ঢাকা ১০:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৯ ব্যাংকের পে–অর্ডার ও চেক নিষিদ্ধ চট্টগ্রাম বন্দরে

  • অনলাইন ডেস্ক
  • Update Time : ০২:৩০:৪৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৪
  • ১৮০ Time View

এস আলমের মালিকানাধীন ব্যাংকসহ বেসরকারি ৯টি ব্যাংকের পে–অর্ডার, চেক ও ব্যাংক গ্যারান্টি সেবা বন্ধের নির্দেশনা জারি করেছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ।

গত বৃহস্পতিবার বন্দরের সব বিভাগের কাছে এই চিঠি দেন সংস্থাটির প্রধান অর্থ ও হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবদুস শাকুর। এ নির্দেশনার ফলে বন্দর কর্তৃপক্ষকে কেউ এসব ব্যাংকের চেক বা পে-অর্ডার দিতে পারবেন না।

যে ৯টি ব্যাংকের সেবা বন্ধ করা হয়েছে, সেগুলো হলো গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, পদ্মা ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক ও আইসিবি ইসলামী ব্যাংক। এর মধ্যে প্রথম ছয়টি ব্যাংক ছিল চট্টগ্রামের এস আলমের মালিকানাধীন। সরকার পরিবর্তনের পর বাংলাদেশ ব্যাংক এসব ব্যাংকের পর্ষদ পুনর্গঠনের কাজ শুরু করেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকে থাকা এসব ব্যাংকের চলতি হিসাবে বড় ধরনের ঘাটতি রয়েছে। এ কারণে এসব ব্যাংকের চেকের লেনদেন নিষ্পত্তি হচ্ছে না। এ জন্য সতর্কতা হিসেবে এসব ব্যাংকের চেকগুলো না নেয়ার জন্য বন্দরের সব বিভাগকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

জানতে চাইলে বন্দরের সচিব মো: ওমর ফারুক বলেন, সাধারণত দরপত্র দাখিলের সময় অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে পে–অর্ডার নেয়া হয়। আবার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সাথে চুক্তির জন্য ব্যাংক গ্যারান্টি নেয়া হয়। বন্দর যাতে কোনো সমস্যায় না পড়ে, সে জন্য সতর্কতা হিসেবে এই ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

Tag :

৯ ব্যাংকের পে–অর্ডার ও চেক নিষিদ্ধ চট্টগ্রাম বন্দরে

Update Time : ০২:৩০:৪৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৪

এস আলমের মালিকানাধীন ব্যাংকসহ বেসরকারি ৯টি ব্যাংকের পে–অর্ডার, চেক ও ব্যাংক গ্যারান্টি সেবা বন্ধের নির্দেশনা জারি করেছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ।

গত বৃহস্পতিবার বন্দরের সব বিভাগের কাছে এই চিঠি দেন সংস্থাটির প্রধান অর্থ ও হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবদুস শাকুর। এ নির্দেশনার ফলে বন্দর কর্তৃপক্ষকে কেউ এসব ব্যাংকের চেক বা পে-অর্ডার দিতে পারবেন না।

যে ৯টি ব্যাংকের সেবা বন্ধ করা হয়েছে, সেগুলো হলো গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, পদ্মা ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক ও আইসিবি ইসলামী ব্যাংক। এর মধ্যে প্রথম ছয়টি ব্যাংক ছিল চট্টগ্রামের এস আলমের মালিকানাধীন। সরকার পরিবর্তনের পর বাংলাদেশ ব্যাংক এসব ব্যাংকের পর্ষদ পুনর্গঠনের কাজ শুরু করেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকে থাকা এসব ব্যাংকের চলতি হিসাবে বড় ধরনের ঘাটতি রয়েছে। এ কারণে এসব ব্যাংকের চেকের লেনদেন নিষ্পত্তি হচ্ছে না। এ জন্য সতর্কতা হিসেবে এসব ব্যাংকের চেকগুলো না নেয়ার জন্য বন্দরের সব বিভাগকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

জানতে চাইলে বন্দরের সচিব মো: ওমর ফারুক বলেন, সাধারণত দরপত্র দাখিলের সময় অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে পে–অর্ডার নেয়া হয়। আবার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সাথে চুক্তির জন্য ব্যাংক গ্যারান্টি নেয়া হয়। বন্দর যাতে কোনো সমস্যায় না পড়ে, সে জন্য সতর্কতা হিসেবে এই ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।