ঢাকা ০২:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
রবীন্দ্রপ্রয়াণ ৮৫ বছর: এই দিনেই কলকাতার জোড়াসাঁকোর পৈতৃক বাড়িতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন আজ থেকেজনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত হলো জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর, যেভাবে পাবেন টিকিট দেশের বাজারে বড় ব্যবধানে বেড়েছে স্বর্ণের দাম আজকে কোন টিভি চ্যানেলে কোন খেলা আজকের নামাজের সময়সূচি: ৬ আগস্ট ২০২৬ শেখ হাসিনাকে গণমাধ্যমে কথা বলার সুযোগ দেয়ায় বাংলাদেশ তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ মাগুরায় ক্রিকেটার সাকিব আল হাসানের বাড়িতে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা দেশের বর্তমান পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে আরেকটি বিপ্লব আসন্ন, প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান শেষ মুহুর্তে শেখ হাসিনার সাথে যা ঘটেছিল! আলোচনা ব্যর্থ হলে ইরানকে ‘খুব কঠোরভাবে আঘাত’ করা হবে: ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি

রবীন্দ্রপ্রয়াণ ৮৫ বছর: এই দিনেই কলকাতার জোড়াসাঁকোর পৈতৃক বাড়িতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন

  • অনলাইন ডেস্ক
  • Update Time : ০৬:১৪:৩০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬
  • ৬ Time View

বর্ষা মানেই মেঘ-বৃষ্টি আর স্নিগ্ধ প্রকৃতি। বর্ষা ছিল তার প্রিয় ঋতু। শ্রাবণের এমন দিনে প্রকৃতির এই রূপের সাথে অবধারিতভাবেই মনে পড়ে রবীন্দ্রনাথকে। ঝরো ঝরো মুখর বাদর দিনে কিছুতেই যেন মন লাগে না তারে ছাড়া।

বর্ষা রবীন্দ্রনাথের কাছে কেবল একটি ঋতু নয়। বৃষ্টি কখনও তার গানে প্রেমের, কখনও বিরহের, কখনও অপেক্ষার, কখনও অজানাকে কাছে পাওয়ার আকাঙ্ক্ষার প্রতীক। বর্ষার প্রকৃতি আর মানুষের মনের আবেগকে এক সুতোয় বেঁধেছেন তিনি। বৃষ্টির শব্দে, মেঘের ডাকে, কদমের গন্ধে আজও ফিরে আসে তার সৃষ্টিরা।

১৯৪১ সালের ৭ আগস্ট—১৩৪৮ বঙ্গাব্দের ২২ শ্রাবণ। এই দিনেই কলকাতার জোড়াসাঁকোর পৈতৃক বাড়িতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

শ্রাবণের সেই দিন পেরিয়ে গেছে ৮৫ বছর। কিন্তু বৃষ্টি এলেই যেন সময় থমকে দাঁড়ায়। জানালায় বৃষ্টির ফোঁটা পড়লে, মেঘ ডাকলে, ভেজা বাতাসে কদমের গন্ধ এলে, কোথাও না কোথাও বেজে ওঠে রবীন্দ্রসংগীত। বাঙালির বর্ষার সঙ্গে যেন মিশে আছে রবীন্দ্রনাথের গান।

তিনি নেই কিন্তু তার গান আছে, তার কবিতা আছে। আছে বাঙালির অনুভূতির সঙ্গে মিশে থাকা এক অনন্ত রবীন্দ্রনাথ। তাই শ্রাবণ বাঙালির কাছে শুধু একটি মাস নয়, এ যেন প্রকৃতির ইন্ধনে বিষাদী সুরে স্মৃতির জাগরণ।

মেঘ-বৃষ্টির ঘনঘটায় পুনর্জন্ম ঘটে প্রকৃতি আর প্রাণের। সেই ছন্দোবন্ধ উল্লাসে ফিরে ফিরে আসে বিশ্বকবির সৃষ্টিসুধা—বাঙালির সুরসারথি রবীন্দ্রনাথ। প্রেমে, বিচ্ছেদে, প্রকৃতিতে, একাকিত্বে, আনন্দে কিংবা মুক্তির আকাঙ্ক্ষায়— একেক সত্তার আবিষ্কারে রবীন্দ্রনাথ একেক রকম।

