ঢাকা ০১:৫৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
দ্রুত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে ইসরায়েলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিক না করলে সৌদি আরবের সঙ্গে পারমাণবিক চুক্তি বাতিল: হোয়াইট হাউস ইরানের ওপর আরও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলো যুক্তরাষ্ট্র অধিকৃত পশ্চিম তীরের গাজার মতো সামরিক অভিযান চালানোর আহ্বান ইসরায়েলি নিরাপত্তামন্ত্রী কে হতে যাচ্ছেন দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি? সদ্যবিদায়ি রাষ্ট্রপতি আগামী রবিবার সপরিবারে বঙ্গভবন ছাড়বেন জামায়াতে ইসলামী ফেরেশতাদের দল নয়, আমরা মানুষ আমাদেরও ভুল ত্রুটি হয়: শফিকুর রহমান পদত্যাগপত্রে কি লিখেছেন সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ সব জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে পদত্যাগ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন

বাজারে বেড়েই চলছে অস্থিরতা

দীর্ঘদিন ধরেই নিত্যপণ্য, কাঁচাবাজার, মাছ-মাংস, এমনকি মসলাজাত পণ্যের দামে হাঁসফাঁস অবস্থা সাধারণ মানুষের। বাজারে বেড়েই চলছে অস্থিরতা। সরবারহে খুব একটা কোনো ঘাটতি না থাকলেও বেশিরভাগ পণ্যের দাম ঊর্ধ্বমুখী। সপ্তাহের ব্যবধানেই দাম বেড়ে গেছে বিভিন্ন সবজির।

শুক্রবার (১০ মে) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি মোটা চালের দাম ৪৮ থেকে ৫০টাকা, বি আর-আটাশ ৫৫ থেকে-৫৮ টাকা, পাইজাম ৫৮ থেকে ৬০ টাকা। মাঝারি মানের চিকন চালের কেজি ৭৫ টাকা। আর ভালো মানের চিকন চালের কেজি ৮০ টাকা।

বাজারে প্রায় সব ধরনের সবজির দামই বেড়েছে। প্রতি কেজি সাদা বেগুনের দাম ১০০ টাকা। বড় বেগুন ১২০ টাকা, লম্বা বেগুন ৭০ থেকে ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে পেঁপের দাম। প্রতি কেজি পেঁপের দাম ১০০ টাকা। বাড়তি দাম কাঁচা মরিচের। প্রতি কেজি কাঁচা মরিচের দাম ১৬০ টাকা।

পটলের কেজি ৬০ টাকা, করলা ৮০ টাকা, বরবটি ৮০ টাকা, কাঁকরোল ৫০ টাকা, পাকা টমেটো ৫০ টাকা, ধুন্দলের কেজি বাজারভেদে ৭০ থেকে ৮০ টাকা। মাঝারি আকারের ‍কলার হালি ৪০ টাকা, ঢ্যাঁড়স বাজারভেদে ৭০ থেকে ৮০ টাকা কেজি।

স্বস্তি নেই মাছের বাজারেও। গতকালও (বৃহস্পতিবার) যে দামে মাছ বিক্রি হয়েছে, আজ সে দামে নেই, বেড়েছে। বিক্রেতারা বলছেন, শুক্রবার দাম একটু বাড়ে। সবাই বাজার করতে আসেন, সেজন্য দামও বাড়ে। আড়ত থেকে বেশি দামে মাছ কিনতে হয়, তাই তারাও একটি বেশি রাখেন।

রাজধানীর বাজারে ছোট আকারের রুই ২৫০ থেকে ২৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। মাঝারি রুইয়ের কেজি ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা। কাতলার দাম প্রায় একই। বড় রুই, বোয়াল কেটে বিক্রি হচ্ছে ৮০০ টাকা কেজি দরে।

সিলভার কার্প ১৫০ টাকা কেজি, বড় সিলভার ২৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। একই দাম চাষের পাঙাশের। সরপুঁটির কেজি ২০০ টাকা, দেশি বড় চিংড়ি এক হাজার টাকা, মাঝারি ৭০০ টাকা, ছোট চিংড়ি ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা এবং গলদা চিংড়ি ৬০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

পাবদার কেজি ৪৫০ টাকা, বেলে ৭৫০ টাকা, দেশি ট্যাংরা ৭৫০ টাকা এবং চাষের ট্যাংরা বাজারভেদে ৬০০ থেকে ৬৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। তেলাপিয়ার কেজি ২৫০ টাকা, মলা ৬০০ টাকা, পিয়ালি ৬০০ টাকা, চাষের শিং ৩৫০ ও কাচকি ৩০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ৭৫০-৮০০ গ্রামের ইলিশের কেজি দুই হাজার টাকা। এরচেয়ে বড় আকারের ইলিশের কেজি আড়াই হাজার টাকা।

ডিমের দামও বাড়তি। প্রতি হালি ডিমের দাম এখন ৪৮ থেকে ৫০ টাকা। হাঁসের ডিমের হালি ৭৫ টাকা। একদিন আগেও মুরগির ডিমের হালি ছিল ৪৫ টাকা।

বাজারে সোনালি মুরগির কেজি ৪০০ টাকা, ব্রয়লার ২৩০ টাকা এবং লেয়ার মুরগির কেজি ৩৩০ থেকে ৩৪০ টাকা।

মিরপুর ১৩ নম্বরের বাজারে গরুর মাংসের কেজি ৭৩০ থেকে ৭৫০ টাকা। একই মাংস মিরপুর-২ নম্বরে বিক্রি হচ্ছে ৭৮০ টাকা কেজি দরে।

