ঢাকা ১২:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
সৌরবিদ্যুৎ ছাড়া চার্জ দিলে অটোরিকশার নিবন্ধন নয়, থাকছে জরিমানাও মার্কিন সেনাকে হত্যা বা আটক করলে ৩০ হাজার ডলার পুরস্কার ঘোষণা ইরানের ইরানের ওপর ট্রাম্প চাপিয়ে দিতে চান ‘নতুন যুদ্ধ’ ৩০ দিনের মধ্যে চিকিৎসকদের বায়োমেট্রিক চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর আগামী ৪৮ ঘণ্টা দেশের চার বিভাগে ভারি বৃষ্টিপাতের সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া অফিস ট্রাম্পের গাজা শান্তি পরিকল্পনা ইসরায়েল প্রত্যাখ্যান করায় এর তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ৮ মুসলিম দেশ আজকের নামাজের সময়সূচি: ১৭ আগস্ট ২০২৬ আজকে কোন টিভি চ্যানেলে কোন খেলা সরকারের ১৮০ দিন পূর্তি, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মতবিনিময় সভা আজ দেশে ভূমিকম্প অনুভূত

ট্রাম্পের গাজা শান্তি পরিকল্পনা ইসরায়েল প্রত্যাখ্যান করায় এর তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ৮ মুসলিম দেশ

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের গাজা শান্তি পরিকল্পনা ইসরায়েল প্রত্যাখ্যান করায় এর তীব্র নিন্দা জানিয়ে যৌথ বিবৃতি দিয়েছে ৮ মুসলিম দেশ।

সৌদি আরব, মিশর, জর্ডান, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই), কাতার, তুরস্ক, পাকিস্তান এবং ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা রোববার এই বিবৃতি দেন।

এতে বলা হয়, “ইসরায়েলের এই অবস্থান শান্তি পরিকল্পনায় সরাসরি অস্বীকৃতি জানানোর সমতুল্য। এতে এই পরিকল্পনার বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নস্যাৎ হচ্ছে এবং একটি ন্যায়সঙ্গত ও স্থায়ী শান্তি অর্জনের সম্মিলিত প্রচেষ্টা গোড়া থেকেই ক্ষুণ্ন হচ্ছে।

“এই ধরনের প্রত্যাখ্যানের মধ্য দিয়ে এটি নিশ্চিত হল যে, গাজা এবং বাদবাকী অধিকৃত ফিলিস্তিনি অঞ্চলে শান্তি আনার চেষ্টা বাধাগ্রস্ত করার জন্য এখন ইসরায়েলই দায়ী।”

গাজা নিয়ে ট্রাম্পের ‘বোর্ড অব পিস’-এর ১৫ দফা পরিকল্পনা গত সপ্তাহেই প্রত্যাখ্যান করেছে ইসরায়েল। ফিলিস্তিনের মুক্তিকামী গোষ্ঠী হামাস পুরোপুরি অস্ত্রসমর্পণ না করা পর্যন্ত গাজা থেকে সেনা প্রত্যাহার করা হবে না বলে জানান ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।

গত বছর ইসরায়েল ও হামাস উভয় পক্ষই এ পরিকল্পনায় সম্মতি জানিয়েছিল, যার সূচনা হয়েছিল যুদ্ধবিরতির মধ্য দিয়ে। এই শান্তি পরিকল্পনা তৈরি হয়েছে মধ্যস্থতাকারী দেশ মিশর, কাতার, তুরস্ক, যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের কঠোর পরিশ্রমের ফলে।

বিবৃতিতে ৮ মুসলিম দেশ বলেছে, “এই পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান করার মানে হল, শান্তি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পথে এগিয়ে যেতে ইসরায়েলের প্রকাশ্য অস্বীকৃতি। তাছাড়া, এটি গাজা যুদ্ধের অবসান ঘটানো এবং স্থায়ী শান্তির পরিবেশ তৈরিতে ট্রাম্পের প্রচেষ্টা বিপথগামী করার সরাসরি হুমকিস্বরূপও।”

দেশগুলোর মন্ত্রীরা শান্তি পরিকল্পনা এবং এর রোডম্যাপ অনুযায়ী ইসরায়েল যেন সব প্রতিশ্রুতি ও শর্ত মেনে চলে এবং আর কোনও বাধা সৃষ্টি করতে না পারে তা নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্রের টেকসই ও সক্রিয় ভূমিকার গুরুত্ব তুলে ধরেছেন।

