ঢাকা ১১:৪৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
মোটরসাইকেলের সামনে নম্বরপ্লেট বাধ্যতামূলক, সময় বেঁধে দিল বিআরটিএ বাজারজুড়েই সবজির পসরা; বেশিরভাগ সবজির গায়েই আগুন শারদীয় দুর্গোৎসব মহাষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে শুরু হচ্ছে আজ আজকে কোন টিভি চ্যানেলে কোন খেলা আজকের নামাজের সময়সূচি : ১৬ অক্টোবর ২০২৬ ফরিদপুরের শতবর্ষী ঐতিহ্যবাহী বাকীগঞ্জ ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসার প্রথম অ্যালামনাই কনফারেন্স আগামী ২৪ অক্টোবর ফরিদপুর জেলা পরিষদের ৬০ কিলোওয়াট সৌরবিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ শুরু ফেনীতে ১,৫৪২ কোটি টাকার মুহুরী-কহুয়া প্রকল্প উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর দেশে ফেরার রোডম্যাপ জানাবেন শেখ হাসিনা বাল্টিক অঞ্চলে উত্তেজনা বাড়ার মধ্যে ন্যাটোকে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের হুঁশিয়ারি দিয়েছে রাশিয়া

দ্বিতীয় ওয়ানডেতে শ্রীলঙ্কাকে ১৬ রানে হারিয়ে সিরিজে সমতা ফেরাল বাংলাদেশ

সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে লক্ষ্য তাড়ায় দারুণ শুরু করেছিল বাংলাদেশ। তবে হঠাৎ ধস নামে টাইগার ব্যাটিং লাইনআপে। আজ কলম্বোতে লক্ষ্য তাড়ায় উড়ন্ত শুরু পায় শ্রীলঙ্কা। তবে মিডল অর্ডারে ধস নামে। এরপর আর ফিরতে পারেনি লঙ্কানরা। প্রথম ওয়ানডেতে এগিয়ে থেকে হারার পর এবার পিছিয়ে থেকেও ফেরার গল্প লিখল বাংলাদেশ। ১৬ রানের জয়ে সিরিজে সমতা ফিরিয়েছে বাংলাদেশ।

কলম্বোতে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ৪৫ ওভার ৫ বলে সবকটি উইকেট হারিয়ে ২৪৮ রান করেছিল বাংলাদেশ। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৬৭ রান করেন ওপেনার পারভেজ হোসেন ইমন। জবাবে খেলতে নেমে ৪৮ ওভার ৫ বলে সবকটি উইকেট হারিয়ে ২৩২ রানের বেশি করতে পারেনি লঙ্কানরা।

টসে জিতে আগে ব্যাট করে ৪৫.৫ ওভারে ২৪৮ রান তুলে বাংলাদেশ। জবাবে শ্রীলঙ্কা ইনিংস শেষ করে ৪৮.৫ ওভারে ২৩২ রানে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রথমবার ৫ উইকেটের দেখা পান তানভীর।

লক্ষ্য তাড়ায় দ্বিতীয় ওভারেই পাথুম নিশানকার (৫) উইকেট হারায় লঙ্কানরা। তবে একাই ইনিংস এগিয়ে নিতে থাকেন কুশল মেন্ডিস। নিশান মাদুষ্কাকে একপ্রকার দর্শক বানিয়ে রান বাড়াতে থাকেন তিনি।

দ্বিতীয় উইকেট জুটির ৪৪ বলে ৬৯ রানের মাঝে কুশালের ব্যাটেই রান ২৫ বলে ৫৩। নিশান আউট হন ২৪ বলে ১৭ রান করে। এরপর ১১.৫ ওভারে কুশালকে এলবিডব্লুর ফাঁদে ফেলেন তানভীর।

আগের ওভারেই ১৭ রান দেয়া তানভীর, দারুণ প্রত্যাবর্তন করেন এই ওভারে। মাত্র ১ রান দিয়ে ফেরান কুশালকে। ফেরার আগে কুশালের ব্যাটে আসে ৩১ বলে ৫৬ রান। মেন্ডিস ফিরতেই ধস নামে লঙ্কানদের ইনিংসে।

দলীয় ৯৯ রানে আগের ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান চারিথ আসালাঙ্কাকে ফেরান শামীম পাটোয়ারী। ১৭ বলে মাত্র ৬ রান করেন লঙ্কান অধিনায়ক। যদিও কামিন্দু মেন্ডিস থিতু হবার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন।