পেঁয়াজের কেজি ৭০ টাকা, আলুর কেজি ৫৫ টাকা, আমদানি করা বড় রসুন ২৪০ টাকা। দেশি ছোট রসুন ১০০ টাকা কেজি। আর আদা ধরনভেদে প্রতি কেজি ২২০ থেকে ২৪০ টাকা।

Tag :
জনপ্রিয়

দ্রুত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে

বাজারে বেড়েই চলছে অস্থিরতা

Update Time : ১০:৪১:০৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ মে ২০২৪

দীর্ঘদিন ধরেই নিত্যপণ্য, কাঁচাবাজার, মাছ-মাংস, এমনকি মসলাজাত পণ্যের দামে হাঁসফাঁস অবস্থা সাধারণ মানুষের। বাজারে বেড়েই চলছে অস্থিরতা। সরবারহে খুব একটা কোনো ঘাটতি না থাকলেও বেশিরভাগ পণ্যের দাম ঊর্ধ্বমুখী। সপ্তাহের ব্যবধানেই দাম বেড়ে গেছে বিভিন্ন সবজির।

শুক্রবার (১০ মে) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি মোটা চালের দাম ৪৮ থেকে ৫০টাকা, বি আর-আটাশ ৫৫ থেকে-৫৮ টাকা, পাইজাম ৫৮ থেকে ৬০ টাকা। মাঝারি মানের চিকন চালের কেজি ৭৫ টাকা। আর ভালো মানের চিকন চালের কেজি ৮০ টাকা।

বাজারে প্রায় সব ধরনের সবজির দামই বেড়েছে। প্রতি কেজি সাদা বেগুনের দাম ১০০ টাকা। বড় বেগুন ১২০ টাকা, লম্বা বেগুন ৭০ থেকে ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে পেঁপের দাম। প্রতি কেজি পেঁপের দাম ১০০ টাকা। বাড়তি দাম কাঁচা মরিচের। প্রতি কেজি কাঁচা মরিচের দাম ১৬০ টাকা।

পটলের কেজি ৬০ টাকা, করলা ৮০ টাকা, বরবটি ৮০ টাকা, কাঁকরোল ৫০ টাকা, পাকা টমেটো ৫০ টাকা, ধুন্দলের কেজি বাজারভেদে ৭০ থেকে ৮০ টাকা। মাঝারি আকারের ‍কলার হালি ৪০ টাকা, ঢ্যাঁড়স বাজারভেদে ৭০ থেকে ৮০ টাকা কেজি।

স্বস্তি নেই মাছের বাজারেও। গতকালও (বৃহস্পতিবার) যে দামে মাছ বিক্রি হয়েছে, আজ সে দামে নেই, বেড়েছে। বিক্রেতারা বলছেন, শুক্রবার দাম একটু বাড়ে। সবাই বাজার করতে আসেন, সেজন্য দামও বাড়ে। আড়ত থেকে বেশি দামে মাছ কিনতে হয়, তাই তারাও একটি বেশি রাখেন।

রাজধানীর বাজারে ছোট আকারের রুই ২৫০ থেকে ২৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। মাঝারি রুইয়ের কেজি ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা। কাতলার দাম প্রায় একই। বড় রুই, বোয়াল কেটে বিক্রি হচ্ছে ৮০০ টাকা কেজি দরে।

সিলভার কার্প ১৫০ টাকা কেজি, বড় সিলভার ২৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। একই দাম চাষের পাঙাশের। সরপুঁটির কেজি ২০০ টাকা, দেশি বড় চিংড়ি এক হাজার টাকা, মাঝারি ৭০০ টাকা, ছোট চিংড়ি ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা এবং গলদা চিংড়ি ৬০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

পাবদার কেজি ৪৫০ টাকা, বেলে ৭৫০ টাকা, দেশি ট্যাংরা ৭৫০ টাকা এবং চাষের ট্যাংরা বাজারভেদে ৬০০ থেকে ৬৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। তেলাপিয়ার কেজি ২৫০ টাকা, মলা ৬০০ টাকা, পিয়ালি ৬০০ টাকা, চাষের শিং ৩৫০ ও কাচকি ৩০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ৭৫০-৮০০ গ্রামের ইলিশের কেজি দুই হাজার টাকা। এরচেয়ে বড় আকারের ইলিশের কেজি আড়াই হাজার টাকা।

ডিমের দামও বাড়তি। প্রতি হালি ডিমের দাম এখন ৪৮ থেকে ৫০ টাকা। হাঁসের ডিমের হালি ৭৫ টাকা। একদিন আগেও মুরগির ডিমের হালি ছিল ৪৫ টাকা।

বাজারে সোনালি মুরগির কেজি ৪০০ টাকা, ব্রয়লার ২৩০ টাকা এবং লেয়ার মুরগির কেজি ৩৩০ থেকে ৩৪০ টাকা।

মিরপুর ১৩ নম্বরের বাজারে গরুর মাংসের কেজি ৭৩০ থেকে ৭৫০ টাকা। একই মাংস মিরপুর-২ নম্বরে বিক্রি হচ্ছে ৭৮০ টাকা কেজি দরে।

পেঁয়াজের কেজি ৭০ টাকা, আলুর কেজি ৫৫ টাকা, আমদানি করা বড় রসুন ২৪০ টাকা। দেশি ছোট রসুন ১০০ টাকা কেজি। আর আদা ধরনভেদে প্রতি কেজি ২২০ থেকে ২৪০ টাকা।