ঢাকা ০৪:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘ মহাসচিবের প্রাতরাশে তারেক রহমান ও জুবাইদা রহমান ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ নিয়ে নতুন বার্তা, কবে কোথায় আঘাত হানতে পারে আঘাত? সৌদির ইস্ট-ওয়েস্ট তেল পাইপলাইন চালু, বিশ্ববাজারে কমলো দাম সেপ্টেম্বরের প্রথম ২১ দিনে দেশে ২.০৬ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স পাঠালেন প্রবাসীরা ফরিদপুরের সালথায় ‎বিএনপি কর্মী হত্যা : জামিনে এসে বাদী ও স্বাক্ষীদের হুমকি, বিচারের দাবিতে তিন মাসের সন্তান কোলে নিয়ে আদালতে চত্বরে নিহতের স্ত্রী জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির পর বাড়ল বাসভাড়া নিউইয়র্কে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের দল ইউনাইটেড রাশিয়া রেকর্ড সংখ্যক আসন পেয়েছে আজকে কোন টিভি চ্যানেলে কোন খেলা

রাশিয়া ও চীন ২০৩৩ থেকে ২০৩৫ সালের মধ্যে চাঁদে একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের কথা ভাবেছ

রাশিয়া ও চীন ২০৩৩ থেকে ২০৩৫ সালের মধ্যে চাঁদে একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের কথা ভাবেছ বলে জানিয়েছেন রাশিয়ার মহাকাশ সংস্থা রসকসমসের প্রধান ইউরি বরিসোভ। এটি একদিন চাঁদে বসতি নির্মাণের সুযোগ করে দিতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
মঙ্গলবার (৬ মার্চ) রাশিয়ার সাবেক উপ-প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী বরিসোভ জানান, রাশিয়া ও চীন একটি চন্দ্র কর্মসূচী নিয়ে যৌথভাবে কাজ করছে আর এক্ষেত্রে মস্কো তার ‘পারমাণবিক মহাকাশ শক্তি’ বিষয়ক অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে পেরেছে।
তিনি বলেন, ‍‍‍‘আজ আমরা গুরুত্ব দিয়ে একটি প্রকল্পের কথা বিবেচনা করছি, আমাদের চীনা সহকর্মীদের সঙ্গে মিলে চাঁদের পিঠে একটি বিদ্যুৎ ইউনিট সরবরাহ ও স্থাপনের কথা- যা ২০৩৩-২০৩৫ সালের দিকে হতে পারে।’
তিনি জানান, সৌর প্যানেলগুলো ভবিষ্যতে চন্দ্র বসতিগুলোকে শক্তি যোগানোর মতো পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে পারবে না, কিন্তু পারমাণবিক শক্তি পারবে।
সম্ভাব্য এই পরিকল্পনা বিষয়ে বরিসোভ বলেন, ‘এটি খুব গুরুতর একটি চ্যালেঞ্জ, মানুষের অনুপস্থিতিতে স্বয়ংক্রিয় প্রণালীতেই এটি করতে হবে।’
তিনি রাশিয়ার পারমাণবিক শক্তিচালিত একটি মহাকাশযান তৈরির পরিকল্পনা নিয়েও কথা বলেন। তিনি জানান, এই প্রকল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব প্রযুক্তিগত প্রশ্নের সমাধান করা হলেও একটি চ্যালঞ্জ এখনও রয়ে গেছে, সেটি হল কীভাবে পারমাণবিক চুল্লিটিকে শীতল করা হবে।
‘আসলে আমরা একটি মহাকাশ টাগবোট নিয়ে কাজ করছি। একটি পারমাণবিক চুল্লি ও উচ্চ শক্তির টারবাইন চালিত এই বিশাল, দৈত্যাকৃতি কাঠামোটিকে এক কক্ষপথ থেকে অন্য কক্ষপথে বিপুল পরিমাণ মালামাল পরিবহন করা, মহাশূন্যে ভাসমান ধ্বংসাবশেষ সংগ্রহ করা ও অন্য আরও অনেক কাজে লাগানো যাবে’- বলেছেন তিনি।
রয়টার্স বলছে, রাশিয়ার কর্মকর্তারা এর আগেও চাঁদে খনিজ অনুসন্ধানসহ বিভিন্ন উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলেছিলেন, কিন্তু গত কয়েক বছরে রাশিয়ার মহাকাশ কর্মসূচী ধারাবাহিকভাবে বিপর্যয়ের শিকার হয়েছে। গত বছর ৪৭ বছরের মধ্যে তাদের প্রথম চন্দ্রাভিযান লুনা-২৫ মহাকাশযান নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বিধ্বস্ত হওয়ার পর ব্যর্থ হয়।
মস্কো জানিয়েছে, তারা চাঁদে আরও অভিযান চালাবে এবং তখন রাশিয়া-চীন যৌথ মানুষ্য মিশনের সম্ভাবনা আর এমনকী চাঁদে ঘাঁটি করার বিষয়টিও খতিয়ে দেখবে।
গত মাসে চীন জানিয়েছিল, তারা ২০৩০ সালের আগেই চাঁদে প্রথম চীনা মহাকাশচারী পাঠানোর লক্ষ্য নিয়েছে।
Tag :

