ঢাকা ০২:৫৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন পে স্কেলের প্রস্তাব মন্ত্রিসভার বৈঠকে উঠতে যাচ্ছে ড্যাবের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী একদিনের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও বাড়লো স্বর্ণের দাম আজকে কোন টিভি চ্যানেলে কোন খেলা আজকের নামাজের সময়সূচি: ৮ আগস্ট ২০২৬ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: ডাকা হচ্ছে সংসদের বিশেষ অধিবেশন সিলেট ও বগুড়ায় বাস দুর্ঘটনায় নিহত ১৭, আহত ৫০ সৌদি আরব উত্তর ও দক্ষিণ দিক থেকে একযোগে বড় ধরনের সমন্বিত হামলার আশঙ্কা করছে দেশের কয়েকটি অঞ্চলে ভারি বর্ষণের সতর্কবার্তা, ১০ জেলায় বন্যার পূর্বাভাস থাইল্যান্ডের স্কুলে ১৪ বছরের শিক্ষার্থীর গুলিতে নিহত অন্তত ৬, আহত ১৫ জন

নেতানিয়াহুকে মেরে ‘শহীদ’ হতে চেয়েছিলেন বৃদ্ধা, তার আগেই গ্রেপ্তার

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে রকেট লাঞ্চার দিয়ে হত্যা পরিকল্পনার অভিযোগে ৭৩ বছর বয়সী এক বৃদ্ধাকে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির পুলিশ। সম্প্রতি কঠিন রোগে আক্রান্ত ওই ইসরায়েলি নারীকে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযুক্ত করেছে প্রসিকিউশন।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ওই নারী টার্মিনালি অসুস্থ। অর্থাৎ ব্যক্তি এমন একটি মারাত্মক ও চূড়ান্ত পর্যায়ের রোগে আক্রান্ত, যার আর কোনো নিরাময় বা চিকিৎসা নেই। এর কারণে রোগীর মৃত্যু অবধারিত হয়ে উঠেছে। সাধারণত এ ধরনের অসুস্থতায় ডাক্তাররা রোগীর আয়ুষ্কালের একটা আনুমানিক সময় দেন, যেমন কয়েক মাস বা এক বছরের মধ্যে রোগী মারা যেতে পারেন।
তেল আবিবের বাসিন্দা এই নারী একজন সরকারবিরোধী কর্মী বলে জানানো হয়েছে। নাম প্রকাশ না করলেও অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, অসুস্থতার খবর জানার পর প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। তার ভাষায়, নিজের জীবন ‘উৎসর্গ’ করে বর্তমান সরকার থেকে ইসরায়েলকে ‘বাঁচাতে’ চান তিনি।
অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি এক সহকর্মীকে পরিকল্পনার কথা জানান এবং একটি রকেটচালিত গ্রেনেড কেনার ব্যাপারে সাহায্য চান। একই সঙ্গে নেতানিয়াহুর চলাফেরা, কর্মসূচি ও নিরাপত্তা বিষয়ে তথ্য সংগ্রহেও ওই সহকর্মীর সহায়তা চান।
তবে ওই ব্যক্তি তার প্রস্তাবে রাজি না হয়ে তাকে নিবৃত্ত করার চেষ্টা করেন। পরে যখন বোঝেন যে তিনি থামছেন না, তখনই তিনি কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানান। এর ভিত্তিতেই বৃদ্ধাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
প্রসিকিউশন জানিয়েছে, ওই নারী এখনো বিপজ্জনক হতে পারেন। কারণ, তিনি ‘শহীদ’ হতে রাজি বলেও দাবি করেছেন। তাই তাকে গৃহবন্দি রাখার আবেদন করেছে তারা।
এর আগে ২০২৪ সালেও এক ইসরায়েলি পুরুষ সামাজিকমাধ্যমে নেতানিয়াহুকে হত্যার হুমকি দেওয়ার পর গ্রেপ্তার হন।
ইসরায়েলে রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা বিরল নয়। ১৯৯৫ সালে প্রধানমন্ত্রী ইৎসহাক রবিনকে হত্যা করে এক উগ্র-ডানপন্থি ইসরায়েলি, কারণ তিনি ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে অসলো শান্তি চুক্তির পক্ষে ছিলেন।
সূত্র: খালিজ টাইমস।
Tag :

সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন পে স্কেলের প্রস্তাব মন্ত্রিসভার বৈঠকে উঠতে যাচ্ছে

নেতানিয়াহুকে মেরে ‘শহীদ’ হতে চেয়েছিলেন বৃদ্ধা, তার আগেই গ্রেপ্তার

Update Time : ১২:৩০:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ জুলাই ২০২৫
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে রকেট লাঞ্চার দিয়ে হত্যা পরিকল্পনার অভিযোগে ৭৩ বছর বয়সী এক বৃদ্ধাকে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির পুলিশ। সম্প্রতি কঠিন রোগে আক্রান্ত ওই ইসরায়েলি নারীকে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযুক্ত করেছে প্রসিকিউশন।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ওই নারী টার্মিনালি অসুস্থ। অর্থাৎ ব্যক্তি এমন একটি মারাত্মক ও চূড়ান্ত পর্যায়ের রোগে আক্রান্ত, যার আর কোনো নিরাময় বা চিকিৎসা নেই। এর কারণে রোগীর মৃত্যু অবধারিত হয়ে উঠেছে। সাধারণত এ ধরনের অসুস্থতায় ডাক্তাররা রোগীর আয়ুষ্কালের একটা আনুমানিক সময় দেন, যেমন কয়েক মাস বা এক বছরের মধ্যে রোগী মারা যেতে পারেন।
তেল আবিবের বাসিন্দা এই নারী একজন সরকারবিরোধী কর্মী বলে জানানো হয়েছে। নাম প্রকাশ না করলেও অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, অসুস্থতার খবর জানার পর প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। তার ভাষায়, নিজের জীবন ‘উৎসর্গ’ করে বর্তমান সরকার থেকে ইসরায়েলকে ‘বাঁচাতে’ চান তিনি।
অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি এক সহকর্মীকে পরিকল্পনার কথা জানান এবং একটি রকেটচালিত গ্রেনেড কেনার ব্যাপারে সাহায্য চান। একই সঙ্গে নেতানিয়াহুর চলাফেরা, কর্মসূচি ও নিরাপত্তা বিষয়ে তথ্য সংগ্রহেও ওই সহকর্মীর সহায়তা চান।
তবে ওই ব্যক্তি তার প্রস্তাবে রাজি না হয়ে তাকে নিবৃত্ত করার চেষ্টা করেন। পরে যখন বোঝেন যে তিনি থামছেন না, তখনই তিনি কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানান। এর ভিত্তিতেই বৃদ্ধাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
প্রসিকিউশন জানিয়েছে, ওই নারী এখনো বিপজ্জনক হতে পারেন। কারণ, তিনি ‘শহীদ’ হতে রাজি বলেও দাবি করেছেন। তাই তাকে গৃহবন্দি রাখার আবেদন করেছে তারা।
এর আগে ২০২৪ সালেও এক ইসরায়েলি পুরুষ সামাজিকমাধ্যমে নেতানিয়াহুকে হত্যার হুমকি দেওয়ার পর গ্রেপ্তার হন।
ইসরায়েলে রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা বিরল নয়। ১৯৯৫ সালে প্রধানমন্ত্রী ইৎসহাক রবিনকে হত্যা করে এক উগ্র-ডানপন্থি ইসরায়েলি, কারণ তিনি ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে অসলো শান্তি চুক্তির পক্ষে ছিলেন।
সূত্র: খালিজ টাইমস।