৫১ বলে ৩৩ রান নিয়ে তানভীরের শিকার হন তিনি। এরপর ১০ বলে ১ রান করে তানভীরেরই শিকার হয়ে ফেরেন দুনিথ ভেল্লালেগেও। ২৯.৪ ওভারে ১৩২ রানে ৬ উইকেট হারায় শ্রীলঙ্কা।

সেখান থেকে দলকে টানেন জেনিথ লিয়ানগে ও ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা। হাসারাঙ্গাকে ১৩ রানেই থামিয়ে দেন মেহেদী মিরাজ। এরপর থিকসানাকে (২) ফিরিয়ে ৫ উইকেটের মাইলফলক স্পর্শ করেন তানভীর।

৩৮.৩ ওভারে ১৭০ রানে শ্রীলঙ্কার ৮ উইকেট তুলে নিয়ে বাংলাদেশ যখন জয়ের স্বপ্নে বিভোর, তখন জ্বলে উঠেন লিয়ানগে। ৭৫ বলে ৫০ পূর্ণ করে রান বাড়ানোর দিকে মন দেন তিনি। হয়ে উঠেন আগ্রাসী।

একটা সময় কাঁপিয়ে দেন বাংলাদেশকে, তবে শেষ রক্ষা হয়নি। যখন জয়ের জন্য ১৬ বলে প্রয়োজন ২১ রান, তখন মোস্তাফিজের বলে তাকেই ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি। শেষ হয় তার ৮৫ বলে ৭৮ রানের লড়াই।

এরপর ৪৮.৫ ওভারে ৩১ বলে ১৩ রান করা চামিরাকে বোল্ড করে জয় নিশ্চিত করেন তানজিম সাকিব। সব মিলিয়ে জোড়া উইকেট নেন তিনি। তবে জয়ের নায়ক তানভীর, ৩৯ রানে ৫ উইকেট নেন তিনি।

এর আগে ব্যাট হাতে তিন অংকে পৌঁছানোর আগেই জোড়া উইকেট হারালেও শুরুটা ভালোই পেয়েছিল বাংলাদেশ। ১৬ ওভারেই আসে দলীয় সেঞ্চুরি। পারভেজ ইমন তুলে নেন ফিফটি।

তবে ইমনকে ফিরিয়েই বড় ধাক্কা দেন হাসারাঙ্গা। ফেরার আগে দারুণ ব্যাট করছিলেন পারভেজ ইমন। বলের সাথে পাল্লা দিয়ে করছিলেন রান। মাত্র ৪৬ বলে পূরণ করেন ফিফটি। ৬৯ বলে ৬৭ করে আউট হন তিনি

অবশ্য ইমনকে রেখে ২.৩ ওভারেই ফেরেন আরেক ওপেনার তানজিদ তামিম। ১০ রানেই থামে উদ্বোধনী জুটি। ১১ বলে ৭ রান করে আসিথা ফার্নান্দোর বলে উইকেট কিপারকে ক্যাচ দেন তিনি।

এরপর থিতু হয়েও ইনিংস বড় করতে না পারার হতাশা নিয়ে ফেরেন নাজমুল হোসেন শান্ত। ১৯ বলে ১৪ রান করে আসালাঙ্কার শিকার হন তিনি। তবে চারে নামা হৃদয়কে নিয়ে স্কোর তিন অংকে পৌঁছান তামিম।

তামিম ফেরার পর অধিনায়ক মেহেদী মিরাজ মাঠে আসেন, তবে তিনি দায়িত্ব নিতে পারেননি। ১০ বলে ৯ রানেই থামেন। শামীম অবশ্য থিতু হয়েছিলেন, কিন্তু ২৩ বলে ২২ রানেই শেষ হয় তার ইনিংস।

তবে এরপর দলের হাল ধরেন হৃদয় ও জাকের। দেখেশুনেই ব্যাট করছেন দু’জনে। ৪৫ রানের জুটি গড়ে উঠে তাদের মাঝে। তবে আসিথা আর বড় হতে দেননি যুগলবন্দী। থামান ৪০ বলে ২৪ করা জাকেরকে।

অন্যদিকে এক প্রান্ত আগলে রেখে ৬৮ বলে পঞ্চাশ স্পর্শ করেন তাওহীদ হৃদয়। কিন্তু পরের ওভারে রান আউট হয়ে যান তিনি। তানজিম সাকিবে সাথে ভুল বুঝাবুঝিতে থামতে হয় তাকে। স্কোর ২১২/৭।

তাতে আড়াই শ’ রানের সংগ্রহ পাবার স্বপ্ন মলিন হয়ে যায়। তবে সাকিব তার চেষ্টা করেন। যদিও অপরপ্রান্ত থেকে সহায়তা না পাওয়ায় আড়াই শ’ পূর্ণ করতে পারেননি, তবে ২৪৮ রান পর্যন্ত নিয়ে দেন দলকে।