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

রাশিয়া ও চীন ২০৩৩ থেকে ২০৩৫ সালের মধ্যে চাঁদে একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের কথা ভাবেছ

Update Time : ০৫:১৭:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মার্চ ২০২৪
রাশিয়া ও চীন ২০৩৩ থেকে ২০৩৫ সালের মধ্যে চাঁদে একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের কথা ভাবেছ বলে জানিয়েছেন রাশিয়ার মহাকাশ সংস্থা রসকসমসের প্রধান ইউরি বরিসোভ। এটি একদিন চাঁদে বসতি নির্মাণের সুযোগ করে দিতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
মঙ্গলবার (৬ মার্চ) রাশিয়ার সাবেক উপ-প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী বরিসোভ জানান, রাশিয়া ও চীন একটি চন্দ্র কর্মসূচী নিয়ে যৌথভাবে কাজ করছে আর এক্ষেত্রে মস্কো তার ‘পারমাণবিক মহাকাশ শক্তি’ বিষয়ক অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে পেরেছে।
তিনি বলেন, ‍‍‍‘আজ আমরা গুরুত্ব দিয়ে একটি প্রকল্পের কথা বিবেচনা করছি, আমাদের চীনা সহকর্মীদের সঙ্গে মিলে চাঁদের পিঠে একটি বিদ্যুৎ ইউনিট সরবরাহ ও স্থাপনের কথা- যা ২০৩৩-২০৩৫ সালের দিকে হতে পারে।’
তিনি জানান, সৌর প্যানেলগুলো ভবিষ্যতে চন্দ্র বসতিগুলোকে শক্তি যোগানোর মতো পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে পারবে না, কিন্তু পারমাণবিক শক্তি পারবে।
সম্ভাব্য এই পরিকল্পনা বিষয়ে বরিসোভ বলেন, ‘এটি খুব গুরুতর একটি চ্যালেঞ্জ, মানুষের অনুপস্থিতিতে স্বয়ংক্রিয় প্রণালীতেই এটি করতে হবে।’
তিনি রাশিয়ার পারমাণবিক শক্তিচালিত একটি মহাকাশযান তৈরির পরিকল্পনা নিয়েও কথা বলেন। তিনি জানান, এই প্রকল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব প্রযুক্তিগত প্রশ্নের সমাধান করা হলেও একটি চ্যালঞ্জ এখনও রয়ে গেছে, সেটি হল কীভাবে পারমাণবিক চুল্লিটিকে শীতল করা হবে।
‘আসলে আমরা একটি মহাকাশ টাগবোট নিয়ে কাজ করছি। একটি পারমাণবিক চুল্লি ও উচ্চ শক্তির টারবাইন চালিত এই বিশাল, দৈত্যাকৃতি কাঠামোটিকে এক কক্ষপথ থেকে অন্য কক্ষপথে বিপুল পরিমাণ মালামাল পরিবহন করা, মহাশূন্যে ভাসমান ধ্বংসাবশেষ সংগ্রহ করা ও অন্য আরও অনেক কাজে লাগানো যাবে’- বলেছেন তিনি।
রয়টার্স বলছে, রাশিয়ার কর্মকর্তারা এর আগেও চাঁদে খনিজ অনুসন্ধানসহ বিভিন্ন উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলেছিলেন, কিন্তু গত কয়েক বছরে রাশিয়ার মহাকাশ কর্মসূচী ধারাবাহিকভাবে বিপর্যয়ের শিকার হয়েছে। গত বছর ৪৭ বছরের মধ্যে তাদের প্রথম চন্দ্রাভিযান লুনা-২৫ মহাকাশযান নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বিধ্বস্ত হওয়ার পর ব্যর্থ হয়।
মস্কো জানিয়েছে, তারা চাঁদে আরও অভিযান চালাবে এবং তখন রাশিয়া-চীন যৌথ মানুষ্য মিশনের সম্ভাবনা আর এমনকী চাঁদে ঘাঁটি করার বিষয়টিও খতিয়ে দেখবে।
গত মাসে চীন জানিয়েছিল, তারা ২০৩০ সালের আগেই চাঁদে প্রথম চীনা মহাকাশচারী পাঠানোর লক্ষ্য নিয়েছে।