ঢাকা ০৬:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
আজকে কোন টিভি চ্যানেলে কোন খেলা আজকের নামাজের সময়সূচি: ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ দান করার পরও আজীবন বাবা-মায়ের ভোগদখল করার অধিকার দিয়ে ‘সম্পত্তি হস্তান্তর বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে পাস ইরানে আক্রমণ হলে হামলা তীব্রতর হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান আজকে কোন টিভি চ্যানেলে কোন খেলা আজকের নামাজের সময়সূচি: ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ আজকের নামাজের সময়সূচি: ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষের অধিকার আদায়ে ১১ দল আজ রাজপথে নেমেছে: ডা. শফিকুর রহমান ইরানের সুরক্ষিত ভূগর্ভস্থ পারমাণবিক স্থাপনা ‘পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন’-এ আঘাত হানবে মার্কিন বাহিনী: ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে ডিজেলের দাম সর্বকালের সর্বোচ্চ

জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে খেলাফত মজলিস

জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে খেলাফত মজলিস। শনিবার (২৫ জুলাই) সকালে রাজধানীর কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে দলের মজলিসে শূরা সদস্যদের এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

দলের নেতারা জানান, ১১ দলীয় ঐক্য ছিল মূলত একটি নির্বাচনী সমঝোতা। নির্বাচন শেষ হয়ে যাওয়ার মাধ্যমে এ ঐক্যের কার্যকারিতা বস্তুত শেষ হয়ে যায়। তবুও নির্বাচন শেষ হওয়ার পর ১১ দলীয় কিছু কর্মসূচিতে খেলাফত মজলিস অংশ নিয়েছিল। তবে এখন থেকে ১১ দলীয় ঐক্যের যাবতীয় কর্মসূচি থেকে খেলাফত মজলিস বিরত থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

ভবিষ্যতে দেশ, জাতি ও ইসলামের প্রয়োজনে বৃহত্তর ঐক্য গড়ে তোলার প্রয়াস ও প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে বলে জানান দলটির নেতারা। একই সঙ্গে জাতীয় সংসদে খেলাফত মজলিসের সংসদ সদস্য মুফতি আবুল হাসান বিরোধী দলীয় ভূমিকা পালন করবেন বলে জানানো হয়।

দলের আমির মাওলানা আব্দুল বাছিত আজাদের সভাপতিত্বে এবং মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদেরের সঞ্চালনায় মজলিসে শূরার তৃতীয় সাধারণ অধিবেশনে আরও উপস্থিত ছিলেন নায়েবে আমির মাওলানা সাখাওয়াত হোসাইন, মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী, অধ্যাপক আবদুল্লাহ ফরিদ, অধ্যাপক সিরাজুল হক, মাওলানা সাইয়্যেদ ফেরদাউস বিন ইসহাক, মুফতি আবদুল হামিদ; যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর হোসাইন, মুহাম্মদ মুনতাসির আলী, এবিএম সিরাজুল মামুন, ড. মোস্তাফিজুর রহমান ফয়সল, অধ্যাপক মো. আবদুল জলিল; সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান, মুফতি আবুল হাসানসহ অন্য নেতারা।

সরকারের সমালোচনা করে নেতারা বলেন, জুলাই সনদ ও গণভোটের পূর্ণাঙ্গ রায়কে পাশ কাটিয়ে সরকার সংবিধান সংশোধনের বিশেষ কমিটি গঠন করেছে। তারা গণরায়কে উপেক্ষা করে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় সংবিধান সংশোধন করতে চায়। অথচ জনগণ বিদ্যমান সংবিধানের এমন সংস্কার চায়, যার দ্বারা স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদ পুনঃপ্রতিষ্ঠার সব পথ চিরতরে রুদ্ধ হয়ে যাবে। জুলাই জাতীয় সনদ ও গণভোটের রায় পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন অত্যন্ত জরুরি।

