ঢাকা ১২:৪১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম

ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত: গাজায় নিহতের সংখ্যা ৭২ হাজার ৯৩৮ ছাড়াল

গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি সামরিক অভিযান দীর্ঘস্থায়ী হওয়ায় সেখানে মানবিক পরিস্থিতি চরম অবনতির দিকে যাচ্ছে। ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের দেওয়া সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে এখন পর্যন্ত গাজায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭২ হাজার ৯৩৮ জনে দাঁড়িয়েছে।

শনিবার ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সূত্রে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলি হামলায় অন্তত সাতজন নিহত হয়েছেন। এ নিয়ে সংঘাত শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত মোট নিহতের সংখ্যা ৭২ হাজার ৯৩৮ এবং আহতের সংখ্যা ১ লাখ ৭২ হাজার ৯১৯ জনে পৌঁছেছে। উদ্ধারকারী দল ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ভাষ্যমতে, ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনো অনেক মরদেহ চাপা পড়ে আছে, তবে যুদ্ধাবস্থা ও নিরাপত্তার অভাবের কারণে তাদের উদ্ধার করা অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং হয়ে পড়েছে।

এদিকে, জাতিসংঘের মানবিক সহায়তা বিষয়ক সমন্বয়কারী সংস্থা (ওসিএইচএ)-এর সাম্প্রতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত গাজায় মানবিক সহায়তা কার্যক্রম চরম বাধার সম্মুখীন হচ্ছে। জ্বালানি, খুচরা যন্ত্রাংশ এবং প্রয়োজনীয় সামগ্রী প্রবেশে নিষেধাজ্ঞার কারণে হাসপাতাল ও ত্রাণ কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। অধিকাংশ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন এবং অঞ্চলটিতে সংক্রামক ব্যাধিসহ জনস্বাস্থ্য সংকট প্রকট আকার ধারণ করেছে। আন্তর্জাতিক মহলে যুদ্ধবিরতি ও ত্রাণ সহায়তার ওপর জোর দেওয়া হলেও, বাস্তব ক্ষেত্রে পরিস্থিতির উন্নতি খুব ধীর।

Tag :

৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে ড. ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণকে

ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত: গাজায় নিহতের সংখ্যা ৭২ হাজার ৯৩৮ ছাড়াল

Update Time : ০২:০৫:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬

গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি সামরিক অভিযান দীর্ঘস্থায়ী হওয়ায় সেখানে মানবিক পরিস্থিতি চরম অবনতির দিকে যাচ্ছে। ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের দেওয়া সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে এখন পর্যন্ত গাজায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭২ হাজার ৯৩৮ জনে দাঁড়িয়েছে।

শনিবার ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সূত্রে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলি হামলায় অন্তত সাতজন নিহত হয়েছেন। এ নিয়ে সংঘাত শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত মোট নিহতের সংখ্যা ৭২ হাজার ৯৩৮ এবং আহতের সংখ্যা ১ লাখ ৭২ হাজার ৯১৯ জনে পৌঁছেছে। উদ্ধারকারী দল ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ভাষ্যমতে, ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনো অনেক মরদেহ চাপা পড়ে আছে, তবে যুদ্ধাবস্থা ও নিরাপত্তার অভাবের কারণে তাদের উদ্ধার করা অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং হয়ে পড়েছে।

এদিকে, জাতিসংঘের মানবিক সহায়তা বিষয়ক সমন্বয়কারী সংস্থা (ওসিএইচএ)-এর সাম্প্রতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত গাজায় মানবিক সহায়তা কার্যক্রম চরম বাধার সম্মুখীন হচ্ছে। জ্বালানি, খুচরা যন্ত্রাংশ এবং প্রয়োজনীয় সামগ্রী প্রবেশে নিষেধাজ্ঞার কারণে হাসপাতাল ও ত্রাণ কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। অধিকাংশ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন এবং অঞ্চলটিতে সংক্রামক ব্যাধিসহ জনস্বাস্থ্য সংকট প্রকট আকার ধারণ করেছে। আন্তর্জাতিক মহলে যুদ্ধবিরতি ও ত্রাণ সহায়তার ওপর জোর দেওয়া হলেও, বাস্তব ক্ষেত্রে পরিস্থিতির উন্নতি খুব ধীর।