ঢাকা ০৯:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
‘লেহরা দো তিরঙ্গা’ অনুষ্ঠানে যাওয়ার পথে প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে-কে আটক করেছে পুলিশ ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে দেশে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৪ জনের প্রাণ গেছে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ জনের মৃত্যু শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানালেন রাষ্ট্রপতি মোটরসাইকেলের সামনে নম্বরপ্লেট বাধ্যতামূলক, সময় বেঁধে দিল বিআরটিএ বাজারজুড়েই সবজির পসরা; বেশিরভাগ সবজির গায়েই আগুন শারদীয় দুর্গোৎসব মহাষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে শুরু হচ্ছে আজ আজকে কোন টিভি চ্যানেলে কোন খেলা আজকের নামাজের সময়সূচি : ১৬ অক্টোবর ২০২৬ ফরিদপুরের শতবর্ষী ঐতিহ্যবাহী বাকীগঞ্জ ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসার প্রথম অ্যালামনাই কনফারেন্স আগামী ২৪ অক্টোবর

গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে যাওয়ার ১৯ ঘণ্টায়ও উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি শিশু সাজিদকে, সুড়ঙ্গ খোঁড়া শুরু

  • অনলাইন ডেস্ক
  • Update Time : ০৬:২৬:২৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ২৩৮ Time View

রাজশাহীর তানোরে দুই বছরের শিশু সাজিদ পরিত্যক্ত গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে যাওয়ার ১৯ ঘণ্টায়ও উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) সকালে শিশুটি যে গর্তের মধ্যে পড়ে যায় সেদিকে সুড়ঙ্গ খোঁড়া শুরু করে ফায়ার সার্ভিস। তবে এখনো সাজিদের দেখা মেলেনি।

বুধবার (১০ ডিসেম্বর) দুপুর ১টার দিকে উপজেলার কোয়েলহাট পূর্বপাড়া গ্রামের ধানখড়ের মাঠে মায়ের পিছু পিছু হাটতে গিয়ে হঠাৎ ৪০ ফুট গভীর একটি গর্তে পড়ে যায় সে। মাত্র ৮ ইঞ্চি ব্যাসার্ধের সেই অন্ধকার গর্তে পড়ে যাওয়া ছোট্ট শিশুটিকে উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের পাঁচটি ইউনিট আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

ফায়ার সার্ভিসের পাঁচটি ইউনিট ঘটনাস্থলে উদ্ধার তৎপরতার প্রাথমিক ধাপ পেরিয়ে এক্সকেভেটর দিয়ে মাটি সরানো ছাড়া শিশু সাজিদকে উদ্ধার সম্ভব হচ্ছিল না। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ছোট্ট সাজিদকে উদ্ধারে অ্যাক্সকেভেটরের খোঁজ করা হচ্ছিল। কিন্তু উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন অ্যাক্সকেভেটর পাওয়া যাচ্ছিল না। এমনকি পুরো তানোর উপজেলায় খোঁজ করেও কোন এক্সকেভেটর পাওয়া যায়নি। অবশেষে রাত আটটার দিকে পাশের উপজেলা মোহনপুর থেকে ছোট্ট দুটি অ্যাক্সকেভেটর এনে মাটি খনন কাজ শুরু করে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা।

সরেজমিনে দেখা যায়, বৃহস্পতিবার ভোর ৬টায় ৪০ ফুট গর্ত করা শেষ হয়। এরপর সেই গর্ত থেকে শিশুটি যে গর্তের মধ্যে পড়ে যায় সেদিকে সুড়ঙ্গ খোঁড়া শুরু করে। প্রায় দেড় ঘণ্টা থেকে সেই সুড়ঙ্গ খোঁড়া চলছে তবে এখন পর্যন্ত শিশুটির দেখা মেলেনি।

তানোর উপজেলা ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন ম্যানেজার আব্দুর রউফ বলেন, আমরা ৪০ ফুট গর্ত করেছি। সেই গর্ত থেকেই শিশুটি যে গর্তে পড়েছে সেদিকে সুড়ঙ্গ করা হচ্ছে। আমরা এখনো শিশুটির দেখা পাইনি। তবে শিশুটিকে না পাওয়া পর্যন্ত আমাদের উদ্ধার অভিযান চলবে।

Tag :
জনপ্রিয়

‘লেহরা দো তিরঙ্গা’ অনুষ্ঠানে যাওয়ার পথে প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে-কে আটক করেছে পুলিশ

গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে যাওয়ার ১৯ ঘণ্টায়ও উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি শিশু সাজিদকে, সুড়ঙ্গ খোঁড়া শুরু

Update Time : ০৬:২৬:২৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫

রাজশাহীর তানোরে দুই বছরের শিশু সাজিদ পরিত্যক্ত গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে যাওয়ার ১৯ ঘণ্টায়ও উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) সকালে শিশুটি যে গর্তের মধ্যে পড়ে যায় সেদিকে সুড়ঙ্গ খোঁড়া শুরু করে ফায়ার সার্ভিস। তবে এখনো সাজিদের দেখা মেলেনি।

বুধবার (১০ ডিসেম্বর) দুপুর ১টার দিকে উপজেলার কোয়েলহাট পূর্বপাড়া গ্রামের ধানখড়ের মাঠে মায়ের পিছু পিছু হাটতে গিয়ে হঠাৎ ৪০ ফুট গভীর একটি গর্তে পড়ে যায় সে। মাত্র ৮ ইঞ্চি ব্যাসার্ধের সেই অন্ধকার গর্তে পড়ে যাওয়া ছোট্ট শিশুটিকে উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের পাঁচটি ইউনিট আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

ফায়ার সার্ভিসের পাঁচটি ইউনিট ঘটনাস্থলে উদ্ধার তৎপরতার প্রাথমিক ধাপ পেরিয়ে এক্সকেভেটর দিয়ে মাটি সরানো ছাড়া শিশু সাজিদকে উদ্ধার সম্ভব হচ্ছিল না। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ছোট্ট সাজিদকে উদ্ধারে অ্যাক্সকেভেটরের খোঁজ করা হচ্ছিল। কিন্তু উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন অ্যাক্সকেভেটর পাওয়া যাচ্ছিল না। এমনকি পুরো তানোর উপজেলায় খোঁজ করেও কোন এক্সকেভেটর পাওয়া যায়নি। অবশেষে রাত আটটার দিকে পাশের উপজেলা মোহনপুর থেকে ছোট্ট দুটি অ্যাক্সকেভেটর এনে মাটি খনন কাজ শুরু করে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা।

সরেজমিনে দেখা যায়, বৃহস্পতিবার ভোর ৬টায় ৪০ ফুট গর্ত করা শেষ হয়। এরপর সেই গর্ত থেকে শিশুটি যে গর্তের মধ্যে পড়ে যায় সেদিকে সুড়ঙ্গ খোঁড়া শুরু করে। প্রায় দেড় ঘণ্টা থেকে সেই সুড়ঙ্গ খোঁড়া চলছে তবে এখন পর্যন্ত শিশুটির দেখা মেলেনি।

তানোর উপজেলা ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন ম্যানেজার আব্দুর রউফ বলেন, আমরা ৪০ ফুট গর্ত করেছি। সেই গর্ত থেকেই শিশুটি যে গর্তে পড়েছে সেদিকে সুড়ঙ্গ করা হচ্ছে। আমরা এখনো শিশুটির দেখা পাইনি। তবে শিশুটিকে না পাওয়া পর্যন্ত আমাদের উদ্ধার অভিযান চলবে।