ঢাকা ০৬:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার পরিপাকতন্ত্রে থেমে থেমে রক্তক্ষরণ হচ্ছে

  • অনলাইন ডেস্ক
  • Update Time : ০৪:৫৮:৫৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২১
  • ৩০১ Time View

লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার পরিপাকতন্ত্রে থেমে থেমে রক্তক্ষরণ হচ্ছে। চিকিৎসকরা জানিয়াছেন, রক্তক্ষরণ মাঝে মধ্যে বন্ধ হয়ে যায়, আবার শুরু হয়। এভাবেই চলছে দেড় মাস ধরে।
গতকাল বেগম জিয়ার মেডিক্যাল বোর্ডের একজন চিকিৎসক জানান, দিন দিন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার অবনতি হচ্ছে। রক্তক্ষরণ স্থায়ীভাবে বন্ধ হচ্ছে না প্রয়োজনীয় ওষুধ, ইনজেকশন ও স্যালাইন দেয়া হচ্ছে।

খালেদা জিয়া শারীরিকভাবে খুবই দুর্বল উল্লেখ করে ওই চিকিৎসক বলেন, তার খাবারের রুচি তেমন নেই। স্যুপের বাইরে তেমন কিছু খাওয়ানো যাচ্ছে না। বেশি কথা বলতে পারছেন না। মাঝে মধ্যে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ কমে যাচ্ছে। ইনসুলিন দিয়ে ডায়াবেটিস কিছুটা নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়েছে।

চিকিৎসকদের বাইরে খালেদা জিয়াকে দেখতে নিয়মিত হাসপাতালে যান পুত্রবধূ শর্মিলা রহমান সিঁথি। তিনি বাসা থেকে তরল খাবার রান্না করে হাসপাতালে নিয়ে যান। এ ছাড়া প্রায় প্রতিদিনই খালেদা জিয়াকে দেখতে হাসপাতালে যান বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

গত ১৩ নভেম্বর তৃতীয় দফায় খালেদা জিয়াকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। রাজধানীর এভার কেয়ার হাসপাতালের চিকিৎসক ডা: শাহাবুদ্দিন তালুকদারের নেতৃত্বে প্রায় ২০ জনের একটি বিশেষ মেডিক্যাল টিম ৭৭ বছর বয়সী সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীকে চিকিৎসা দিচ্ছেন। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত বিদেশে নেয়ার কথা বলেছেন চিকিৎসকরা।

Tag :

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার পরিপাকতন্ত্রে থেমে থেমে রক্তক্ষরণ হচ্ছে

Update Time : ০৪:৫৮:৫৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২১

লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার পরিপাকতন্ত্রে থেমে থেমে রক্তক্ষরণ হচ্ছে। চিকিৎসকরা জানিয়াছেন, রক্তক্ষরণ মাঝে মধ্যে বন্ধ হয়ে যায়, আবার শুরু হয়। এভাবেই চলছে দেড় মাস ধরে।
গতকাল বেগম জিয়ার মেডিক্যাল বোর্ডের একজন চিকিৎসক জানান, দিন দিন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার অবনতি হচ্ছে। রক্তক্ষরণ স্থায়ীভাবে বন্ধ হচ্ছে না প্রয়োজনীয় ওষুধ, ইনজেকশন ও স্যালাইন দেয়া হচ্ছে।

খালেদা জিয়া শারীরিকভাবে খুবই দুর্বল উল্লেখ করে ওই চিকিৎসক বলেন, তার খাবারের রুচি তেমন নেই। স্যুপের বাইরে তেমন কিছু খাওয়ানো যাচ্ছে না। বেশি কথা বলতে পারছেন না। মাঝে মধ্যে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ কমে যাচ্ছে। ইনসুলিন দিয়ে ডায়াবেটিস কিছুটা নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়েছে।

চিকিৎসকদের বাইরে খালেদা জিয়াকে দেখতে নিয়মিত হাসপাতালে যান পুত্রবধূ শর্মিলা রহমান সিঁথি। তিনি বাসা থেকে তরল খাবার রান্না করে হাসপাতালে নিয়ে যান। এ ছাড়া প্রায় প্রতিদিনই খালেদা জিয়াকে দেখতে হাসপাতালে যান বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

গত ১৩ নভেম্বর তৃতীয় দফায় খালেদা জিয়াকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। রাজধানীর এভার কেয়ার হাসপাতালের চিকিৎসক ডা: শাহাবুদ্দিন তালুকদারের নেতৃত্বে প্রায় ২০ জনের একটি বিশেষ মেডিক্যাল টিম ৭৭ বছর বয়সী সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীকে চিকিৎসা দিচ্ছেন। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত বিদেশে নেয়ার কথা বলেছেন চিকিৎসকরা।