২টি করে চার-ছক্কায় ২১ বলে ৩৩ রানে অপরাজিত থাকেন তানজিম সাকিব। শ্রীলঙ্কার পক্ষে আসিথা ফার্নান্দো নেন ৪ উইকেট। হাসারাঙ্গার শিকার ৩টি।

Tag :
জনপ্রিয়

মোটরসাইকেলের সামনে নম্বরপ্লেট বাধ্যতামূলক, সময় বেঁধে দিল বিআরটিএ

দ্বিতীয় ওয়ানডেতে শ্রীলঙ্কাকে ১৬ রানে হারিয়ে সিরিজে সমতা ফেরাল বাংলাদেশ

Update Time : ০৫:০৬:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ জুলাই ২০২৫

সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে লক্ষ্য তাড়ায় দারুণ শুরু করেছিল বাংলাদেশ। তবে হঠাৎ ধস নামে টাইগার ব্যাটিং লাইনআপে। আজ কলম্বোতে লক্ষ্য তাড়ায় উড়ন্ত শুরু পায় শ্রীলঙ্কা। তবে মিডল অর্ডারে ধস নামে। এরপর আর ফিরতে পারেনি লঙ্কানরা। প্রথম ওয়ানডেতে এগিয়ে থেকে হারার পর এবার পিছিয়ে থেকেও ফেরার গল্প লিখল বাংলাদেশ। ১৬ রানের জয়ে সিরিজে সমতা ফিরিয়েছে বাংলাদেশ।

কলম্বোতে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ৪৫ ওভার ৫ বলে সবকটি উইকেট হারিয়ে ২৪৮ রান করেছিল বাংলাদেশ। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৬৭ রান করেন ওপেনার পারভেজ হোসেন ইমন। জবাবে খেলতে নেমে ৪৮ ওভার ৫ বলে সবকটি উইকেট হারিয়ে ২৩২ রানের বেশি করতে পারেনি লঙ্কানরা।

টসে জিতে আগে ব্যাট করে ৪৫.৫ ওভারে ২৪৮ রান তুলে বাংলাদেশ। জবাবে শ্রীলঙ্কা ইনিংস শেষ করে ৪৮.৫ ওভারে ২৩২ রানে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রথমবার ৫ উইকেটের দেখা পান তানভীর।

লক্ষ্য তাড়ায় দ্বিতীয় ওভারেই পাথুম নিশানকার (৫) উইকেট হারায় লঙ্কানরা। তবে একাই ইনিংস এগিয়ে নিতে থাকেন কুশল মেন্ডিস। নিশান মাদুষ্কাকে একপ্রকার দর্শক বানিয়ে রান বাড়াতে থাকেন তিনি।

দ্বিতীয় উইকেট জুটির ৪৪ বলে ৬৯ রানের মাঝে কুশালের ব্যাটেই রান ২৫ বলে ৫৩। নিশান আউট হন ২৪ বলে ১৭ রান করে। এরপর ১১.৫ ওভারে কুশালকে এলবিডব্লুর ফাঁদে ফেলেন তানভীর।

আগের ওভারেই ১৭ রান দেয়া তানভীর, দারুণ প্রত্যাবর্তন করেন এই ওভারে। মাত্র ১ রান দিয়ে ফেরান কুশালকে। ফেরার আগে কুশালের ব্যাটে আসে ৩১ বলে ৫৬ রান। মেন্ডিস ফিরতেই ধস নামে লঙ্কানদের ইনিংসে।

দলীয় ৯৯ রানে আগের ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান চারিথ আসালাঙ্কাকে ফেরান শামীম পাটোয়ারী। ১৭ বলে মাত্র ৬ রান করেন লঙ্কান অধিনায়ক। যদিও কামিন্দু মেন্ডিস থিতু হবার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন।

৫১ বলে ৩৩ রান নিয়ে তানভীরের শিকার হন তিনি। এরপর ১০ বলে ১ রান করে তানভীরেরই শিকার হয়ে ফেরেন দুনিথ ভেল্লালেগেও। ২৯.৪ ওভারে ১৩২ রানে ৬ উইকেট হারায় শ্রীলঙ্কা।

সেখান থেকে দলকে টানেন জেনিথ লিয়ানগে ও ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা। হাসারাঙ্গাকে ১৩ রানেই থামিয়ে দেন মেহেদী মিরাজ। এরপর থিকসানাকে (২) ফিরিয়ে ৫ উইকেটের মাইলফলক স্পর্শ করেন তানভীর।

