ঢাকা ০৪:৩৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম

এসএসসি পরীক্ষায় ‘নীরব বহিষ্কার’ বা ‘সাইলেন্ট এক্সপেল’ ব্যবস্থা কার্যকর রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া

২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় শৃঙ্খলা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ‘নীরব বহিষ্কার’ বা ‘সাইলেন্ট এক্সপেল’ ব্যবস্থা কার্যকর রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি প্রকাশিত পরীক্ষা পরিচালনা সংক্রান্ত নীতিমালায় এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

নীতিমালা অনুযায়ী, কোনো পরীক্ষার্থীকে সরাসরি হাতেনাতে আটক না করেও নিয়ম ভঙ্গ বা অসদুপায় অবলম্বনের অভিযোগে ‘সাইলেন্ট এক্সপেল’ করা যাবে। এ ক্ষেত্রে পরীক্ষার্থী তাৎক্ষণিকভাবে বুঝতে পারবেন না যে তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে; তবে পরবর্তীতে তার উত্তরপত্র বাতিল হিসেবে গণ্য হবে।

নীরব বহিষ্কার কী?
পরীক্ষার হলে কোনো পরীক্ষার্থী কথা বলা, ঘাড় ঘোরানো, অন্যের খাতা দেখা বা সন্দেহজনক আচরণ করলে দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিদর্শক তার বিরুদ্ধে ‘নীরব বহিষ্কার’ প্রয়োগ করতে পারবেন। এতে প্রকাশ্যে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া না হলেও সংশ্লিষ্ট পরীক্ষার্থীর উত্তরপত্র পরে বাতিল করা হয়।

নীতিমালার নির্দেশনা
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, কোনো পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার বা নীরব বহিষ্কার করা হলে তার সৃজনশীল উত্তরপত্রের কাভার পৃষ্ঠার প্রথম অংশ না ছিঁড়ে, প্রত্যবেক্ষকের প্রতিবেদনের সঙ্গে বোর্ড নির্ধারিত গোপনীয় ফরম পূরণ করতে হবে।

পরীক্ষা শেষে ওই পরীক্ষার্থীর উত্তরপত্র আলাদা প্যাকেটে সংরক্ষণ করতে হবে। প্যাকেটের ওপর লাল কালিতে স্পষ্টভাবে ‘রিপোর্টেড’ লিখে অন্যান্য উত্তরপত্র থেকে পৃথকভাবে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের দপ্তরে জমা দিতে হবে।

এছাড়া, নীরব বহিষ্কারের ক্ষেত্রে কারণ অবশ্যই প্রত্যবেক্ষকের প্রতিবেদনে বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

পরবর্তী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ
নীতিমালায় আরও বলা হয়েছে, নীরব বহিষ্কৃত পরীক্ষার্থীরা পরবর্তী পরীক্ষাগুলোতে অংশ নিতে পারবে। তবে পরবর্তী পরীক্ষাগুলোতেও তার সব উত্তরপত্র আলাদাভাবে জমা দিতে হবে এবং প্রতিটির সঙ্গে নীরব বহিষ্কারের বিষয়, পত্র ও কারণ উল্লেখ করে প্রতিবেদন সংযুক্ত করতে হবে।

শিক্ষা বোর্ড সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই পদ্ধতি পরীক্ষার শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং অসদুপায় রোধে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

Tag :
জনপ্রিয়

ফরিদপুরে স্বপ্ন সুপার শপ আউটলেটের শুভ উদ্বোধন

এসএসসি পরীক্ষায় ‘নীরব বহিষ্কার’ বা ‘সাইলেন্ট এক্সপেল’ ব্যবস্থা কার্যকর রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া

Update Time : ০৪:২৪:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় শৃঙ্খলা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ‘নীরব বহিষ্কার’ বা ‘সাইলেন্ট এক্সপেল’ ব্যবস্থা কার্যকর রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি প্রকাশিত পরীক্ষা পরিচালনা সংক্রান্ত নীতিমালায় এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

নীতিমালা অনুযায়ী, কোনো পরীক্ষার্থীকে সরাসরি হাতেনাতে আটক না করেও নিয়ম ভঙ্গ বা অসদুপায় অবলম্বনের অভিযোগে ‘সাইলেন্ট এক্সপেল’ করা যাবে। এ ক্ষেত্রে পরীক্ষার্থী তাৎক্ষণিকভাবে বুঝতে পারবেন না যে তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে; তবে পরবর্তীতে তার উত্তরপত্র বাতিল হিসেবে গণ্য হবে।

নীরব বহিষ্কার কী?
পরীক্ষার হলে কোনো পরীক্ষার্থী কথা বলা, ঘাড় ঘোরানো, অন্যের খাতা দেখা বা সন্দেহজনক আচরণ করলে দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিদর্শক তার বিরুদ্ধে ‘নীরব বহিষ্কার’ প্রয়োগ করতে পারবেন। এতে প্রকাশ্যে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া না হলেও সংশ্লিষ্ট পরীক্ষার্থীর উত্তরপত্র পরে বাতিল করা হয়।

নীতিমালার নির্দেশনা
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, কোনো পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার বা নীরব বহিষ্কার করা হলে তার সৃজনশীল উত্তরপত্রের কাভার পৃষ্ঠার প্রথম অংশ না ছিঁড়ে, প্রত্যবেক্ষকের প্রতিবেদনের সঙ্গে বোর্ড নির্ধারিত গোপনীয় ফরম পূরণ করতে হবে।

পরীক্ষা শেষে ওই পরীক্ষার্থীর উত্তরপত্র আলাদা প্যাকেটে সংরক্ষণ করতে হবে। প্যাকেটের ওপর লাল কালিতে স্পষ্টভাবে ‘রিপোর্টেড’ লিখে অন্যান্য উত্তরপত্র থেকে পৃথকভাবে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের দপ্তরে জমা দিতে হবে।

এছাড়া, নীরব বহিষ্কারের ক্ষেত্রে কারণ অবশ্যই প্রত্যবেক্ষকের প্রতিবেদনে বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

পরবর্তী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ
নীতিমালায় আরও বলা হয়েছে, নীরব বহিষ্কৃত পরীক্ষার্থীরা পরবর্তী পরীক্ষাগুলোতে অংশ নিতে পারবে। তবে পরবর্তী পরীক্ষাগুলোতেও তার সব উত্তরপত্র আলাদাভাবে জমা দিতে হবে এবং প্রতিটির সঙ্গে নীরব বহিষ্কারের বিষয়, পত্র ও কারণ উল্লেখ করে প্রতিবেদন সংযুক্ত করতে হবে।

শিক্ষা বোর্ড সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই পদ্ধতি পরীক্ষার শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং অসদুপায় রোধে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।