বিরতির পর সমতায় ফেরার দারুণ সুযোগ পেয়েছিল অস্ট্রিয়া। তবে ৫৫ মিনিটে নেওয়া মার্সেল সাবিটজারের ফ্রি কিক বাঁ দিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে সেভ দেন আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজ।
৭৩ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করার সুযোগ পেয়েছিলেন নিকো গঞ্জালেস। তবে মেসির নেওয়া কর্নারে হেড নিলেও অল্পের জন্য গোলপোস্টের বাইরে দিয়ে যায়। ৮৬ মিনিটে আরেকটি সুযোগ মিস করেন আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডার। বাঁ প্রান্ত দিয়ে বক্সের মধ্যে প্রবেশ করে প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারের শরীর বরাবর বল মারেন তিনি।
সতীর্থরা মিস করলেও যোগ করা সময়ে আরেকটি গোল ঠিকই আদায় করে নিলেন মেসি। তবে প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারের পায়ের ফাঁক দিয়ে দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ের আগে কিছুটা নাটকীয়তা ছিল গোলটিতে। যোগ করা সময়ের পঞ্চম মিনিটে হুলিয়ান আলভারেজকে দিয়ে গোল করাতে চেয়েছিলেন মেসি। মুখে তুলে দেওয়ার মতো এক পাস বাড়িয়েছিলেন তিনি।
কিন্তু গোলরক্ষককে একা পেয়েও গোল করতে ব্যর্থ হলেন আলভারেজ। ফিরতি সুযোগ পেয়ে অবশ্য দুর্দান্ত এক ফিনিশিংই দিলেন বিশ্বকাপে ১৮ গোলের মালিক মেসি। তারা জোড়া গোলের পরেই ম্যাচ শেষের বাঁশিও বাঁজান রেফারি।
অনলাইন ডেস্ক 


















