দীর্ঘ ১৯ বছর ধরে দিল্লির ১২ তুঘলক রোডের বাংলোতে বসবাস করে আসছিলেন ভারতের প্রধান বিরোধী দলীয় এমপি রাহুল গান্ধী।
উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী মোদির পদবী নিয়ে এক মন্তব্যের জেরে সুরাট কোর্টে দায়ের হওয়া মামলায় রাহুল গান্ধীকে ২ বছরের কারাদণ্ডের সাজা দেওয়া হয়।
তারপরই তার এমপি পদ খারিজ হয়। এরপর তাকে সরকারি বাংলো খালি করতে বলা হয়। আর সেই নির্দেশ অনুযায়ী শনিবার এমপির বাংলো ছেড়ে দিলেন রাহুল গান্ধী।
৫২ বছর বয়সি কংগ্রেসের এই এমপি রাহুল গান্ধী দিল্লির ১২ তুঘলক রোডের বাড়িতে দীর্ঘ ১৯ বছর ধরে বসবাস করছিলেন।২২ এপ্রিল শনিবার বাংলো ছাড়ার পর রাহুল গান্ধী সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন।
প্রশ্ন ওঠে, নির্বাচন কমিশন যেখানে বলছে, যে মামলা কোর্টের অধীন, কোনও রায় আসেনি, ফলে রাহুলের কেন্দ্র কেরালার ওয়েনাদে উপনির্বাচনের তাড়া সেরকম নেই, সেখানে রাহুল গান্ধী নোটিসের একমাসের মধ্যেই এত তাড়াহুড়ো করে কেন ছাড়লেন বাংলো?
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে রাহুল গান্ধী বলেন, ‘ভারতের জনগণ এই বাংলো আমাকে দিয়েছে। আমি তাদের ধন্যবাদ জানাতে চাই। আমি যেকোনও মূল্য চোকাতে রাজি আছি।এটা সত্য বলার দাম। আমি সত্য কথা বলার জন্য যেকোনও দাম দিতে রাজি আছি।’
প্রশ্ন করা হয় এই বাংলো ছেড়ে রাহুল গান্ধী কোথায় গিয়ে বসবাস করবেন? তার জবাবে রাহুল বলেন, তিনি তার মা, দলের সাবেক সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধীর বাড়িতে থাকতে যাচ্ছেন।
এদিন এই বাংলো ছাড়ার সময় রাহুলকে সাহায্য করতে দেখা যায় বোন প্রিয়াঙ্কা ও মা সোনিয়া গান্ধীকে। উল্লেখ্য, ২২ এপ্রিলের মধ্যে এই বাংলো ছাড়ার জন্য ২৭ মার্চ নোটিস পাঠানো হয় রাহুল গান্ধীর কাছে।
আন্তজার্তিক ডেস্ক 
















