ঢাকা ১১:২৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শত বছরের মধ্যে বিশ্বের সবচেয়ে উষ্ণতম মাস হতে পারে চলতি জুলাই মাস

  • অনলাইন ডেস্ক
  • Update Time : ১১:১৯:৪০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ জুলাই ২০২৩
  • ২০৫ Time View

হাজার বছর না হলেও শত শত বছরের মধ্যে বিশ্বের সবচেয়ে উষ্ণতম মাস হতে পারে চলতি জুলাই মাস। যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার বিশেষজ্ঞ গ্যাভিন শ্মিট এমন শঙ্কার কথা জানিয়েছে।

শুক্রবার আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের সঙ্গে নাসার ব্রিফিংয়ে গ্যাভিন শ্মিট বলেন, আমরা সারা বিশ্বে অভূতপূর্ব পরিবর্তন দেখতে পাচ্ছি। আমরা ইউরোপে, চীনে এবং যুক্তরাষ্ট্রে যে তাপপ্রবাহ দেখছি তা আসলে সব রেকর্ড ভেঙে ফেলছে। তাপপ্রবাহের এই প্রভাবগুলোর জন্য শুধুমাত্র এল নিনোর আবহাওয়ার ধরণকে দায়ী করা যায় না। মূলত এটি সত্যিই কেবলমাত্র আবির্ভূত হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান তাপপ্রবাহের পেছনে যদিও এল নিনো ছোট ভূমিকা পালন করছে, তারপরও আমরা যা দেখছি তা হলো- প্রায় সর্বত্রই সামগ্রিকভাবে উষ্ণতা বেড়েছে। বিশেষ করে মহাসাগরগুলোতে। আমরা অনেক মাস ধরে সমুদ্র পৃষ্ঠের রেকর্ড-ব্রেকিং তাপমাত্রা দেখছি। এমনকি সেটি গ্রীষ্মমন্ডলীয় অঞ্চলের বাইরেও।

বর্তমান আবহাওয়া পরিস্থিতি বিবেচনা করে শ্মিট বলেন, আশঙ্কা করা হচ্ছে, ২০২৩ সাল বিশ্বের সবচেয়ে উষ্ণতম বছর হবে। এই সুযোগ ৫০-৫০ রয়েছে। অন্যান্য বিজ্ঞানীরা এটিকে ৮০ শতাংশের বেশি রেখেছেন। আমরা আশঙ্কা করছি ২০২৪ আরও উষ্ণতম বছর হবে।

প্রসঙ্গত, ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) এবং মেইন ইউনিভার্সিটির পরিচালিত সরঞ্জামের হিসাব অনুসারে এরইমধ্যে গরম ও তাপপ্রবাহের দৈনিক রেকর্ডগুলো ভেঙে গেছে।

Tag :

শত বছরের মধ্যে বিশ্বের সবচেয়ে উষ্ণতম মাস হতে পারে চলতি জুলাই মাস

Update Time : ১১:১৯:৪০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ জুলাই ২০২৩

হাজার বছর না হলেও শত শত বছরের মধ্যে বিশ্বের সবচেয়ে উষ্ণতম মাস হতে পারে চলতি জুলাই মাস। যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার বিশেষজ্ঞ গ্যাভিন শ্মিট এমন শঙ্কার কথা জানিয়েছে।

শুক্রবার আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের সঙ্গে নাসার ব্রিফিংয়ে গ্যাভিন শ্মিট বলেন, আমরা সারা বিশ্বে অভূতপূর্ব পরিবর্তন দেখতে পাচ্ছি। আমরা ইউরোপে, চীনে এবং যুক্তরাষ্ট্রে যে তাপপ্রবাহ দেখছি তা আসলে সব রেকর্ড ভেঙে ফেলছে। তাপপ্রবাহের এই প্রভাবগুলোর জন্য শুধুমাত্র এল নিনোর আবহাওয়ার ধরণকে দায়ী করা যায় না। মূলত এটি সত্যিই কেবলমাত্র আবির্ভূত হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান তাপপ্রবাহের পেছনে যদিও এল নিনো ছোট ভূমিকা পালন করছে, তারপরও আমরা যা দেখছি তা হলো- প্রায় সর্বত্রই সামগ্রিকভাবে উষ্ণতা বেড়েছে। বিশেষ করে মহাসাগরগুলোতে। আমরা অনেক মাস ধরে সমুদ্র পৃষ্ঠের রেকর্ড-ব্রেকিং তাপমাত্রা দেখছি। এমনকি সেটি গ্রীষ্মমন্ডলীয় অঞ্চলের বাইরেও।

বর্তমান আবহাওয়া পরিস্থিতি বিবেচনা করে শ্মিট বলেন, আশঙ্কা করা হচ্ছে, ২০২৩ সাল বিশ্বের সবচেয়ে উষ্ণতম বছর হবে। এই সুযোগ ৫০-৫০ রয়েছে। অন্যান্য বিজ্ঞানীরা এটিকে ৮০ শতাংশের বেশি রেখেছেন। আমরা আশঙ্কা করছি ২০২৪ আরও উষ্ণতম বছর হবে।

প্রসঙ্গত, ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) এবং মেইন ইউনিভার্সিটির পরিচালিত সরঞ্জামের হিসাব অনুসারে এরইমধ্যে গরম ও তাপপ্রবাহের দৈনিক রেকর্ডগুলো ভেঙে গেছে।