শান্তি পরিকল্পনা অনবরত প্রত্যাখ্যান, বাধা দেওয়া, মেনে চলতে অস্বীকৃতি জানানো কিংবা বিলম্ব করা, মাঠ পর্যায়ে পরিস্থিতি অবনতি এবং গাজা যুদ্ধ অবসানে বিঘ্নসহ যে কোনও পরিণতির জন্য ইসরায়েল সরাসরি ও পরিপূর্ণভাবে দায়ী থাকবে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

Tag :

সৌরবিদ্যুৎ ছাড়া চার্জ দিলে অটোরিকশার নিবন্ধন নয়, থাকছে জরিমানাও

ট্রাম্পের গাজা শান্তি পরিকল্পনা ইসরায়েল প্রত্যাখ্যান করায় এর তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ৮ মুসলিম দেশ

Update Time : ০৫:১৪:৫৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের গাজা শান্তি পরিকল্পনা ইসরায়েল প্রত্যাখ্যান করায় এর তীব্র নিন্দা জানিয়ে যৌথ বিবৃতি দিয়েছে ৮ মুসলিম দেশ।

সৌদি আরব, মিশর, জর্ডান, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই), কাতার, তুরস্ক, পাকিস্তান এবং ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা রোববার এই বিবৃতি দেন।

এতে বলা হয়, “ইসরায়েলের এই অবস্থান শান্তি পরিকল্পনায় সরাসরি অস্বীকৃতি জানানোর সমতুল্য। এতে এই পরিকল্পনার বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নস্যাৎ হচ্ছে এবং একটি ন্যায়সঙ্গত ও স্থায়ী শান্তি অর্জনের সম্মিলিত প্রচেষ্টা গোড়া থেকেই ক্ষুণ্ন হচ্ছে।

“এই ধরনের প্রত্যাখ্যানের মধ্য দিয়ে এটি নিশ্চিত হল যে, গাজা এবং বাদবাকী অধিকৃত ফিলিস্তিনি অঞ্চলে শান্তি আনার চেষ্টা বাধাগ্রস্ত করার জন্য এখন ইসরায়েলই দায়ী।”

গাজা নিয়ে ট্রাম্পের ‘বোর্ড অব পিস’-এর ১৫ দফা পরিকল্পনা গত সপ্তাহেই প্রত্যাখ্যান করেছে ইসরায়েল। ফিলিস্তিনের মুক্তিকামী গোষ্ঠী হামাস পুরোপুরি অস্ত্রসমর্পণ না করা পর্যন্ত গাজা থেকে সেনা প্রত্যাহার করা হবে না বলে জানান ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।

গত বছর ইসরায়েল ও হামাস উভয় পক্ষই এ পরিকল্পনায় সম্মতি জানিয়েছিল, যার সূচনা হয়েছিল যুদ্ধবিরতির মধ্য দিয়ে। এই শান্তি পরিকল্পনা তৈরি হয়েছে মধ্যস্থতাকারী দেশ মিশর, কাতার, তুরস্ক, যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের কঠোর পরিশ্রমের ফলে।

বিবৃতিতে ৮ মুসলিম দেশ বলেছে, “এই পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান করার মানে হল, শান্তি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পথে এগিয়ে যেতে ইসরায়েলের প্রকাশ্য অস্বীকৃতি। তাছাড়া, এটি গাজা যুদ্ধের অবসান ঘটানো এবং স্থায়ী শান্তির পরিবেশ তৈরিতে ট্রাম্পের প্রচেষ্টা বিপথগামী করার সরাসরি হুমকিস্বরূপও।”

দেশগুলোর মন্ত্রীরা শান্তি পরিকল্পনা এবং এর রোডম্যাপ অনুযায়ী ইসরায়েল যেন সব প্রতিশ্রুতি ও শর্ত মেনে চলে এবং আর কোনও বাধা সৃষ্টি করতে না পারে তা নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্রের টেকসই ও সক্রিয় ভূমিকার গুরুত্ব তুলে ধরেছেন।

শান্তি পরিকল্পনা অনবরত প্রত্যাখ্যান, বাধা দেওয়া, মেনে চলতে অস্বীকৃতি জানানো কিংবা বিলম্ব করা, মাঠ পর্যায়ে পরিস্থিতি অবনতি এবং গাজা যুদ্ধ অবসানে বিঘ্নসহ যে কোনও পরিণতির জন্য ইসরায়েল সরাসরি ও পরিপূর্ণভাবে দায়ী থাকবে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।