ঢাকা ১০:৫৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
বাজারজুড়েই সবজির পসরা; বেশিরভাগ সবজির গায়েই আগুন শারদীয় দুর্গোৎসব মহাষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে শুরু হচ্ছে আজ আজকে কোন টিভি চ্যানেলে কোন খেলা আজকের নামাজের সময়সূচি : ১৬ অক্টোবর ২০২৬ ফরিদপুরের শতবর্ষী ঐতিহ্যবাহী বাকীগঞ্জ ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসার প্রথম অ্যালামনাই কনফারেন্স আগামী ২৪ অক্টোবর ফরিদপুর জেলা পরিষদের ৬০ কিলোওয়াট সৌরবিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ শুরু ফেনীতে ১,৫৪২ কোটি টাকার মুহুরী-কহুয়া প্রকল্প উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর দেশে ফেরার রোডম্যাপ জানাবেন শেখ হাসিনা বাল্টিক অঞ্চলে উত্তেজনা বাড়ার মধ্যে ন্যাটোকে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের হুঁশিয়ারি দিয়েছে রাশিয়া আজকে কোন টিভি চ্যানেলে কোন খেলা

দেশব্যাপী কঠোরভাবে সর্বাত্মক লকডাউন বৃহস্পতিবার থেকে, মাঠে নামতে পারে সেনাবাহিনী

দেশব্যাপী কঠোরভাবে সর্বাত্মক লকডাউন বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হবে। ওই দিন থেকে সেনাবাহিনীও মাঠে নামতে পারে।

একটি সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার থেকে সেনাবাহিনী মাঠে নামতে পারে। ওই দিন থেকে ঢাকায় রিকশা ও জরুরি প্রয়োজন ছাড়া অন্য কোনো গণপরিবহন চলতে দেওয়া হবে না। দেশব্যাপী সব ধরনের যানবাহন বন্ধ থাকবে।

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন, করোনাভাইরাসের ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণ রোধে পরামর্শ কমিটি কঠোর বিধিনিষেধ জারির সুপারিশ করেছে। সেই আলোকে সারাদেশে এক সপ্তাহের লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। পরে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে সময় আরও বাড়ানো হতে পারে। মাঠ পর্যায়ে লকডাউন পালনে পুলিশের পাশাপাশি বিজিবি দায়িত্ব পালন করবে। প্রয়োজনে সেনাবাহিনীও নামতে পারে।

সেনাবাহিনীর একজন কর্মকর্তা জানান, সরকার চাইলে লকডাউনে মাঠে নামবে সেনাবাহিনী। গত বছরও লকডাউনে মাঠে ছিলেন সেনাবাহিনীর সদস্যরা। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রজ্ঞাপনের পর বিষয়টি পরিস্কার হবে।

একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, সোমবার থেকে কঠোর লকডাউনের ঘোষণা দেওয়া হলেও অর্থবছরের শেষ সময় হওয়ায় সিদ্ধান্তে কিছুটা পরিবর্তন আনা হয়েছে। মার্কেট, হোটেল, রেস্তোরাঁসহ কিছু কিছু ক্ষেত্রে সীমিত পরিসরে লকডাউন শুরু হবে। এই সময়ে কিছু কার্যক্রম চালু থাকবে। আর বৃহস্পতিবার থেকে সাত দিনের সর্বাত্মক লকডাউন শুরু হবে। লকডাউনে জরুরি সেবা ছাড়া বাকি সব কিছু বন্ধ হয়ে যাবে।

এর আগে গত শুক্রবার সরকারের এক তথ্য বিবরণীতে জানানো হয়েছিল, সোমবার থেকে সারাদেশে সাত দিনের কঠোর লকডাউন শুরু হবে। এই সময়ে সব ধরনের সরকারি-বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকবে। জরুরি পণ্যবাহী ছাড়া সব ধরনের গাড়ি চলাচল বন্ধ থাকবে। শুধু অ্যাম্বুলেন্স ও চিকিৎসাসংক্রান্ত কাজে যানবাহন চলাচল করতে পারবে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, আগেই অর্থবছর সমাপ্তির বিষয়টি মাথায় রাখা জরুরি ছিল। আর কঠোর লকডাউন বা শাটডাউনের সুপারিশ এসেছে মানুষের জীবন রক্ষার স্বার্থেই। বিষয়টি প্রশ্নবিদ্ধ করেছে সরকারের বিভিন্ন সংস্থার সমন্বয়হীনতা

