স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, সোমবার সকাল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৫৩ হাজারের বেশি নমুনা পরীক্ষা করে ১৫ হাজার ৯৮৯ জনের মধ্যে করোনাভাইরাস সংক্রমণ ধরা পড়েছে। এই সময়ে মৃত্যু হয়েছে আরও ২৪৬ জনের।
নতুন রোগীদের নিয়ে দেশে এ পর্যন্ত শনাক্ত কোভিড রোগীর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১২ লাখ ৮০ হাজার ৩১৭ জন। তাদের মধ্যে ২১ হাজার ১৬২ জনের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে করোনাভাইরাস।
ঈদের ছুটির পর কঠোর লকডাউনের মধ্যেই গত ২৮ জুলাই দেশে করোনাভাইরাসে মৃত্যুর সংখ্যা ২০ হাজারের দুঃখজনক মাইলফলক পেরিয়ে গিয়েছিল। তা ২১ হাজারে পৌঁছাল মাত্র পাঁচ দিনে।
আগের দিন সারা দেশে ১৪ হাজার ৮৪৪ জন নতুন রোগী শনাক্ত এবং ২৩১ জনের মৃত্যুর খবর দিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সেই হিসাবে এক দিনে শনাক্ত ও মৃত্যু দুটোই বেড়েছে বেশ খানিকটা।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ১৫ হাজার ৪৮২ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ১১ লাখ ৮ হাজার ৭৪৭ জন। এ সময়ে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ৫৫ হাজার ৯৩৭ জনের। পরীক্ষা করা হয়েছে ৫৩ হাজার ৪৬২টি। নমুনা পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ২৯ দশমিক ৯১ শতাংশ। দেশে এ পর্যন্ত মোট নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৭৮ লাখ ৪৩ হাজার ৮৮৫টি। মোট পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ১৬ দশমিক ৩২ শতাংশ।
গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়াদের মধ্যে ঢাকা বিভাগেরই ৭৬ জন। এছাড়া চট্টগ্রামে ৬৪, রাজশাহীতে ২২, খুলনায় ৩০, বরিশালে ১৬, সিলেটে ১৪, রংপুরে ১৪ এবং ময়মনসিংহে ১০ জন মারা গেছেন। মারা যাওয়াদের মধ্যে ১৩৭ জন পুরুষ এবং ১০৯ জন নারী। এদের মধ্যে ১৫ জন বাসায় মারা গেছেন। ১ জনকে হাসপাতালে মৃত অবস্থায় আনা হয়েছে। বাকিরা হাসপাতালে মারা গেছেন। এ পর্যন্ত ভাইরাসটিতে মোট মারা যাওয়াদের মধ্যে পুরুষ ১৪ হাজার ২৭৯ জন এবং নারী ৬ হাজার ৮৮৩ জন।
বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়াদের মধ্যে ১২২ জনের বয়স ৬০ বছরের বেশি। এছাড়া ৫১ থেকে ৬০ বছরের ৭১, ৪১ থেকে ৫০ বছরের ৩৩, ৩১ থেকে ৪০ বছরের ১৩, ২১ থেকে ৩০ বছরের ৪, ১১ থেকে ২০ বছরের ১ এবং ১০ বছরের কমবয়সী ২ জন মারা গেছেন।
অনলাইন ডেস্ক 














