উত্তর কোরিয়ার ১৮০টি যুদ্ধবিমান শুক্রবার দুই কোরিয়ার মধ্যে সামরিক সীমানা রেখা কাছে মহড়া চালিয়েছে বলে দাবি করে, প্রতিক্রিয়ায় পাল্টা বিমানমহড়া চালিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া। উত্তরের এই মহড়ার দক্ষিণও। ওয়াশিংটনের সাথে সিউলের যৌথ সামরিক মহড়ার প্রতিবাদে প্রায় ৮০টি আর্টিলারি রাউন্ড গুলি চালানোর কয়েক ঘন্টা পরেই এই মহড়া চালায় উত্তর কোরিয়া।
দক্ষিণ কোরিয়ার জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফ জানিয়েছে, দুই কোরিয়ার মধ্যে সামরিক সীমানা রেখা, কৌশলগত অ্যাকশন লাইন এর উত্তরে একাধিক এলাকায় উত্তর কোরিয়ার বিমান সনাক্ত করা হয়েছে।
দক্ষিণ কোরিয়ার একজন কর্মকর্তা বলেছেন, উত্তর কোরিয়ার সামরিক বিমানগুলোর মহড়া স্থানীয় সময় সকাল ১১ টা থেকে বিকাল ৩ টার মধ্যে ঘটেছিল। তবে তিনি থেকে সীমানা লাইনের দূরত্বের বর্ণনা দিতে অস্বীকার করেছিলেন, কিন্তু স্থানীয় সংবাদ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে এটি ২০ থেকে ৫০ কিলোমিটার।
এদিকে, দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, উত্তরের এই মহড়ার প্রতিক্রিয়ায় এফ৩৫-এ স্টিলথ ফাইটারসহ ৮০টি যুদ্ধবিমান উড়ায় দেশটি। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে ‘ভিজিল্যান্ট স্টর্ম’ বিমান মহড়ায় অংশগ্রহণকারী প্রায় ২৪০টি যুদ্ধবিমান তাদের মহড়া অব্যাহত রাখে।
উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার যৌথ সামরিক মহড়ার প্রতিক্রিয়ায় বুধবার থেকে দক্ষিণের উপকূল লক্ষ্য করে সম্ভাব্য ব্যর্থ আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র (আইসিভিএম) সহ বিভিন্ন ধরনের ২৩টি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে উত্তর কোরিয়া। যেগুলোর মধ্যে অন্তত একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রথমবারের মতো দক্ষিণ কোরিয়ার উপকূল থেকে ৬০ কিলোমিটারের কম দূরে অবতরণ করেছে। ১৯৫৩ সালে কোরিয়ান যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর প্রথমবারের মতো এটি ঘটেছে। এর প্রতিক্রিয়ায় বেশকয়েকটি ক্ষেপনাস্ত্র ছুড়েছে দক্ষিণ কোরিয়াও।
আন্তজার্তিক ডেস্ক 














