ঢাকা ০৭:১৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৮ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২ যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের ৫ দিনের আলটিমেটাম চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে বিরল ব্যক্তিগত অভ্যর্থনা জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আজকে কোন টিভি চ্যানেলে কোন খেলা আজকের নামাজের সময়সূচি : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ডোনাল্ড ট্রাম্প ও খলিলুর রহমানের মতবিনিময় সংঘাতের সমাধান না হলে তিনি ইরানকে সম্পূর্ণ নিশ্চিহ্ন করে দিতে পারেন: ট্রাম্প পবিত্র ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম আজ, সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘ মহাসচিবের প্রাতরাশে তারেক রহমান ও জুবাইদা রহমান

গাজা যুদ্ধের ১০০ দিনে নিহত ২৩ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি

গাজা যুদ্ধের ১০০ দিন পূর্ণ হলো। গত ৭ অক্টোবরের পর থেকেই অবরুদ্ধ উপত্যকায় হামলা চালিয়ে যাচ্ছে দখলদার ইসরাইলি বাহিনী। ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও ধ্বংসযজ্ঞের পরও শিগগির এ যুদ্ধ নিরসনের কোনো সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না।

বিশ্লেষকরা এই যুদ্ধকে ইসরাইল ও ফিলিস্তিনের এক দশকেরও বেশি সময় ধরে চলমান সংঘাতের ইতিহাসের সবচেয়ে রক্তাক্ত অধ্যায় হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।

ইসরাইলি হামলায় এখন পর্যন্ত ২৩ হাজার ৮৪৩ জন নিহত এবং ৬০ হাজার ৩১৭ জনেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। ইসরাইলে নিহত হয়েছেন এক হাজার ৩০০ জনের চেয়েও বেশি মানুষ।

গাজার মোট দালানের ৪৫ থেকে ৫৬ শতাংশ ধ্বংস অথবা বড় আকারে ক্ষতির শিকার হয়েছে। গাজার ৩৬টি হাসপাতালের মধ্যে মাত্র ১৫টি আংশিকভাবে কার্যকর রয়েছে। বাকি ২১টির কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ আছে।

ব্যাপক আকারে ক্ষুধা ও অনাহারে ভুগছেন পাঁচ লাখ ৭৬ হাজার ৬০০ ফিলিস্তিনি। গাজার ৬৯ শতাংশেরও বেশি স্কুল ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

১৪২টি মসজিদ, ৩টি গির্জা ও ১২১টি অ্যাম্বুলেন্স ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। স্কুল থেকে ঝরে পড়েছে ছয় লাখ ২৫ হাজার শিক্ষার্থী।

ইসরাইলি আগ্রাসনে এখন পর্যন্ত ১৮ লাখ ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।  ইসরাইলের উত্তর ও দক্ষিণ সীমান্ত থেকে দুই লাখ ৪৯ হাজার ২৬৩ ইসরাইলি বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। পশ্চিম তীর থেকে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন এক হাজার ২০৮ ফিলিস্তিনি।

Tag :

২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৮ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২

গাজা যুদ্ধের ১০০ দিনে নিহত ২৩ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি

Update Time : ১২:৩২:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৪

গাজা যুদ্ধের ১০০ দিন পূর্ণ হলো। গত ৭ অক্টোবরের পর থেকেই অবরুদ্ধ উপত্যকায় হামলা চালিয়ে যাচ্ছে দখলদার ইসরাইলি বাহিনী। ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও ধ্বংসযজ্ঞের পরও শিগগির এ যুদ্ধ নিরসনের কোনো সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না।

বিশ্লেষকরা এই যুদ্ধকে ইসরাইল ও ফিলিস্তিনের এক দশকেরও বেশি সময় ধরে চলমান সংঘাতের ইতিহাসের সবচেয়ে রক্তাক্ত অধ্যায় হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।

ইসরাইলি হামলায় এখন পর্যন্ত ২৩ হাজার ৮৪৩ জন নিহত এবং ৬০ হাজার ৩১৭ জনেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। ইসরাইলে নিহত হয়েছেন এক হাজার ৩০০ জনের চেয়েও বেশি মানুষ।

গাজার মোট দালানের ৪৫ থেকে ৫৬ শতাংশ ধ্বংস অথবা বড় আকারে ক্ষতির শিকার হয়েছে। গাজার ৩৬টি হাসপাতালের মধ্যে মাত্র ১৫টি আংশিকভাবে কার্যকর রয়েছে। বাকি ২১টির কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ আছে।

ব্যাপক আকারে ক্ষুধা ও অনাহারে ভুগছেন পাঁচ লাখ ৭৬ হাজার ৬০০ ফিলিস্তিনি। গাজার ৬৯ শতাংশেরও বেশি স্কুল ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

১৪২টি মসজিদ, ৩টি গির্জা ও ১২১টি অ্যাম্বুলেন্স ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। স্কুল থেকে ঝরে পড়েছে ছয় লাখ ২৫ হাজার শিক্ষার্থী।

ইসরাইলি আগ্রাসনে এখন পর্যন্ত ১৮ লাখ ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।  ইসরাইলের উত্তর ও দক্ষিণ সীমান্ত থেকে দুই লাখ ৪৯ হাজার ২৬৩ ইসরাইলি বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। পশ্চিম তীর থেকে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন এক হাজার ২০৮ ফিলিস্তিনি।