৩৮.৩ ওভারে ১৭০ রানে শ্রীলঙ্কার ৮ উইকেট তুলে নিয়ে বাংলাদেশ যখন জয়ের স্বপ্নে বিভোর, তখন জ্বলে উঠেন লিয়ানগে। ৭৫ বলে ৫০ পূর্ণ করে রান বাড়ানোর দিকে মন দেন তিনি। হয়ে উঠেন আগ্রাসী।

একটা সময় কাঁপিয়ে দেন বাংলাদেশকে, তবে শেষ রক্ষা হয়নি। যখন জয়ের জন্য ১৬ বলে প্রয়োজন ২১ রান, তখন মোস্তাফিজের বলে তাকেই ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি। শেষ হয় তার ৮৫ বলে ৭৮ রানের লড়াই।

এরপর ৪৮.৫ ওভারে ৩১ বলে ১৩ রান করা চামিরাকে বোল্ড করে জয় নিশ্চিত করেন তানজিম সাকিব। সব মিলিয়ে জোড়া উইকেট নেন তিনি। তবে জয়ের নায়ক তানভীর, ৩৯ রানে ৫ উইকেট নেন তিনি।

এর আগে ব্যাট হাতে তিন অংকে পৌঁছানোর আগেই জোড়া উইকেট হারালেও শুরুটা ভালোই পেয়েছিল বাংলাদেশ। ১৬ ওভারেই আসে দলীয় সেঞ্চুরি। পারভেজ ইমন তুলে নেন ফিফটি।

তবে ইমনকে ফিরিয়েই বড় ধাক্কা দেন হাসারাঙ্গা। ফেরার আগে দারুণ ব্যাট করছিলেন পারভেজ ইমন। বলের সাথে পাল্লা দিয়ে করছিলেন রান। মাত্র ৪৬ বলে পূরণ করেন ফিফটি। ৬৯ বলে ৬৭ করে আউট হন তিনি

অবশ্য ইমনকে রেখে ২.৩ ওভারেই ফেরেন আরেক ওপেনার তানজিদ তামিম। ১০ রানেই থামে উদ্বোধনী জুটি। ১১ বলে ৭ রান করে আসিথা ফার্নান্দোর বলে উইকেট কিপারকে ক্যাচ দেন তিনি।

এরপর থিতু হয়েও ইনিংস বড় করতে না পারার হতাশা নিয়ে ফেরেন নাজমুল হোসেন শান্ত। ১৯ বলে ১৪ রান করে আসালাঙ্কার শিকার হন তিনি। তবে চারে নামা হৃদয়কে নিয়ে স্কোর তিন অংকে পৌঁছান তামিম।

তামিম ফেরার পর অধিনায়ক মেহেদী মিরাজ মাঠে আসেন, তবে তিনি দায়িত্ব নিতে পারেননি। ১০ বলে ৯ রানেই থামেন। শামীম অবশ্য থিতু হয়েছিলেন, কিন্তু ২৩ বলে ২২ রানেই শেষ হয় তার ইনিংস।

তবে এরপর দলের হাল ধরেন হৃদয় ও জাকের। দেখেশুনেই ব্যাট করছেন দু’জনে। ৪৫ রানের জুটি গড়ে উঠে তাদের মাঝে। তবে আসিথা আর বড় হতে দেননি যুগলবন্দী। থামান ৪০ বলে ২৪ করা জাকেরকে।

অন্যদিকে এক প্রান্ত আগলে রেখে ৬৮ বলে পঞ্চাশ স্পর্শ করেন তাওহীদ হৃদয়। কিন্তু পরের ওভারে রান আউট হয়ে যান তিনি। তানজিম সাকিবে সাথে ভুল বুঝাবুঝিতে থামতে হয় তাকে। স্কোর ২১২/৭।

তাতে আড়াই শ’ রানের সংগ্রহ পাবার স্বপ্ন মলিন হয়ে যায়। তবে সাকিব তার চেষ্টা করেন। যদিও অপরপ্রান্ত থেকে সহায়তা না পাওয়ায় আড়াই শ’ পূর্ণ করতে পারেননি, তবে ২৪৮ রান পর্যন্ত নিয়ে দেন দলকে।

২টি করে চার-ছক্কায় ২১ বলে ৩৩ রানে অপরাজিত থাকেন তানজিম সাকিব। শ্রীলঙ্কার পক্ষে আসিথা ফার্নান্দো নেন ৪ উইকেট। হাসারাঙ্গার শিকার ৩টি।