ঢাকা ০৩:২৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
কবে হতে পারে বৃষ্টি, জানাল আবহাওয়া অফিস ঢাকাসহ ৪১ জেলায় বইছে মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহ হাম উপসর্গে আরো ৭ প্রাণহানি, ৬০০ ছাড়াল মৃত্যু মার্কিন পঞ্চম নৌবহরের সদর দপ্তর ও বিমানঘাঁটিতে ইরানের হামলা ধেয়ে আসছে জলবায়ুর চরম রূপ ‘এল নিনো’ দেশে পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর ঘোষণা রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলা: আসামি সোহেল রানা আদালতে দায় স্বীকার করে ক্ষমা প্রার্থনা; স্ত্রীকে নির্দোষ দাবি বাংলাদেশসহ বিশ্বের ৬০টি দেশের ওপর অতিরিক্ত আমদানি শুল্ক আরোপের প্রস্তাব করেছে যুক্তরাষ্ট্র জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান আজকে কোন টিভি চ্যানেলে কোন খেলা

যেভাবে খোঁজা হচ্ছে ‘টাইটান’ সাবমেরিনটি

আটলান্টিক মহাসাগরে টাইটানিকের ধ্বংসাবশেষ দেখতে যাওয়া পাঁচ পর্যটককে জীবিত খুঁজে বের করতে সময় দ্রুতই ফুরে আসছে। আজ বিকালের মধ্যেই জাহাজে থাকা অক্সিজেন নিঃশেষ হয়ে যাবে। একটি ডুবোজাহাজে করে আটলান্টিক মহাসাগরের সাড়ে ১২ হাজার ফুট গভীরে টাইটানিক জাহাজের ধ্বংসাবশেষ দেখতে গিয়ে নিখোঁজ হয়েছেন ওই পাঁচ পর্যটক। ৮ দিনের এই ভ্রমণের জন্য আড়াই লাখ ডলার (প্রায় ২ কোটি ৭০ লাখ ৬০ হাজার টাকা) খরচ করতে হয়। খবর : বিবিসি

সাবমেরিনটির খোঁজে ব্যাপক তৎপরতা চালাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডার নৌবাহিনী এবং গভীর সাগরে কাজ করে এমন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলো। কীভাবে এই উদ্ধার তৎপরতা চালানো হচ্ছে তা জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্র কোস্ট গার্ডের রিয়ার অ্যাডমিরাল জন মাউগের।

এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, একটি সাবমেরিন এবং সনার যন্ত্র নিয়ে সাবমেরিনটি খোঁজা হচ্ছে। পানির নিচে ও উপরে দুইভাবে খোঁজা হচ্ছে। সাবমেরিনটি হয়তো কোথাও ভেসে উঠতে পারে, কিন্তু তাদের যোগাযোগ যন্ত্র নষ্ট হয়ে গেছে। সেজন্য বিমান দিয়ে সাগরের উপরে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। সেই সঙ্গে সনার যন্ত্র ব্যবহার করে পানির নিচেও তল্লাশি করা হচ্ছে।

মাউগের বলেন, ডুবোজাহাজটি পানির নিচে পাওয়া গেলে সেটিকে উদ্ধার করার জন্য নৌবাহিনীসহ তাদের আরো সহায়তা দরকার হবে।

তিনি জানান, উদ্ধারকারীরা এই অভিযানকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছেন এবং নিখোঁজ পর্যটকদের ‘নিরাপদে বাড়ি’ ফিরিয়ে আনতে সাধ্যের মধ্যে থাকা সবকিছুই করা হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের কোস্ট গার্ড জানিয়েছে, রবিবার সাগরে ডুব দেয়ার এক ঘণ্টা ৪৫ মিনিট পরে ছোট আকারের ওই ডুবোজাহাজটির সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পানির নিচে যাওয়ার সময় ডুবোজাহাজটিতে সাধারণত চারদিন চলার মতো জরুরি অক্সিজেন থাকে।

হারিয়ে যাওয়া ডুবোজাহাজটির নাম ‘টাইটান সাবমার্সিবল’। অনেকটা ট্রাক আকৃতির এই সাবমেরিনে পাঁচজন ব্যক্তি উঠতে পারেন।

পোলার প্রিন্স নামের একটি জাহাজে বহন করে সাবমার্সিবল বা ছোট ডুবোজাহাজটিকে টাইটানিকের ধ্বংসাবশেষের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর সেটি যাত্রীদের নিয়ে সাগরের গভীরে যায়। ডুবোজাহাজটি পানির নিচে যাওয়ার পৌনে দুই ঘণ্টা পরই পোলার প্রিন্সের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ওশেনগেটের ডুবোজাহাজটিতে চারদিনের অক্সিজেন মজুত থাকে। আর মাত্র ৩০ ঘণ্টার অক্সিজেন রয়েছে। টাইটান নিউফাউন্ডল্যান্ডের রাজধানী সেন্ট জনস থেকে প্রায় এক হাজার ৪৫০ কিলোমটিার পূর্ব এবং ৬৪৩ কিলোমিটার দক্ষিণে রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

