ঢাকা ১২:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
বাংলাদেশসহ বিশ্বের ৬০টি দেশের ওপর অতিরিক্ত আমদানি শুল্ক আরোপের প্রস্তাব করেছে যুক্তরাষ্ট্র জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান আজকে কোন টিভি চ্যানেলে কোন খেলা এক নজরে বিশ্ব সংবাদ: ২ জুন ২০২৬ আজকের নামাজের সময়সূচি: ৩ জুন ২০২৬ আমি সেই নামটা বলতে চাইছি না, বললে বাংলাদেশ উত্তাল হয়ে যাবে: হাদি হত্যা প্রসঙ্গে মমতা ভাঙ্গায় দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে প্রাইভেটকারের ধাক্কা, নিহত ৫ ফরিদপুরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত বাবা-মায়ের কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত তোফায়েল আহমেদ ভোক্তাপর্যায়ে এলপি গ্যাসের দাম কমেছে

ভারতের বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ ৬১৩ বিলিয়ন ডলার

ভারতের মোট বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ প্রান্তিকভিত্তিতে এক দশমিক দুই শতাংশ বেড়ে ৬১৩ দশমিক এক বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। গত বছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত করা হিসাবে এমন চিত্র উঠে এসেছে। শুক্রবার (৩১ মার্চ) দেশটির সরকার এ তথ্য জানিয়েছে।

ভারত সরকারের বিবৃতি উল্লেখ করে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ইয়েন, ইউরো এবং ইউকে পাউন্ডের মতো অন্যান্য প্রধান মুদ্রার বিপরীতে মার্কিন ডলারের অবমূল্যায়নে সেপ্টেম্বর-ডিসেম্বর সময়ে ভ্যাল্যুয়েশন লস হয়েছে তিন দশমিক আট বিলিয়ন ডলার।

স্বল্পমেয়াদের ক্ষেত্রে ২০২২ সালের ডিসেম্বরে শেষ হওয়া প্রান্তিকে ভারতের বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়ায় ২১ দশমিক এক শতাংশে। কিন্তু সেপ্টেম্বরে শেষ হওয়া প্রান্তিকে এই হার ছিল ২১ শতাংশ।
তাছাড়া চলতি মাসের শুরুতে ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাংকের গভর্নর শক্তিকান্ত দাস বলেছিলেন, মোট বৈদেশিক ঋণ পরিচালনাযোগ্য সীমার মধ্যে রয়েছে।

অন্যদিকে চলতি অর্থবছরে ভারতের জিডিপি প্রবৃদ্ধি সাত শতাংশ হতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। দেশটির জাতীয় পরিসংখ্যান বিভাগ এই তথ্য দিয়েছে।
প্রধান অর্থনৈতিক উপদেষ্টা (সিইএ) ভি অনন্ত নাগেশ্বরন বলেছেন, পুরো অর্থবছরে সাত শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে হলে মার্চ প্রান্তিকে চার থেকে চার দশমিক এক শতাংশ প্রবৃদ্ধি প্রয়োজন।

Tag :

বাংলাদেশসহ বিশ্বের ৬০টি দেশের ওপর অতিরিক্ত আমদানি শুল্ক আরোপের প্রস্তাব করেছে যুক্তরাষ্ট্র

ভারতের বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ ৬১৩ বিলিয়ন ডলার

Update Time : ০৪:৩৫:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ মার্চ ২০২৩

ভারতের মোট বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ প্রান্তিকভিত্তিতে এক দশমিক দুই শতাংশ বেড়ে ৬১৩ দশমিক এক বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। গত বছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত করা হিসাবে এমন চিত্র উঠে এসেছে। শুক্রবার (৩১ মার্চ) দেশটির সরকার এ তথ্য জানিয়েছে।

ভারত সরকারের বিবৃতি উল্লেখ করে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ইয়েন, ইউরো এবং ইউকে পাউন্ডের মতো অন্যান্য প্রধান মুদ্রার বিপরীতে মার্কিন ডলারের অবমূল্যায়নে সেপ্টেম্বর-ডিসেম্বর সময়ে ভ্যাল্যুয়েশন লস হয়েছে তিন দশমিক আট বিলিয়ন ডলার।

স্বল্পমেয়াদের ক্ষেত্রে ২০২২ সালের ডিসেম্বরে শেষ হওয়া প্রান্তিকে ভারতের বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়ায় ২১ দশমিক এক শতাংশে। কিন্তু সেপ্টেম্বরে শেষ হওয়া প্রান্তিকে এই হার ছিল ২১ শতাংশ।
তাছাড়া চলতি মাসের শুরুতে ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাংকের গভর্নর শক্তিকান্ত দাস বলেছিলেন, মোট বৈদেশিক ঋণ পরিচালনাযোগ্য সীমার মধ্যে রয়েছে।

অন্যদিকে চলতি অর্থবছরে ভারতের জিডিপি প্রবৃদ্ধি সাত শতাংশ হতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। দেশটির জাতীয় পরিসংখ্যান বিভাগ এই তথ্য দিয়েছে।
প্রধান অর্থনৈতিক উপদেষ্টা (সিইএ) ভি অনন্ত নাগেশ্বরন বলেছেন, পুরো অর্থবছরে সাত শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে হলে মার্চ প্রান্তিকে চার থেকে চার দশমিক এক শতাংশ প্রবৃদ্ধি প্রয়োজন।