ঢাকা ০৫:৪৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: ডাকা হচ্ছে সংসদের বিশেষ অধিবেশন সিলেট ও বগুড়ায় বাস দুর্ঘটনায় নিহত ১৭, আহত ৫০ সৌদি আরব উত্তর ও দক্ষিণ দিক থেকে একযোগে বড় ধরনের সমন্বিত হামলার আশঙ্কা করছে দেশের কয়েকটি অঞ্চলে ভারি বর্ষণের সতর্কবার্তা, ১০ জেলায় বন্যার পূর্বাভাস থাইল্যান্ডের স্কুলে ১৪ বছরের শিক্ষার্থীর গুলিতে নিহত অন্তত ৬, আহত ১৫ জন শেখ হাসিনার অনুষ্ঠানের আয়োজনে ভারত সরকারের কোনো ভূমিকা ছিল না: রণধীর জয়সওয়াল র‍্যাব বিলুপ্ত করে নতুন বাহিনী ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) আইন ২০২৬’-এর খসড়া প্রকাশ আজকে কোন টিভি চ্যানেলে কোন খেলা হুথি বিদ্রোহীদের হামলায় সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলে ১১ জন বেসামরিক নাগরিক আহত ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ ‘খুব শিগগিরই’ শেষ হবে: ট্রাম্প

ইরাকের আল-কুত শহরের একটি শপিং মলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৬৯

ইরাকের আল-কুত শহরের একটি শপিং মলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রাণহানি আরও বেড়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৬৯ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আইএনএ। আগুন লাগার পর থেকে ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়া ব্যক্তিদের উদ্ধারে রাতভর অভিযান চালিয়েছে উদ্ধারকর্মীরা। খবর রয়টার্সের।

বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) প্রাদেশিক গভর্নরের বরাত দিয়ে আইএনএ জানায়, আগুনে দগ্ধ হয়ে অন্তত ৬৯ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও অনেকে। ঘটনার পর হাসপাতাল ও মর্গে স্বজনদের খোঁজে ভিড় করছেন স্থানীয়রা।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ভিডিওতে দেখা গেছে, শহরের একটি পাঁচতলা ভবনে আগুন জ্বলছে এবং অগ্নিনির্বাপক বাহিনীর সদস্যরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রাণপণ চেষ্টা চালাচ্ছেন। তবে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এই ভিডিওগুলোর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি।

প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, বুধবার রাতে শপিং মলটির প্রথম তলায় একটি এয়ার কন্ডিশনার বিস্ফোরণ থেকেই আগুনের সূত্রপাত ঘটে। মুহূর্তেই তা পুরো ভবনে ছড়িয়ে পড়ে। ভবনটিতে থাকা অনেকেই সময়মতো বের হতে না পারায় হতাহতের সংখ্যা এতোটা বেড়ে যায়।

স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত ৪৫ জনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। তবে ধ্বংসস্তূপে আরও কেউ আটকে রয়েছেন কি না, তা নিশ্চিত হতে উদ্ধার কাজ অব্যাহত রয়েছে। ফরেনসিক বিভাগের কর্মকর্তারা আগুনে পুড়ে যাওয়া মৃতদেহ শনাক্তে কাজ করছেন।

৫১ বছর বয়সী আলী কাজিম রয়টার্সকে জানান, এই ঘটনায় তার চাচাতো ভাই, ভাইয়ের স্ত্রী ও তিন সন্তান নিখোঁজ রয়েছেন। তিনি হাসপাতাল ও ধ্বংসস্তূপের মধ্যে ছুটে বেড়াচ্ছেন তাদের খোঁজে।

এর আগে বুধবার মধ্যরাতে ঘটনার পরপরই মৃতের সংখ্যা ছিল ৫০ জন। কিন্তু সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে উদ্ধারকাজে আরও মৃতদেহ মিলতে থাকায় সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৬৯-এ। ভয়াবহ এই দুর্ঘটনায় আল-কুত শহরজুড়ে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

স্থানীয় প্রশাসন আগুন লাগার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত শুরু করেছে। ভবনের নিরাপত্তা ব্যবস্থার ত্রুটি কিংবা অবহেলার বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলেও জানানো হয়েছে।

Tag :

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: ডাকা হচ্ছে সংসদের বিশেষ অধিবেশন

ইরাকের আল-কুত শহরের একটি শপিং মলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৬৯

Update Time : ০৯:২৮:৫৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ জুলাই ২০২৫

ইরাকের আল-কুত শহরের একটি শপিং মলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রাণহানি আরও বেড়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৬৯ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আইএনএ। আগুন লাগার পর থেকে ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়া ব্যক্তিদের উদ্ধারে রাতভর অভিযান চালিয়েছে উদ্ধারকর্মীরা। খবর রয়টার্সের।

বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) প্রাদেশিক গভর্নরের বরাত দিয়ে আইএনএ জানায়, আগুনে দগ্ধ হয়ে অন্তত ৬৯ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও অনেকে। ঘটনার পর হাসপাতাল ও মর্গে স্বজনদের খোঁজে ভিড় করছেন স্থানীয়রা।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ভিডিওতে দেখা গেছে, শহরের একটি পাঁচতলা ভবনে আগুন জ্বলছে এবং অগ্নিনির্বাপক বাহিনীর সদস্যরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রাণপণ চেষ্টা চালাচ্ছেন। তবে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এই ভিডিওগুলোর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি।

প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, বুধবার রাতে শপিং মলটির প্রথম তলায় একটি এয়ার কন্ডিশনার বিস্ফোরণ থেকেই আগুনের সূত্রপাত ঘটে। মুহূর্তেই তা পুরো ভবনে ছড়িয়ে পড়ে। ভবনটিতে থাকা অনেকেই সময়মতো বের হতে না পারায় হতাহতের সংখ্যা এতোটা বেড়ে যায়।

স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত ৪৫ জনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। তবে ধ্বংসস্তূপে আরও কেউ আটকে রয়েছেন কি না, তা নিশ্চিত হতে উদ্ধার কাজ অব্যাহত রয়েছে। ফরেনসিক বিভাগের কর্মকর্তারা আগুনে পুড়ে যাওয়া মৃতদেহ শনাক্তে কাজ করছেন।

৫১ বছর বয়সী আলী কাজিম রয়টার্সকে জানান, এই ঘটনায় তার চাচাতো ভাই, ভাইয়ের স্ত্রী ও তিন সন্তান নিখোঁজ রয়েছেন। তিনি হাসপাতাল ও ধ্বংসস্তূপের মধ্যে ছুটে বেড়াচ্ছেন তাদের খোঁজে।

এর আগে বুধবার মধ্যরাতে ঘটনার পরপরই মৃতের সংখ্যা ছিল ৫০ জন। কিন্তু সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে উদ্ধারকাজে আরও মৃতদেহ মিলতে থাকায় সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৬৯-এ। ভয়াবহ এই দুর্ঘটনায় আল-কুত শহরজুড়ে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

স্থানীয় প্রশাসন আগুন লাগার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত শুরু করেছে। ভবনের নিরাপত্তা ব্যবস্থার ত্রুটি কিংবা অবহেলার বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলেও জানানো হয়েছে।