রবীন্দ্রনাথের প্রয়াণবার্ষিকী উপলক্ষে আজ সন্ধ্যা ৭টায় রাজধানীর ছায়ানট মিলনায়তনে গীতিনাট্য ‘শ্যামা’ মঞ্চস্থ করবে ছায়ানট। অনুষ্ঠানটি সবার জন্য উন্মুক্ত।

Tag :

রবীন্দ্রপ্রয়াণ ৮৫ বছর: এই দিনেই কলকাতার জোড়াসাঁকোর পৈতৃক বাড়িতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন

রবীন্দ্রপ্রয়াণ ৮৫ বছর: এই দিনেই কলকাতার জোড়াসাঁকোর পৈতৃক বাড়িতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন

Update Time : ০৬:১৪:৩০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬

বর্ষা মানেই মেঘ-বৃষ্টি আর স্নিগ্ধ প্রকৃতি। বর্ষা ছিল তার প্রিয় ঋতু। শ্রাবণের এমন দিনে প্রকৃতির এই রূপের সাথে অবধারিতভাবেই মনে পড়ে রবীন্দ্রনাথকে। ঝরো ঝরো মুখর বাদর দিনে কিছুতেই যেন মন লাগে না তারে ছাড়া।

বর্ষা রবীন্দ্রনাথের কাছে কেবল একটি ঋতু নয়। বৃষ্টি কখনও তার গানে প্রেমের, কখনও বিরহের, কখনও অপেক্ষার, কখনও অজানাকে কাছে পাওয়ার আকাঙ্ক্ষার প্রতীক। বর্ষার প্রকৃতি আর মানুষের মনের আবেগকে এক সুতোয় বেঁধেছেন তিনি। বৃষ্টির শব্দে, মেঘের ডাকে, কদমের গন্ধে আজও ফিরে আসে তার সৃষ্টিরা।

১৯৪১ সালের ৭ আগস্ট—১৩৪৮ বঙ্গাব্দের ২২ শ্রাবণ। এই দিনেই কলকাতার জোড়াসাঁকোর পৈতৃক বাড়িতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

শ্রাবণের সেই দিন পেরিয়ে গেছে ৮৫ বছর। কিন্তু বৃষ্টি এলেই যেন সময় থমকে দাঁড়ায়। জানালায় বৃষ্টির ফোঁটা পড়লে, মেঘ ডাকলে, ভেজা বাতাসে কদমের গন্ধ এলে, কোথাও না কোথাও বেজে ওঠে রবীন্দ্রসংগীত। বাঙালির বর্ষার সঙ্গে যেন মিশে আছে রবীন্দ্রনাথের গান।

তিনি নেই কিন্তু তার গান আছে, তার কবিতা আছে। আছে বাঙালির অনুভূতির সঙ্গে মিশে থাকা এক অনন্ত রবীন্দ্রনাথ। তাই শ্রাবণ বাঙালির কাছে শুধু একটি মাস নয়, এ যেন প্রকৃতির ইন্ধনে বিষাদী সুরে স্মৃতির জাগরণ।

মেঘ-বৃষ্টির ঘনঘটায় পুনর্জন্ম ঘটে প্রকৃতি আর প্রাণের। সেই ছন্দোবন্ধ উল্লাসে ফিরে ফিরে আসে বিশ্বকবির সৃষ্টিসুধা—বাঙালির সুরসারথি রবীন্দ্রনাথ। প্রেমে, বিচ্ছেদে, প্রকৃতিতে, একাকিত্বে, আনন্দে কিংবা মুক্তির আকাঙ্ক্ষায়— একেক সত্তার আবিষ্কারে রবীন্দ্রনাথ একেক রকম।

রবীন্দ্রনাথের প্রয়াণবার্ষিকী উপলক্ষে আজ সন্ধ্যা ৭টায় রাজধানীর ছায়ানট মিলনায়তনে গীতিনাট্য ‘শ্যামা’ মঞ্চস্থ করবে ছায়ানট। অনুষ্ঠানটি সবার জন্য উন্মুক্ত।