ঢাকা ০৪:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
ভিডিও বার্তায় কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে পাঁচ দফা দাবি তুলে ধরেন রাহুল গান্ধী ফ্রান্সের পার্লামেন্ট ১৫ বছরের কম বয়সীদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার নিষিদ্ধ করে একটি আইন পাস পাহাড়ি ঢল ও বৃষ্টিপাতে তিস্তা নদীর পানি আবারও বেড়ে বিপৎসীমার কাছাকাছি পৌঁছেছে টানা ১১তম রাতের মতো ইরানে বিমান হামলা চালানো হয়েছে: মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড এক নজরে বিশ্ব সংবাদ: ২১ জুলাই ২০২৬ আজকের নামাজের সময়সূচি: ২২ জুলাই ২০২৬ আজকে কোন টিভি চ্যানেলে কোন খেলা ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জড়ানোর কোনো আগ্রহ ইসরায়েলের নেই: দেশটির অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচ পারেদেসকে কোনো লাল কার্ড দেওয়া হয়নি, ফিফার ভুল স্বীকার মোদির বাসভবনের সামনে ‘ধরনা’: রাহুল, প্রিয়াঙ্কা ও অখিলেশ আটক

জামিন পেলেন ইনু, মেনন ও বিচারপতি মানিক

সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্যের অভিযোগে করা মানহানির মামলায় সাবেক সমাজকল্যাণ মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন, সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক ও সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনুর জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত।

আজ মঙ্গলবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রৌনক জাহান তাকির আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। ডিএমপির প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মিয়া মোহাম্মদ আশিস বিন হাছান এ তথ্য জানান।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, আসামি ইনুকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালতে হাজির করা হয়।

অপর দুই আসামি মেনন ও মানিককে হাজিরার জন্য আদালতে আনা হয়। শুনানি শেষে ইনুকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। পরে তিন আসামির পক্ষে তাদের আইনজীবীরা জামিন চেয়ে আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তাদের জামিন মঞ্জুর করেন।
গত ২১ জানুয়ারি এই মামলায় মেনন ও মানিককে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।এর আগে ২০২৪ সালের ২২ আগস্ট আইনজীবী জিয়াউল হক বাদী হয়ে আদালতে মানহানির মামলাটি দায়ের করেন। আদালত মামলাটি গ্রহণ করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্তের নির্দেশ দেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক ২০২২ সালের ৩ অক্টোবর একটি বেসরকারি টেলিভিশনের টক শোতে অংশ নিয়ে জিয়াউর রহমানকে ‘রাজাকার ও যুদ্ধাপরাধী’ হিসেবে উল্লেখ করেন।

এর আগেও ২০২১ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি একটি সেমিনারে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘জিয়াউর রহমান মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন না; তিনি মুক্তিযুদ্ধে অনুপ্রবেশকারী ছিলেন।’ ২০১৩ সালের ১৯ জুলাই ভিন্ন ভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে সাবেক মন্ত্রী হাসানুল হক ইনু ও রাশেদ খান মেনন জিয়াউর রহমানকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেন।

এ ছাড়া আসামিরা বিভিন্ন সময়ে জিয়া পরিবার সম্পর্কেও বিরূপ ও মানহানিকর বক্তব্য দিয়েছেন, যা মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

Tag :
জনপ্রিয়

ভিডিও বার্তায় কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে পাঁচ দফা দাবি তুলে ধরেন রাহুল গান্ধী

জামিন পেলেন ইনু, মেনন ও বিচারপতি মানিক

Update Time : ১২:০৭:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬
সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্যের অভিযোগে করা মানহানির মামলায় সাবেক সমাজকল্যাণ মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন, সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক ও সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনুর জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত।

আজ মঙ্গলবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রৌনক জাহান তাকির আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। ডিএমপির প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মিয়া মোহাম্মদ আশিস বিন হাছান এ তথ্য জানান।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, আসামি ইনুকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালতে হাজির করা হয়।

অপর দুই আসামি মেনন ও মানিককে হাজিরার জন্য আদালতে আনা হয়। শুনানি শেষে ইনুকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। পরে তিন আসামির পক্ষে তাদের আইনজীবীরা জামিন চেয়ে আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তাদের জামিন মঞ্জুর করেন।
গত ২১ জানুয়ারি এই মামলায় মেনন ও মানিককে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।এর আগে ২০২৪ সালের ২২ আগস্ট আইনজীবী জিয়াউল হক বাদী হয়ে আদালতে মানহানির মামলাটি দায়ের করেন। আদালত মামলাটি গ্রহণ করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্তের নির্দেশ দেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক ২০২২ সালের ৩ অক্টোবর একটি বেসরকারি টেলিভিশনের টক শোতে অংশ নিয়ে জিয়াউর রহমানকে ‘রাজাকার ও যুদ্ধাপরাধী’ হিসেবে উল্লেখ করেন।

এর আগেও ২০২১ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি একটি সেমিনারে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘জিয়াউর রহমান মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন না; তিনি মুক্তিযুদ্ধে অনুপ্রবেশকারী ছিলেন।’ ২০১৩ সালের ১৯ জুলাই ভিন্ন ভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে সাবেক মন্ত্রী হাসানুল হক ইনু ও রাশেদ খান মেনন জিয়াউর রহমানকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেন।

এ ছাড়া আসামিরা বিভিন্ন সময়ে জিয়া পরিবার সম্পর্কেও বিরূপ ও মানহানিকর বক্তব্য দিয়েছেন, যা মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।