Tag :
জনপ্রিয়

বাজারজুড়েই সবজির পসরা; বেশিরভাগ সবজির গায়েই আগুন

দেশব্যাপী কঠোরভাবে সর্বাত্মক লকডাউন বৃহস্পতিবার থেকে, মাঠে নামতে পারে সেনাবাহিনী

Update Time : ০৬:২৩:৩১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ জুন ২০২১

দেশব্যাপী কঠোরভাবে সর্বাত্মক লকডাউন বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হবে। ওই দিন থেকে সেনাবাহিনীও মাঠে নামতে পারে।

একটি সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার থেকে সেনাবাহিনী মাঠে নামতে পারে। ওই দিন থেকে ঢাকায় রিকশা ও জরুরি প্রয়োজন ছাড়া অন্য কোনো গণপরিবহন চলতে দেওয়া হবে না। দেশব্যাপী সব ধরনের যানবাহন বন্ধ থাকবে।

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন, করোনাভাইরাসের ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণ রোধে পরামর্শ কমিটি কঠোর বিধিনিষেধ জারির সুপারিশ করেছে। সেই আলোকে সারাদেশে এক সপ্তাহের লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। পরে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে সময় আরও বাড়ানো হতে পারে। মাঠ পর্যায়ে লকডাউন পালনে পুলিশের পাশাপাশি বিজিবি দায়িত্ব পালন করবে। প্রয়োজনে সেনাবাহিনীও নামতে পারে।

সেনাবাহিনীর একজন কর্মকর্তা জানান, সরকার চাইলে লকডাউনে মাঠে নামবে সেনাবাহিনী। গত বছরও লকডাউনে মাঠে ছিলেন সেনাবাহিনীর সদস্যরা। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রজ্ঞাপনের পর বিষয়টি পরিস্কার হবে।

একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, সোমবার থেকে কঠোর লকডাউনের ঘোষণা দেওয়া হলেও অর্থবছরের শেষ সময় হওয়ায় সিদ্ধান্তে কিছুটা পরিবর্তন আনা হয়েছে। মার্কেট, হোটেল, রেস্তোরাঁসহ কিছু কিছু ক্ষেত্রে সীমিত পরিসরে লকডাউন শুরু হবে। এই সময়ে কিছু কার্যক্রম চালু থাকবে। আর বৃহস্পতিবার থেকে সাত দিনের সর্বাত্মক লকডাউন শুরু হবে। লকডাউনে জরুরি সেবা ছাড়া বাকি সব কিছু বন্ধ হয়ে যাবে।

এর আগে গত শুক্রবার সরকারের এক তথ্য বিবরণীতে জানানো হয়েছিল, সোমবার থেকে সারাদেশে সাত দিনের কঠোর লকডাউন শুরু হবে। এই সময়ে সব ধরনের সরকারি-বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকবে। জরুরি পণ্যবাহী ছাড়া সব ধরনের গাড়ি চলাচল বন্ধ থাকবে। শুধু অ্যাম্বুলেন্স ও চিকিৎসাসংক্রান্ত কাজে যানবাহন চলাচল করতে পারবে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, আগেই অর্থবছর সমাপ্তির বিষয়টি মাথায় রাখা জরুরি ছিল। আর কঠোর লকডাউন বা শাটডাউনের সুপারিশ এসেছে মানুষের জীবন রক্ষার স্বার্থেই। বিষয়টি প্রশ্নবিদ্ধ করেছে সরকারের বিভিন্ন সংস্থার সমন্বয়হীনতা