ঢাকা ০৬:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পশ্চিম তীরে আরও ২২টি নতুন ইহুদি বসতি গঠনের অনুমোদন দিয়েছে ইসরাইলি সরকার

নিষেধাজ্ঞা আরোপের হুঁশিয়ারি সত্ত্বেও ইসরাইলি সরকার ফিলিস্তিনের দখলকৃত পশ্চিম তীরে আরও ২২টি নতুন ইহুদি বসতি গঠনের অনুমোদন দিয়েছে। দেশটির অর্থমন্ত্রী ও চরমপন্থি নেতা বেজালেল স্মোটরিচ বৃহস্পতিবার এ ঘোষণা দেন।

সিদ্ধান্তটি এমন এক সময়ে এলো, যখন ইউরোপের একাধিক দেশ পশ্চিম তীরে বসতি সম্প্রসারণ বন্ধ না হলে নিষেধাজ্ঞা আরোপের হুঁশিয়ারি দিয়েছে। খবর রয়টার্সের।

স্মোটরিচ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানান, নতুন এই বসতিগুলো হবে উত্তর পশ্চিম তীরে। যদিও সুনির্দিষ্ট অবস্থান জানাননি তিনি।

তা সত্ত্বেও ইসরাইলের কট্টরপন্থি ইয়েশা কাউন্সিলের প্রধান ইসরাইল গাঞ্জ এ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, ‘ঐতিহাসিক এই সিদ্ধান্ত স্পষ্ট বার্তা দেয় যে—আমরা শুধু থেকে যেতে চাই না, বরং এখানেই ইসরাইল রাষ্ট্রকে আরও শক্তিশালী করতে চাই’।

ইসরাইলি গণমাধ্যমের বরাতে রয়টার্স জানিয়েছে, এই বসতিগুলোর মধ্যে কিছু অবৈধ আউটপোস্টকে বৈধ করা হবে। আবার কিছু নতুনভাবে নির্মাণ করা হবে।

এদিকে পশ্চিমা-সমর্থিত ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ ও গাজা-ভিত্তিক সংগঠন হামাস— দু’পক্ষই দখলদার ইসরাইলের এ সিদ্ধান্তের কঠোর নিন্দা জানিয়েছে।

ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের মুখপাত্র নাবিল আবু রুদেইনাহ অভিযোগের সুরে বলেন, ‘এটি একটি বিপজ্জনক উসকানি। এই উগ্র কট্টরপন্থি ইসরাইলি সরকার স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের সব পথ রুদ্ধ করার চেষ্টা করছে’।

তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের প্রতি হস্তক্ষেপের আহ্বান জানান।

অন্যদিকে হামাস নেতা সামি আবু জুহরি ইসরাইলের এহেন সিদ্ধান্তকে ‘নেতানিয়াহুর নেতৃত্বে ফিলিস্তিনি জনগণের বিরুদ্ধে যুদ্ধের অংশ’ বলে অভিহিত করেছেন।

Tag :

পশ্চিম তীরে আরও ২২টি নতুন ইহুদি বসতি গঠনের অনুমোদন দিয়েছে ইসরাইলি সরকার

Update Time : ০২:৫৮:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ মে ২০২৫

নিষেধাজ্ঞা আরোপের হুঁশিয়ারি সত্ত্বেও ইসরাইলি সরকার ফিলিস্তিনের দখলকৃত পশ্চিম তীরে আরও ২২টি নতুন ইহুদি বসতি গঠনের অনুমোদন দিয়েছে। দেশটির অর্থমন্ত্রী ও চরমপন্থি নেতা বেজালেল স্মোটরিচ বৃহস্পতিবার এ ঘোষণা দেন।

সিদ্ধান্তটি এমন এক সময়ে এলো, যখন ইউরোপের একাধিক দেশ পশ্চিম তীরে বসতি সম্প্রসারণ বন্ধ না হলে নিষেধাজ্ঞা আরোপের হুঁশিয়ারি দিয়েছে। খবর রয়টার্সের।

স্মোটরিচ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানান, নতুন এই বসতিগুলো হবে উত্তর পশ্চিম তীরে। যদিও সুনির্দিষ্ট অবস্থান জানাননি তিনি।

তা সত্ত্বেও ইসরাইলের কট্টরপন্থি ইয়েশা কাউন্সিলের প্রধান ইসরাইল গাঞ্জ এ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, ‘ঐতিহাসিক এই সিদ্ধান্ত স্পষ্ট বার্তা দেয় যে—আমরা শুধু থেকে যেতে চাই না, বরং এখানেই ইসরাইল রাষ্ট্রকে আরও শক্তিশালী করতে চাই’।

ইসরাইলি গণমাধ্যমের বরাতে রয়টার্স জানিয়েছে, এই বসতিগুলোর মধ্যে কিছু অবৈধ আউটপোস্টকে বৈধ করা হবে। আবার কিছু নতুনভাবে নির্মাণ করা হবে।

এদিকে পশ্চিমা-সমর্থিত ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ ও গাজা-ভিত্তিক সংগঠন হামাস— দু’পক্ষই দখলদার ইসরাইলের এ সিদ্ধান্তের কঠোর নিন্দা জানিয়েছে।

ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের মুখপাত্র নাবিল আবু রুদেইনাহ অভিযোগের সুরে বলেন, ‘এটি একটি বিপজ্জনক উসকানি। এই উগ্র কট্টরপন্থি ইসরাইলি সরকার স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের সব পথ রুদ্ধ করার চেষ্টা করছে’।

তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের প্রতি হস্তক্ষেপের আহ্বান জানান।

অন্যদিকে হামাস নেতা সামি আবু জুহরি ইসরাইলের এহেন সিদ্ধান্তকে ‘নেতানিয়াহুর নেতৃত্বে ফিলিস্তিনি জনগণের বিরুদ্ধে যুদ্ধের অংশ’ বলে অভিহিত করেছেন।