বুধবার (১৩ অক্টোবর) কুমিল্লা নগরীর নানুয়া দিঘির উত্তর পাড়ে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে দর্পণ সংঘের পূজামণ্ডপে পবিত্র কোরআন শরিফ রেখে নাশকতা সৃষ্টিকারীকে শনাক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
কুমিল্লা পুলিশ সুপার ফারুক আহমেদ গণমাধ্যমকে পূজামণ্ডপে পবিত্র কোরআন রাখা ব্যক্তিকে শনাক্ত করার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, ওই ব্যক্তির নাম ইকবাল হোসেন (৩৩)।
পুলিশ জানায়, তাকে গ্রেপ্তারের কাজ চলছে জানান পুলিশ সুপার। কুমিল্লা নগরীর নানুয়া দিঘির এলাকার সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে ইকবাল হোসেনকে চিহ্নিত করা হয়েছে। শনাক্তকৃত ইকবাল হোসেন কুমিল্লা নগরীর সুজানগর এলাকার বাসিন্দা।
শারদীয় দুর্গাপূজার মহাঅষ্টমীর দিন বুধবার ভোরে কুমিল্লা শহরের নানুয়াদিঘির উত্তরপাড়ে দর্পণ সংঘের উদ্যোগে আয়োজিত অস্থায়ী পূজা মণ্ডপে পবিত্র কোরআন রেখে যায় কে বা কারা । এরপর কোরআন অবমাননার অভিযোগ তুলে ওই মণ্ডপে হামলা চালায় একদল লোক। সেখানে ব্যাপক ভাংচুর চালানো হয়।
এ ঘটনার জের ধরে ওই দিন চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে হিন্দুদের ওপর হামলা করতে যাওয়া একদল ব্যক্তির সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। । পরদিন নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে হিন্দুদের মন্দির, মণ্ডপ ও দোকানপাটে হামলা, ভাংচুর চালানো হয়।
এরপর রংপুরের পীরগঞ্জে কোরআন অবমাননা কর ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে হিন্দু বসতিতে হামলা করে ভাংচুর, লুটপাট ও ঘরবাড়িতে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। হিন্দুদের মন্দির, মণ্ডপসহ বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা হয়েছে দেশের আরো অনেক এলাকায়।
এর আগে কুমিল্লার ঘটনায় মূল অভিযুক্তকে শনাক্ত করা হয়েছে বলে বুধবার জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান।
তিনি বলেন, ‘মূল অভিযুক্ত বারবার তার অবস্থান পরিবর্তন করছে। খুব অল্প সময়ের মধ্যে তাকে আমরা ধরে ফেলতে পারব বলে আমাদের বিশ্বাস। কুমিল্লায় কেন সে এই ঘটনা ঘটিয়েছে, তা জানব।’
Reporter Name 

























