ঢাকা ০৪:২৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
‘ফেসবুক থেকে ক্ষতিকর কনটেন্ট অপসারণে বাধ্য করতে আইন সংশোধন হচ্ছে’ ফরিদপুরে বিসিআইসি বাফার গুদামের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন চৌধুরী নায়াব ইউসুফ নয়া দিল্লিতে বিজিবি-বিএসএফ মহাপরিচালক পর্যায়ের ৪ দিনব্যাপী সীমান্ত সম্মেলন শুরু দেশে হাম ও উপসর্গ নিয়ে একদিনে ৮ শিশুর মৃত্যু প্রাথমিক ও মাধ্যমিকে যুক্ত হচ্ছে চার নতুন বিষয় হামে শিশু মৃত্যু: ইউনূস ও নূর জাহানসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা নেননি আদালত হামে শিশু মৃত্যু: ড. ইউনূস-নুরজাহান বেগমসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন ইরান থেকে নতুন করে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র ইসরায়েলের ভূখণ্ডের দিকে শনাক্ত: : আইডিএফ রামিসা হত্যাকাণ্ডের বিচার ও তদন্ত সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানালেন প্রধানমন্ত্রী বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম একলাফে ব্যারেলপ্রতি তিন ডলারেরও বেশি বেড়ে গেছে

আমরা অবশ্যই ডিজিটাল সিকিউরিটি আইন সংশোধন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি: আইনমন্ত্রী

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধির সঙ্গে আমাদের ডিজিটাল সিকিউরিটি আইন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আমি তাকে বলেছি, আমরা অবশ্যই এ আইন সংশোধন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আগামী সেপ্টেম্বরেই এ সংশোধনী জাতীয় সংসদে উত্থাপন করা হবে এবং আশা করছি পাস হবে।
মঙ্গলবার (২৫ জুলাই) সচিবালয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) মানবাধিকারবিষয়ক বিশেষ প্রতিনিধি ইমন গিলমোরের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং বাংলাদেশের মধ্যকার যে সম্পর্ক আছে সেটা তার সফরে (ইমন গিলমোর) আরও জোরদার হলো। নতুন আঙ্গিকে আমাদের এই সম্পর্কটা কাজ হবে।
আইনমন্ত্রী বলেন, আমরা তথ্য সুরক্ষা আইন নিয়ে কথা বলেছি। ডেটা প্রটেকশন অ্যাক্ট নিয়ে অংশীজনের সঙ্গে একবার আলোচনা করার পর একটি ড্রাফট করা হয়েছে। এই ড্রাফট নিয়ে আবারও অংশীজনের সঙ্গে বসা হবে বলে জানিয়েছেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী।
মন্ত্রী বলেন, তার সঙ্গে আমার শ্রম আইন নিয়ে আলাপ হয়েছে। এ বিষয়ে আমি বলেছি শ্রমিক এবং শ্রম আইন নিয়ে বাংলাদেশে অনেক কাজ হয়েছে এবং বর্তমানে করছি। আগামীতেও করা হবে। যেটুকু সমস্যা আছে সেটা আইএলও এর আগামী গভর্নিং বডির মিটিংয়ে সমাধান হবে আশ্বাস দিয়েছি। এ বিষয়ে আমি ইউরোপীয় ইউনিয়নের সহযোগিতা চেয়েছি।

তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনার এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের ব্যাপারে আমরা যে আইনটি করেছি সেটার ব্যাপারে আমি তাকে বলেছি। গত পঞ্চাশ বছরে উপমহাদেশে এ ধরনের আইন করা হয়নি বলেও জানিয়েছি। একইসঙ্গে একটি অবাধ, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনে এ আইনটি প্রয়োজন বলে জানিয়েছি। এ নির্বাচন কমিশন এই আইনের আলোকেই নিয়োগপ্রাপ্ত হয়েছে বলেও আমি উল্লেখ করেছি। আপনারা তার কথা শুনেছেন। এটা শোনার পরেও তিনি বলেছেন – “ইটস এ ভেরি বিগ স্টেপ”।
এক প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, সারা পৃথিবী একটা গ্লোবাল ভিলেজ। এখানে পরস্পর পরস্পরের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রাখার জন্য অনেক আলাপ আলোচনায় নিয়োজিত হয়। আমি সে আলোকেই দেখছি। আমরা একটা স্বাধীন সার্বভৌমত্ব দেশ। কিন্তু আমাদের যে সকল বন্ধু আছে তারা আমাদের অবশ্যই অনেক কিছু জিজ্ঞেস করতে পারেন। আবার অনেক কথা তাদেরকে জিজ্ঞেস করতে পারি। এই আলোচনায় আমাদের মধ্যে কখনো কোথাও যদি ভুল বুঝাবুঝি হয়ে থাকে, অনেক ক্ষেত্রেই সেগুলো দূর হচ্ছে বলে মনে করি।
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে কি ধরনের সংশোধন আনা হচ্ছে- এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, এটার জন্য আপনাদের একটু অপেক্ষা করতে হবে। আমি মনে করি আপনাদের পরামর্শ সরকারের কাছে অনেক গুরুত্বপূর্ণ। আমি এটুকু বলতে পারি- ডিজিটাল সিকিউরিটি আইনের যে সংশোধন হচ্ছে তাতে আপনারা সকলে খুশি হবেন।
Tag :

