ঢাকা ০৯:২৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাজার-ধর্মীয় স্থাপনা রক্ষার নির্দেশ, কঠোর হচ্ছে সরকার

  • অনলাইন ডেস্ক
  • Update Time : ০৯:৫৪:১৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪
  • ১৪৩ Time View

দেশের বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত সুফি আশ্রম ও মাজারে হামলাকারীদের আইনের আওতায় আনতে কাজ করছে সরকার। পাশাপাশি তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কাজও চলছে। এ ছাড়া ধর্মীয় উপাসনালয় ও সাংস্কৃতিক স্থাপনাগুলো রক্ষায় পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

শনিবার প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে এক বিবৃতিতে বিষয়টি জানানো হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক স্থান এবং সুফি মাজারগুলোর বিরুদ্ধে যেকোনো বিদ্বেষমূলক বক্তব্য এবং এগুলোর ওপর হামলার বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে সরকার। এসব হামলায় জড়িত অসাধু শক্তিগুলোকে আইনের আওতায় আনতে এবং তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য কাজ করছে।

বাংলাদেশ হাজার বছর ধরে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি এবং সব বিশ্বাসের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের দেশ উল্লেখ করে বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আমরা দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলছি যে, আমরা সম্প্রীতির দেশ হিসেবেই থাকব এবং ধর্মীয় বা সাংস্কৃতিক সহনশীলতা ও সম্প্রীতি বিঘ্নিত করার যেকোনো প্রচেষ্টাকে কোনো বৈষম্য ছাড়াই কঠোরভাবে মোকাবিলা করা হবে।

Tag :

মাজার-ধর্মীয় স্থাপনা রক্ষার নির্দেশ, কঠোর হচ্ছে সরকার

Update Time : ০৯:৫৪:১৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪

দেশের বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত সুফি আশ্রম ও মাজারে হামলাকারীদের আইনের আওতায় আনতে কাজ করছে সরকার। পাশাপাশি তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কাজও চলছে। এ ছাড়া ধর্মীয় উপাসনালয় ও সাংস্কৃতিক স্থাপনাগুলো রক্ষায় পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

শনিবার প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে এক বিবৃতিতে বিষয়টি জানানো হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক স্থান এবং সুফি মাজারগুলোর বিরুদ্ধে যেকোনো বিদ্বেষমূলক বক্তব্য এবং এগুলোর ওপর হামলার বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে সরকার। এসব হামলায় জড়িত অসাধু শক্তিগুলোকে আইনের আওতায় আনতে এবং তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য কাজ করছে।

বাংলাদেশ হাজার বছর ধরে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি এবং সব বিশ্বাসের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের দেশ উল্লেখ করে বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আমরা দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলছি যে, আমরা সম্প্রীতির দেশ হিসেবেই থাকব এবং ধর্মীয় বা সাংস্কৃতিক সহনশীলতা ও সম্প্রীতি বিঘ্নিত করার যেকোনো প্রচেষ্টাকে কোনো বৈষম্য ছাড়াই কঠোরভাবে মোকাবিলা করা হবে।