ঢাকা ০১:২১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম

সরাইলে থানায় হামলা, সংঘর্ষের পর ২ লাশ উদ্ধার

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে আজ রোববার হেফাজতে ইসলামের হরতালকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের পর দুটি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। সরাইলে পুরো সড়ক–মহাসড়ক সকাল থেকেই হরতাল–সমর্থক হেফাজতের কর্মী ও তাঁদের অনুসারীদের নিয়ন্ত্রণে আছে। লাঠিসোঁটা হাতে তাঁরা অবস্থান নিয়ে আছেন।

নিহত দুজনের একজন হলেন সদর উপজেলার বুধল ইউনিয়নের খাটিহাতা গ্রামের হাদিস মিয়া ওরফে কালন মিয়া (২৩)। তাঁর বাবার নাম আলতাব আলী ওরফে আলতু মিয়া।

নিহত ব্যক্তির বড় ভাই মাওলানা আবদুর রহিম (৩৮) প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমার ভাই পুলিশের গুলিতে ঘটনাস্থলে নিহত হয়েছে। লাশ আমাদের বাড়িতে আছে।’

নিহত আরেকজন হলো উপজেলা সদরের কুট্টাপাড়া গ্রামের সুফি আলীর ছেলে আল আমীন (১২)। আহত অবস্থায় জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়ার আধা ঘণ্টা পর সে মারা যায়। কুট্টাপাড়া গ্রামের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য সাদেক মিয়া ও প্রতিবেশী স্কুলশিক্ষক আল এমরান এই খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা রানা নুরুশামস হাসপাতালে শিশু আল আমীনের মৃত্যুর খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেন।

একই হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক শওকত আলী দুজনের মৃত্যুর খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, তরুণের লাশ তাঁর স্বজনেরা নিয়ে গেছেন। আর হাসপাতালে শিশুটির মৃত্যু হয়।

সংঘর্ষের খবর জানালেও তাতে কারো মৃত্যুর বিষয়টি পুলিশ কিংবা প্রশাসন কেউ নিশ্চিত করতে পারেনি।

Tag :

৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে ড. ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণকে

সরাইলে থানায় হামলা, সংঘর্ষের পর ২ লাশ উদ্ধার

Update Time : ১০:১৫:২৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ মার্চ ২০২১

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে আজ রোববার হেফাজতে ইসলামের হরতালকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের পর দুটি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। সরাইলে পুরো সড়ক–মহাসড়ক সকাল থেকেই হরতাল–সমর্থক হেফাজতের কর্মী ও তাঁদের অনুসারীদের নিয়ন্ত্রণে আছে। লাঠিসোঁটা হাতে তাঁরা অবস্থান নিয়ে আছেন।

নিহত দুজনের একজন হলেন সদর উপজেলার বুধল ইউনিয়নের খাটিহাতা গ্রামের হাদিস মিয়া ওরফে কালন মিয়া (২৩)। তাঁর বাবার নাম আলতাব আলী ওরফে আলতু মিয়া।

নিহত ব্যক্তির বড় ভাই মাওলানা আবদুর রহিম (৩৮) প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমার ভাই পুলিশের গুলিতে ঘটনাস্থলে নিহত হয়েছে। লাশ আমাদের বাড়িতে আছে।’

নিহত আরেকজন হলো উপজেলা সদরের কুট্টাপাড়া গ্রামের সুফি আলীর ছেলে আল আমীন (১২)। আহত অবস্থায় জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়ার আধা ঘণ্টা পর সে মারা যায়। কুট্টাপাড়া গ্রামের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য সাদেক মিয়া ও প্রতিবেশী স্কুলশিক্ষক আল এমরান এই খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা রানা নুরুশামস হাসপাতালে শিশু আল আমীনের মৃত্যুর খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেন।

একই হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক শওকত আলী দুজনের মৃত্যুর খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, তরুণের লাশ তাঁর স্বজনেরা নিয়ে গেছেন। আর হাসপাতালে শিশুটির মৃত্যু হয়।

সংঘর্ষের খবর জানালেও তাতে কারো মৃত্যুর বিষয়টি পুলিশ কিংবা প্রশাসন কেউ নিশ্চিত করতে পারেনি।