Tag :

কবে হতে পারে বৃষ্টি, জানাল আবহাওয়া অফিস

যেভাবে খোঁজা হচ্ছে ‘টাইটান’ সাবমেরিনটি

Update Time : ১০:১৪:৩০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ জুন ২০২৩

আটলান্টিক মহাসাগরে টাইটানিকের ধ্বংসাবশেষ দেখতে যাওয়া পাঁচ পর্যটককে জীবিত খুঁজে বের করতে সময় দ্রুতই ফুরে আসছে। আজ বিকালের মধ্যেই জাহাজে থাকা অক্সিজেন নিঃশেষ হয়ে যাবে। একটি ডুবোজাহাজে করে আটলান্টিক মহাসাগরের সাড়ে ১২ হাজার ফুট গভীরে টাইটানিক জাহাজের ধ্বংসাবশেষ দেখতে গিয়ে নিখোঁজ হয়েছেন ওই পাঁচ পর্যটক। ৮ দিনের এই ভ্রমণের জন্য আড়াই লাখ ডলার (প্রায় ২ কোটি ৭০ লাখ ৬০ হাজার টাকা) খরচ করতে হয়। খবর : বিবিসি

সাবমেরিনটির খোঁজে ব্যাপক তৎপরতা চালাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডার নৌবাহিনী এবং গভীর সাগরে কাজ করে এমন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলো। কীভাবে এই উদ্ধার তৎপরতা চালানো হচ্ছে তা জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্র কোস্ট গার্ডের রিয়ার অ্যাডমিরাল জন মাউগের।

এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, একটি সাবমেরিন এবং সনার যন্ত্র নিয়ে সাবমেরিনটি খোঁজা হচ্ছে। পানির নিচে ও উপরে দুইভাবে খোঁজা হচ্ছে। সাবমেরিনটি হয়তো কোথাও ভেসে উঠতে পারে, কিন্তু তাদের যোগাযোগ যন্ত্র নষ্ট হয়ে গেছে। সেজন্য বিমান দিয়ে সাগরের উপরে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। সেই সঙ্গে সনার যন্ত্র ব্যবহার করে পানির নিচেও তল্লাশি করা হচ্ছে।

মাউগের বলেন, ডুবোজাহাজটি পানির নিচে পাওয়া গেলে সেটিকে উদ্ধার করার জন্য নৌবাহিনীসহ তাদের আরো সহায়তা দরকার হবে।

তিনি জানান, উদ্ধারকারীরা এই অভিযানকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছেন এবং নিখোঁজ পর্যটকদের ‘নিরাপদে বাড়ি’ ফিরিয়ে আনতে সাধ্যের মধ্যে থাকা সবকিছুই করা হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের কোস্ট গার্ড জানিয়েছে, রবিবার সাগরে ডুব দেয়ার এক ঘণ্টা ৪৫ মিনিট পরে ছোট আকারের ওই ডুবোজাহাজটির সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পানির নিচে যাওয়ার সময় ডুবোজাহাজটিতে সাধারণত চারদিন চলার মতো জরুরি অক্সিজেন থাকে।

হারিয়ে যাওয়া ডুবোজাহাজটির নাম ‘টাইটান সাবমার্সিবল’। অনেকটা ট্রাক আকৃতির এই সাবমেরিনে পাঁচজন ব্যক্তি উঠতে পারেন।

পোলার প্রিন্স নামের একটি জাহাজে বহন করে সাবমার্সিবল বা ছোট ডুবোজাহাজটিকে টাইটানিকের ধ্বংসাবশেষের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর সেটি যাত্রীদের নিয়ে সাগরের গভীরে যায়। ডুবোজাহাজটি পানির নিচে যাওয়ার পৌনে দুই ঘণ্টা পরই পোলার প্রিন্সের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ওশেনগেটের ডুবোজাহাজটিতে চারদিনের অক্সিজেন মজুত থাকে। আর মাত্র ৩০ ঘণ্টার অক্সিজেন রয়েছে। টাইটান নিউফাউন্ডল্যান্ডের রাজধানী সেন্ট জনস থেকে প্রায় এক হাজার ৪৫০ কিলোমটিার পূর্ব এবং ৬৪৩ কিলোমিটার দক্ষিণে রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।