গণভোটের রায়কে পাশ কাটানোর চেষ্টা করলে সরকার বিপদে পড়বে মন্তব্য করে তারা বলেন, সরকারকে জনরায়ের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সংসদে অবিলম্বে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন ও জুলাই সনদ পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নের জন্য কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। একই সঙ্গে জুলাই ও শাপলা গণহত্যাসহ ফ্যাসিবাদী অপশক্তির বিচার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে।

Tag :

আজকে কোন টিভি চ্যানেলে কোন খেলা

জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে খেলাফত মজলিস

Update Time : ০৮:৫৬:৪২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬

জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে খেলাফত মজলিস। শনিবার (২৫ জুলাই) সকালে রাজধানীর কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে দলের মজলিসে শূরা সদস্যদের এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

দলের নেতারা জানান, ১১ দলীয় ঐক্য ছিল মূলত একটি নির্বাচনী সমঝোতা। নির্বাচন শেষ হয়ে যাওয়ার মাধ্যমে এ ঐক্যের কার্যকারিতা বস্তুত শেষ হয়ে যায়। তবুও নির্বাচন শেষ হওয়ার পর ১১ দলীয় কিছু কর্মসূচিতে খেলাফত মজলিস অংশ নিয়েছিল। তবে এখন থেকে ১১ দলীয় ঐক্যের যাবতীয় কর্মসূচি থেকে খেলাফত মজলিস বিরত থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

ভবিষ্যতে দেশ, জাতি ও ইসলামের প্রয়োজনে বৃহত্তর ঐক্য গড়ে তোলার প্রয়াস ও প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে বলে জানান দলটির নেতারা। একই সঙ্গে জাতীয় সংসদে খেলাফত মজলিসের সংসদ সদস্য মুফতি আবুল হাসান বিরোধী দলীয় ভূমিকা পালন করবেন বলে জানানো হয়।

দলের আমির মাওলানা আব্দুল বাছিত আজাদের সভাপতিত্বে এবং মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদেরের সঞ্চালনায় মজলিসে শূরার তৃতীয় সাধারণ অধিবেশনে আরও উপস্থিত ছিলেন নায়েবে আমির মাওলানা সাখাওয়াত হোসাইন, মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী, অধ্যাপক আবদুল্লাহ ফরিদ, অধ্যাপক সিরাজুল হক, মাওলানা সাইয়্যেদ ফেরদাউস বিন ইসহাক, মুফতি আবদুল হামিদ; যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর হোসাইন, মুহাম্মদ মুনতাসির আলী, এবিএম সিরাজুল মামুন, ড. মোস্তাফিজুর রহমান ফয়সল, অধ্যাপক মো. আবদুল জলিল; সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান, মুফতি আবুল হাসানসহ অন্য নেতারা।

সরকারের সমালোচনা করে নেতারা বলেন, জুলাই সনদ ও গণভোটের পূর্ণাঙ্গ রায়কে পাশ কাটিয়ে সরকার সংবিধান সংশোধনের বিশেষ কমিটি গঠন করেছে। তারা গণরায়কে উপেক্ষা করে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় সংবিধান সংশোধন করতে চায়। অথচ জনগণ বিদ্যমান সংবিধানের এমন সংস্কার চায়, যার দ্বারা স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদ পুনঃপ্রতিষ্ঠার সব পথ চিরতরে রুদ্ধ হয়ে যাবে। জুলাই জাতীয় সনদ ও গণভোটের রায় পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন অত্যন্ত জরুরি।

গণভোটের রায়কে পাশ কাটানোর চেষ্টা করলে সরকার বিপদে পড়বে মন্তব্য করে তারা বলেন, সরকারকে জনরায়ের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সংসদে অবিলম্বে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন ও জুলাই সনদ পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নের জন্য কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। একই সঙ্গে জুলাই ও শাপলা গণহত্যাসহ ফ্যাসিবাদী অপশক্তির বিচার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে।