ঢাকা ০৩:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
আলোচনা ব্যর্থ হলে ইরানকে ‘খুব কঠোরভাবে আঘাত’ করা হবে: ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি আজকে কোন টিভি চ্যানেলে কোন খেলা শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার করলে ব্যবস্থা নেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা দিল্লিতে শেখ হাসিনার অনুষ্ঠানের সঙ্গে ভারত সরকারের কোনো সম্পৃক্ততা নেই জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ উদ্বোধনের পর ঘুরে ঘুরে দেখছেন প্রধানমন্ত্রী জুলাই স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী আজ ঐতিহাসিক ৫ আগস্ট, জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস আজকের নামাজের সময়সূচি: ৫ আগস্ট ২০২৬ স্কুলে ভর্তিতে লটারি ব্যবস্থা বহাল রাখার আভাস দিয়েছেন শিক্ষা মন্ত্রণালয় হরমুজে জাহাজে হামলা, জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে নতুন উদ্বেগ

লকডাউনের ষষ্ঠ দিনে সড়কে বেড়েছে গাড়ি, কোথাও কোথাও যানজট

ছবি: সংগৃহীত (দৈনিক ইনকিলাব)

সরকার ঘোষিত ৭ দিনব্যাপী কঠোর বিধিনিষেধের ৬ষ্ঠ দিন আজ মঙ্গলবার। গত পাঁচ দিনের তুলনায় আজ মঙ্গলবার ঢাকার সড়কে কর্মজীবী মানুষের সংখ্যা কিছুটা বেশি দেখা গেছে। ট্রাফিক সিগন্যালগুলোতে যানজটও লক্ষ্য করা গেছে।

সকালে যাত্রাবাড়ী এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, রিকশা আর ভ্যানে করে মানুষ নিজের গন্তব্যে যাচ্ছে। তাদের মধ্যে অনেকেই ছিলেন বিভিন্ন ব্যাংক কর্মকর্তা ও কর্মচারী। লকডাউনের শর্ত অনুযায়ী এসব কর্মীদের জন্য প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব যানবাহনের ব্যবস্থা করার কথা থাকলেও কেউ তা করেনি। ফলে রিকশা বা হেঁটেই তারা গন্তব্যে যাচ্ছেন।

একই চিত্র বাসাবো ও মানিকনগর এলাকার। এখানকার অধিকাংশ কর্মজীবী মানুষ মতিঝিলের বিভিন্ন অফিস চাকরি করেন। এসব এলাকায় রিকশা ও ভ্যানের পাশাপাশি ব্যক্তিগত গাড়িও দেখা গেছে।

সকাল থেকে নগরীর ফকিরাপুল, রাজারবাগ, মালিবাগ চৌধুরী পাড়া, বাড্ডা, দৈনিক বাংলা, বাংলা মোটর, কারওয়ান বাজার, মগবাজার, ধানমন্ডি, গুলশানসহ বিভিন্ন এলাকাতেও এমন চিত্র দেখা গেছে।

এছাড়া রাজধানীতে আজ বৃষ্টিপাত কম হওয়ায় মানুষ আরও বেশি বের হচ্ছে।

স্বাস্থ্যবিধি মানাতে বিভিন্ন এলাকায় পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর তৎপরতা থাকলেও অলিগলিতে সেলুন, মোবাইল এক্সেসরিজ, পোশাকসহ বিভিন্ন সামগ্রীর দোকান খোলা শুরু হয়েছে, বিধিনিষেধে যেগুলো বন্ধ থাকার কথা।

ডিএমপি ট্রাফিকের মতিঝিল জোনের সহকারী কমিশনার এস এম বজলুর রশিদ বলেন, যেহেতু এই এলাকায় ব্যাংক-বিমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে, অফিস সময়ের শুরুতে সকালের দিকে এই এলাকায় গাড়ির অল্প চাপ ছিল। তবে এখন আর তেমন চাপ নেই। আমরা চেক করছি, যৌক্তিক কারণ ছাড়া বের হলে চালক ও গাড়ির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

লকডাউনের শুরুতে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া অযৌক্তিক কারণে বাইরে বের হওয়ায় রাজধানীতে প্রথম দিন ৫৫০ এবং দ্বিতীয় দিন ৩২০, তৃতীয় দিন ৬২১, এবং চতুর্থ দিনে ৬১৮, ও পঞ্চম দিনে ৫০৯ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

কোভিড-১৯ এর বিস্তার রোধকল্পে গত ১ জুলাই সকাল ৬টা থেকে ৭ জুলাই মধ্যরাত পর্যন্ত চলাচলে বিধি-নিষেধ আরোপ করা হয়। সোমবার পুনরায় আগামি ১৪ জুলাই পর্যন্ত কঠোর বিধি-নিষেধ আরোপ করে নতুন করে প্রজ্ঞাপণ জারি করেছে সরকার।

Tag :

আলোচনা ব্যর্থ হলে ইরানকে ‘খুব কঠোরভাবে আঘাত’ করা হবে: ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি

লকডাউনের ষষ্ঠ দিনে সড়কে বেড়েছে গাড়ি, কোথাও কোথাও যানজট

Update Time : ০৪:১৮:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জুলাই ২০২১
সরকার ঘোষিত ৭ দিনব্যাপী কঠোর বিধিনিষেধের ৬ষ্ঠ দিন আজ মঙ্গলবার। গত পাঁচ দিনের তুলনায় আজ মঙ্গলবার ঢাকার সড়কে কর্মজীবী মানুষের সংখ্যা কিছুটা বেশি দেখা গেছে। ট্রাফিক সিগন্যালগুলোতে যানজটও লক্ষ্য করা গেছে।

সকালে যাত্রাবাড়ী এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, রিকশা আর ভ্যানে করে মানুষ নিজের গন্তব্যে যাচ্ছে। তাদের মধ্যে অনেকেই ছিলেন বিভিন্ন ব্যাংক কর্মকর্তা ও কর্মচারী। লকডাউনের শর্ত অনুযায়ী এসব কর্মীদের জন্য প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব যানবাহনের ব্যবস্থা করার কথা থাকলেও কেউ তা করেনি। ফলে রিকশা বা হেঁটেই তারা গন্তব্যে যাচ্ছেন।

একই চিত্র বাসাবো ও মানিকনগর এলাকার। এখানকার অধিকাংশ কর্মজীবী মানুষ মতিঝিলের বিভিন্ন অফিস চাকরি করেন। এসব এলাকায় রিকশা ও ভ্যানের পাশাপাশি ব্যক্তিগত গাড়িও দেখা গেছে।

সকাল থেকে নগরীর ফকিরাপুল, রাজারবাগ, মালিবাগ চৌধুরী পাড়া, বাড্ডা, দৈনিক বাংলা, বাংলা মোটর, কারওয়ান বাজার, মগবাজার, ধানমন্ডি, গুলশানসহ বিভিন্ন এলাকাতেও এমন চিত্র দেখা গেছে।

এছাড়া রাজধানীতে আজ বৃষ্টিপাত কম হওয়ায় মানুষ আরও বেশি বের হচ্ছে।

স্বাস্থ্যবিধি মানাতে বিভিন্ন এলাকায় পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর তৎপরতা থাকলেও অলিগলিতে সেলুন, মোবাইল এক্সেসরিজ, পোশাকসহ বিভিন্ন সামগ্রীর দোকান খোলা শুরু হয়েছে, বিধিনিষেধে যেগুলো বন্ধ থাকার কথা।

ডিএমপি ট্রাফিকের মতিঝিল জোনের সহকারী কমিশনার এস এম বজলুর রশিদ বলেন, যেহেতু এই এলাকায় ব্যাংক-বিমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে, অফিস সময়ের শুরুতে সকালের দিকে এই এলাকায় গাড়ির অল্প চাপ ছিল। তবে এখন আর তেমন চাপ নেই। আমরা চেক করছি, যৌক্তিক কারণ ছাড়া বের হলে চালক ও গাড়ির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

লকডাউনের শুরুতে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া অযৌক্তিক কারণে বাইরে বের হওয়ায় রাজধানীতে প্রথম দিন ৫৫০ এবং দ্বিতীয় দিন ৩২০, তৃতীয় দিন ৬২১, এবং চতুর্থ দিনে ৬১৮, ও পঞ্চম দিনে ৫০৯ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

কোভিড-১৯ এর বিস্তার রোধকল্পে গত ১ জুলাই সকাল ৬টা থেকে ৭ জুলাই মধ্যরাত পর্যন্ত চলাচলে বিধি-নিষেধ আরোপ করা হয়। সোমবার পুনরায় আগামি ১৪ জুলাই পর্যন্ত কঠোর বিধি-নিষেধ আরোপ করে নতুন করে প্রজ্ঞাপণ জারি করেছে সরকার।