ঢাকা ০৬:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
নানা জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন রাষ্ট্রপতি আন্দোলন কতদিন চলবে, যা বলছে ককরোচ পার্টি ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে প্রতিবাদের আগুন ছড়িয়ে পড়েছে হোটেলকক্ষের গোপন ক্যামেরা শনাক্ত করুন মোবাইল দিয়েই গাজী নজরুলকে বহিষ্কার করেছে জামায়াত ফরিদপুরে যাত্রা শুরু করল ‘পেয়ালা ক্যাফে অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট’ ফরিদপুরে নারীর মানসিক স্বাস্থ্য: সচেতনতা, সহমর্মিতা ও করণীয় বিষয়ক নন্দিতা সুরক্ষার কর্মশালা অনুষ্ঠিত মেসিকে নিয়ে আবারও নিজের ভালোবাসা প্রকাশ করলেন আলোচিত চিত্রনায়িকা পরীমনি বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় তিন ধাপ উন্নতি করেছে বাংলাদেশ আমূল বদলে যাচ্ছে বাংলাদেশের পাসপোর্ট

অনির্বাচিতের হাতে জেলা পরিষদের ক্ষমতা হস্তান্তর কেন অবৈধ নয়

জেলা পরিষদের মেয়াদ শেষ হলে পরবর্তী পরিষদ গঠন না হওয়া পর্যন্ত কোনো ব্যক্তি বা সরকারি কর্মকর্তাকে প্রশাসক নিয়োগ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন কেন অসাংবিধানিক ও অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

বুধবার বিচারপতি জাফর আহমেদ ও বিচারপতি কাজী জিনাত হকের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন। আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মাদ বাকির উদ্দিন ভুঁইয়া। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নওরোজ মো. রাসেল চৌধুরী।

এর আগে ২৪ এপ্রিল সুপ্রিম কোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিট আবেদন দায়ের করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদের ৫ নম্বর (সদর থানা) ওয়ার্ডের নির্বাচিত সদস্য ও বাংলাদেশ জেলা পরিষদ মেম্বার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. বাবুল মিয়া রিটটি দায়ের করেন।

রিটে স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, জনপ্রসাশন সচিব, আইন সচিব, ও জেলা পরিষদ শাখার উপ-সচিবকে বিবাদী করা হয়েছে।

পরে আইনজীবী বাকির উদ্দিন ভুঁইয়া বলেন, সরকার গত ১৭ এপ্রিল জেলা পরিষদের ক্ষমতা হস্তান্তরের বিষয়ে যে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে, তা সংবিধানের ৭ ১১ ২৬ ২৭ ৩১ ৪০ ৫৯ এবং ৬০ এ অনুচ্ছেদের পরিপন্থী। এ বিষয়টি চ্যালেঞ্জ করে আমরা রিট করেছি। শুনানি শেষে আদালত রুল জারি করেছেন।

গত ১৭ এপ্রিল সরকারের জারি করা গেজেটে উল্লেখ করা হয়, জেলা পরিষদ গঠিত না হওয়া পর্যন্ত সরকার কর্তৃক নিযুক্ত একজন প্রশাসক জেলা পরিষদের কার্যাবলী সম্পাদন করবেন। সরকার একজন উপযুক্ত ব্যক্তিকে বা প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত কোনো কর্মকর্তাকে প্রশাসক নিয়োগ করতে পারবে। এবং সেই মেয়াদ একের অধিকবার বা ১৮০ দিনের বেশি হবে না।

প্রশাসক নিয়োগের আগ পর্যন্ত জেলা পরিষদ আইন-২০০০ এর ৭৫ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে প্রত্যেক জেলা পরিষদের প্রশাসনিক ও আর্থিক ক্ষমতা পরিচালনার জন্য প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা/ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাকে দায়িত্ব অর্পণ করা সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এই প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জ করে রিট দায়ের করা হলো।

Tag :
জনপ্রিয়

নানা জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন রাষ্ট্রপতি

অনির্বাচিতের হাতে জেলা পরিষদের ক্ষমতা হস্তান্তর কেন অবৈধ নয়

Update Time : ০১:৩৯:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ এপ্রিল ২০২২

জেলা পরিষদের মেয়াদ শেষ হলে পরবর্তী পরিষদ গঠন না হওয়া পর্যন্ত কোনো ব্যক্তি বা সরকারি কর্মকর্তাকে প্রশাসক নিয়োগ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন কেন অসাংবিধানিক ও অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

বুধবার বিচারপতি জাফর আহমেদ ও বিচারপতি কাজী জিনাত হকের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন। আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মাদ বাকির উদ্দিন ভুঁইয়া। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নওরোজ মো. রাসেল চৌধুরী।

এর আগে ২৪ এপ্রিল সুপ্রিম কোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিট আবেদন দায়ের করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদের ৫ নম্বর (সদর থানা) ওয়ার্ডের নির্বাচিত সদস্য ও বাংলাদেশ জেলা পরিষদ মেম্বার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. বাবুল মিয়া রিটটি দায়ের করেন।

রিটে স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, জনপ্রসাশন সচিব, আইন সচিব, ও জেলা পরিষদ শাখার উপ-সচিবকে বিবাদী করা হয়েছে।

পরে আইনজীবী বাকির উদ্দিন ভুঁইয়া বলেন, সরকার গত ১৭ এপ্রিল জেলা পরিষদের ক্ষমতা হস্তান্তরের বিষয়ে যে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে, তা সংবিধানের ৭ ১১ ২৬ ২৭ ৩১ ৪০ ৫৯ এবং ৬০ এ অনুচ্ছেদের পরিপন্থী। এ বিষয়টি চ্যালেঞ্জ করে আমরা রিট করেছি। শুনানি শেষে আদালত রুল জারি করেছেন।

গত ১৭ এপ্রিল সরকারের জারি করা গেজেটে উল্লেখ করা হয়, জেলা পরিষদ গঠিত না হওয়া পর্যন্ত সরকার কর্তৃক নিযুক্ত একজন প্রশাসক জেলা পরিষদের কার্যাবলী সম্পাদন করবেন। সরকার একজন উপযুক্ত ব্যক্তিকে বা প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত কোনো কর্মকর্তাকে প্রশাসক নিয়োগ করতে পারবে। এবং সেই মেয়াদ একের অধিকবার বা ১৮০ দিনের বেশি হবে না।

প্রশাসক নিয়োগের আগ পর্যন্ত জেলা পরিষদ আইন-২০০০ এর ৭৫ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে প্রত্যেক জেলা পরিষদের প্রশাসনিক ও আর্থিক ক্ষমতা পরিচালনার জন্য প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা/ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাকে দায়িত্ব অর্পণ করা সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এই প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জ করে রিট দায়ের করা হলো।