ঢাকা ০৬:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
দান করার পরও আজীবন বাবা-মায়ের ভোগদখল করার অধিকার দিয়ে ‘সম্পত্তি হস্তান্তর বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে পাস ইরানে আক্রমণ হলে হামলা তীব্রতর হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান আজকে কোন টিভি চ্যানেলে কোন খেলা আজকের নামাজের সময়সূচি: ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ আজকের নামাজের সময়সূচি: ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষের অধিকার আদায়ে ১১ দল আজ রাজপথে নেমেছে: ডা. শফিকুর রহমান ইরানের সুরক্ষিত ভূগর্ভস্থ পারমাণবিক স্থাপনা ‘পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন’-এ আঘাত হানবে মার্কিন বাহিনী: ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে ডিজেলের দাম সর্বকালের সর্বোচ্চ আজকে কোন টিভি চ্যানেলে কোন খেলা আজকের নামাজের সময়সূচি: ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রাজধানীতে ছোট ও মাঝারি আকারের গরুর সংকট দেখা দিয়েছে, বড় গরুর অভাব নেই

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে রাজধানীর দুই সিটি করপোরেশনের স্থায়ী-অস্থায়ী হাটে ছোট ও মাঝারি আকারের গরুর সংকট দেখা দিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ক্রেতারা অভিযোগ করছেন, সিন্ডিকেট করে দাম বাড়ানোর জন্যই বাজারে বড় গরুর পরিমাণ বেশি। তবে বেপারিরা বলছেন, ছোট-মাঝারি গরু না থাকলেও বড় গরুর অভাব নেই।

ক্রেতারা বলছেন, কৃত্রিম সংকট করে গরু বেশি দামে বিক্রির চেষ্টা করছেন বিক্রেতারা। বাজার ফাঁকা করে বেশি দামে গরু বিক্রি করে অতিরিক্ত লাভের আশা করছেন বেপারিরা।

হাটে পশুর সংকট ও বাড়তি দামের কথা স্বীকার করেছেন অনেক বেপারিই। আবার অনেকেই শেষের অনিশ্চয়তায় লোকসানের ভয়ে আগেভাগেই পশু বিক্রি করে দেয়ার কথাও জানিয়েছেন।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, হাটগুলোতে ছোট ও মাঝারি আকারের গরুর সংকট থাকলেও বড় গরুর অভাব নেই। বেপারিরা বলছেন, দাম করলেও এসব গরুতে ক্রেতাদের আগ্রহ কম।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, দেশে কোরবানিযোগ্য পশু আছে ১ কোটি ২৯ লাখ ৮০ হাজার ৩৬৭টি। এর আগে কখনো দেশীয় উৎস থেকে এতসংখ্যক কোরবানিযোগ্য পশুর জোগান ছিল না।

Tag :

দান করার পরও আজীবন বাবা-মায়ের ভোগদখল করার অধিকার দিয়ে ‘সম্পত্তি হস্তান্তর বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে পাস

রাজধানীতে ছোট ও মাঝারি আকারের গরুর সংকট দেখা দিয়েছে, বড় গরুর অভাব নেই

Update Time : ০৩:২০:২৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ জুন ২০২৪

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে রাজধানীর দুই সিটি করপোরেশনের স্থায়ী-অস্থায়ী হাটে ছোট ও মাঝারি আকারের গরুর সংকট দেখা দিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ক্রেতারা অভিযোগ করছেন, সিন্ডিকেট করে দাম বাড়ানোর জন্যই বাজারে বড় গরুর পরিমাণ বেশি। তবে বেপারিরা বলছেন, ছোট-মাঝারি গরু না থাকলেও বড় গরুর অভাব নেই।

ক্রেতারা বলছেন, কৃত্রিম সংকট করে গরু বেশি দামে বিক্রির চেষ্টা করছেন বিক্রেতারা। বাজার ফাঁকা করে বেশি দামে গরু বিক্রি করে অতিরিক্ত লাভের আশা করছেন বেপারিরা।

হাটে পশুর সংকট ও বাড়তি দামের কথা স্বীকার করেছেন অনেক বেপারিই। আবার অনেকেই শেষের অনিশ্চয়তায় লোকসানের ভয়ে আগেভাগেই পশু বিক্রি করে দেয়ার কথাও জানিয়েছেন।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, হাটগুলোতে ছোট ও মাঝারি আকারের গরুর সংকট থাকলেও বড় গরুর অভাব নেই। বেপারিরা বলছেন, দাম করলেও এসব গরুতে ক্রেতাদের আগ্রহ কম।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, দেশে কোরবানিযোগ্য পশু আছে ১ কোটি ২৯ লাখ ৮০ হাজার ৩৬৭টি। এর আগে কখনো দেশীয় উৎস থেকে এতসংখ্যক কোরবানিযোগ্য পশুর জোগান ছিল না।