পাকিস্তানের পেশোয়ারে একটি মসজিদে নামাজরত পুলিশ সদস্যদের লক্ষ্য করে চালানো বোমা হামলার ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৫৯ জনে দাঁড়িয়েছে। গুরুতর আহত হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন আরও দেড় শতাধিক। হাসপাতাল কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে আল জাজিরা।
সোমবার (৩০ জানুয়ারি) রাতে হামলার দায় স্বীকার করে বিবৃতি দিয়েছে তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি)। এরআগে ওইদিন দুপুরে পেশোয়ারের পুলিশ লাইনস এলাকায় একটি মসজিদের ভেতরে নামাজের সময় বিস্ফোরণটি ঘটে। হামলায় মসজিদের একটি অংশ ধসে যায়।
পেশোয়ারের পুলিশ কমিশনার রিয়াজ মেহসুদ জানিয়েছেন, ধ্বংসস্তূপের নিচে বেশ কয়েকজন চাপা পড়ায় উদ্ধার অভিযান চলছে। শহরের হাসপাতালগুলোতে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে।
পেশোয়ারের লেডি রিডিং হাসপাতালের মুখপাত্র মোহাম্মদ আসিম জানিয়েছেন, এখন পর্যন্ত ৫৯ জন মনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া ১৫৭ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে অনেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলেও জানান তিনি।
পুলিশ কর্মকর্তা মীনা গুল বলেন, বোমা বিস্ফোরণের সময় তিনি মসজিদের ভেতরে ছিলেন। এসময় মসজিদের ভেতরে কমপক্ষে ২০০-২৫০ মুসল্লি উপস্থিত ছিলেন।
এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। এটিকে সন্ত্রাসী হামলা আখ্যা দিয়ে এক বিবৃতিতে তিনি বলেছেন, যারা এ ঘটনার পেছনে রয়েছে, ইসলামের সঙ্গে তাদের কোনো সম্পর্ক নেই। নিহতদের পরিবারের প্রতি শোক প্রকাশ করে তিনি বলেন, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে পুরো জাতি এখন ঐক্যবদ্ধ।
পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানও টুইটারে এ হামলার নিন্দা জানিয়েছেন। এক টুইটবার্তায় তিনি বলেছেন, পেশোয়ারের পুলিশ লাইন মসজিদে নামাজের সময় সন্ত্রাসী আত্মঘাতী হামলার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। সন্ত্রাসবাদের ক্রমবর্ধমান হুমকি মোকাবেলায় আমাদের গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের উন্নতি করা এবং আমাদের পুলিশ বাহিনীকে যথাযথভাবে সজ্জিত করা অপরিহার্য।
আন্তজার্তিক ডেস্ক 













