের সবার বিষয়ে আমরা সিরিয়াস। তাদের প্রত্যেকেরই প্রত্যাবাসন চাইবো, তাদের বাংলাদেশের আইনের মুখোমুখি হতে হবে।
তাদের আইনের আওতায় আনা আমাদের কেন, আমি মনে করি পরবর্তী সরকারের জন্যও এটা একটি নৈতিক দায়িত্ব। আমরা আমাদের কাজ খুব ভালোভাবে করবো। আমরা আশা করবো যাতে কাজটা শেষ করে দিয়ে যেতে পারি। আমরা যদি আমাদের সময়ে না করতে পারি, আমাদের পরে যে সরকার আসবে তারাও এই কাজটি করবেন।
কেননা এরা বাংলাদেশের মানুষের টাকা চুরি করে বাইরে নিয়ে মজফুর্তি করছেন। অবশ্যই তাদেরকে ফেরানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। এই কাজটা আমরা করবো। আওয়ামী লীগের যেসব নেতা বাইরে গেছে, এদের বেশিরভাগের হাতেই অর্থ আছে।
তিনি বলেন, আপনারা পত্রিকায় দেখেছেন, এক একজনের অ্যাকাউন্টে কী পরিমাণ টাকা আমরা পেয়েছি। আমার-আপনার অ্যাকাউন্টে তো এক কোটি টাকার লেনদেনও দেখা যায় না, অথচ এক একজনের ৮০০, ৯০০, ১২০০ কোটি টাকার লেনদেন। একজন সরকারের সচিব বা মন্ত্রী কত টাকা পায়, বলেও প্রশ্ন রাখেন তিনি।
Tag :

পলাতক আওয়ামী লীগ নেতাদের অবশ্যই আইনের আওতায় আনা হবে: প্রেস সচিব শফিকুল আলম

Update Time : ১১:১৮:২১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ এপ্রিল ২০২৫
বিদেশে পলাতক আওয়ামী লীগ নেতাদের অবশ্যই আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
সোমবার (২১ এপ্রিল) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
পলাতক আওয়ামী লীগের নেতাদের ফেরানোর বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে শফিকুল আলম বলেছেন, যারা অভিযুক্ত, যাদের বিরুদ্ধে বড় বড় দুর্নীতির অভিযোগ আছে, খুনের মামলা আছে, তাদের সবার বিষয়ে আমরা সিরিয়াস। তাদের প্রত্যেকেরই প্রত্যাবাসন চাইবো, তাদের বাংলাদেশের আইনের মুখোমুখি হতে হবে।
তাদের আইনের আওতায় আনা আমাদের কেন, আমি মনে করি পরবর্তী সরকারের জন্যও এটা একটি নৈতিক দায়িত্ব। আমরা আমাদের কাজ খুব ভালোভাবে করবো। আমরা আশা করবো যাতে কাজটা শেষ করে দিয়ে যেতে পারি। আমরা যদি আমাদের সময়ে না করতে পারি, আমাদের পরে যে সরকার আসবে তারাও এই কাজটি করবেন।
কেননা এরা বাংলাদেশের মানুষের টাকা চুরি করে বাইরে নিয়ে মজফুর্তি করছেন। অবশ্যই তাদেরকে ফেরানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। এই কাজটা আমরা করবো। আওয়ামী লীগের যেসব নেতা বাইরে গেছে, এদের বেশিরভাগের হাতেই অর্থ আছে।
তিনি বলেন, আপনারা পত্রিকায় দেখেছেন, এক একজনের অ্যাকাউন্টে কী পরিমাণ টাকা আমরা পেয়েছি। আমার-আপনার অ্যাকাউন্টে তো এক কোটি টাকার লেনদেনও দেখা যায় না, অথচ এক একজনের ৮০০, ৯০০, ১২০০ কোটি টাকার লেনদেন। একজন সরকারের সচিব বা মন্ত্রী কত টাকা পায়, বলেও প্রশ্ন রাখেন তিনি।