‘ফেসবুক থেকে ক্ষতিকর কনটেন্ট অপসারণে বাধ্য করতে আইন সংশোধন হচ্ছে’

আমরা অবশ্যই ডিজিটাল সিকিউরিটি আইন সংশোধন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি: আইনমন্ত্রী

Update Time : ০৬:২৫:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ জুলাই ২০২৩
আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধির সঙ্গে আমাদের ডিজিটাল সিকিউরিটি আইন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আমি তাকে বলেছি, আমরা অবশ্যই এ আইন সংশোধন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আগামী সেপ্টেম্বরেই এ সংশোধনী জাতীয় সংসদে উত্থাপন করা হবে এবং আশা করছি পাস হবে।
মঙ্গলবার (২৫ জুলাই) সচিবালয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) মানবাধিকারবিষয়ক বিশেষ প্রতিনিধি ইমন গিলমোরের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং বাংলাদেশের মধ্যকার যে সম্পর্ক আছে সেটা তার সফরে (ইমন গিলমোর) আরও জোরদার হলো। নতুন আঙ্গিকে আমাদের এই সম্পর্কটা কাজ হবে।
আইনমন্ত্রী বলেন, আমরা তথ্য সুরক্ষা আইন নিয়ে কথা বলেছি। ডেটা প্রটেকশন অ্যাক্ট নিয়ে অংশীজনের সঙ্গে একবার আলোচনা করার পর একটি ড্রাফট করা হয়েছে। এই ড্রাফট নিয়ে আবারও অংশীজনের সঙ্গে বসা হবে বলে জানিয়েছেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী।
মন্ত্রী বলেন, তার সঙ্গে আমার শ্রম আইন নিয়ে আলাপ হয়েছে। এ বিষয়ে আমি বলেছি শ্রমিক এবং শ্রম আইন নিয়ে বাংলাদেশে অনেক কাজ হয়েছে এবং বর্তমানে করছি। আগামীতেও করা হবে। যেটুকু সমস্যা আছে সেটা আইএলও এর আগামী গভর্নিং বডির মিটিংয়ে সমাধান হবে আশ্বাস দিয়েছি। এ বিষয়ে আমি ইউরোপীয় ইউনিয়নের সহযোগিতা চেয়েছি।

তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনার এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের ব্যাপারে আমরা যে আইনটি করেছি সেটার ব্যাপারে আমি তাকে বলেছি। গত পঞ্চাশ বছরে উপমহাদেশে এ ধরনের আইন করা হয়নি বলেও জানিয়েছি। একইসঙ্গে একটি অবাধ, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনে এ আইনটি প্রয়োজন বলে জানিয়েছি। এ নির্বাচন কমিশন এই আইনের আলোকেই নিয়োগপ্রাপ্ত হয়েছে বলেও আমি উল্লেখ করেছি। আপনারা তার কথা শুনেছেন। এটা শোনার পরেও তিনি বলেছেন – “ইটস এ ভেরি বিগ স্টেপ”।
এক প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, সারা পৃথিবী একটা গ্লোবাল ভিলেজ। এখানে পরস্পর পরস্পরের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রাখার জন্য অনেক আলাপ আলোচনায় নিয়োজিত হয়। আমি সে আলোকেই দেখছি। আমরা একটা স্বাধীন সার্বভৌমত্ব দেশ। কিন্তু আমাদের যে সকল বন্ধু আছে তারা আমাদের অবশ্যই অনেক কিছু জিজ্ঞেস করতে পারেন। আবার অনেক কথা তাদেরকে জিজ্ঞেস করতে পারি। এই আলোচনায় আমাদের মধ্যে কখনো কোথাও যদি ভুল বুঝাবুঝি হয়ে থাকে, অনেক ক্ষেত্রেই সেগুলো দূর হচ্ছে বলে মনে করি।
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে কি ধরনের সংশোধন আনা হচ্ছে- এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, এটার জন্য আপনাদের একটু অপেক্ষা করতে হবে। আমি মনে করি আপনাদের পরামর্শ সরকারের কাছে অনেক গুরুত্বপূর্ণ। আমি এটুকু বলতে পারি- ডিজিটাল সিকিউরিটি আইনের যে সংশোধন হচ্ছে তাতে আপনারা সকলে খুশি হবেন।