ঢাকা ০৩:২১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
‘লেহরা দো তিরঙ্গা’ অনুষ্ঠানে যাওয়ার পথে প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে-কে আটক করেছে পুলিশ ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে দেশে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৪ জনের প্রাণ গেছে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ জনের মৃত্যু শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানালেন রাষ্ট্রপতি মোটরসাইকেলের সামনে নম্বরপ্লেট বাধ্যতামূলক, সময় বেঁধে দিল বিআরটিএ বাজারজুড়েই সবজির পসরা; বেশিরভাগ সবজির গায়েই আগুন শারদীয় দুর্গোৎসব মহাষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে শুরু হচ্ছে আজ আজকে কোন টিভি চ্যানেলে কোন খেলা আজকের নামাজের সময়সূচি : ১৬ অক্টোবর ২০২৬ ফরিদপুরের শতবর্ষী ঐতিহ্যবাহী বাকীগঞ্জ ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসার প্রথম অ্যালামনাই কনফারেন্স আগামী ২৪ অক্টোবর

পুলিশকে অবহেলা করে দেশ গড়া যাবে না: ড. ইউনূস

দেশের উন্নয়ন ও সুশাসন নিশ্চিত করতে পুলিশ বাহিনীর ভূমিকা অপরিহার্য বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

তিনি বলেন, “পুলিশকে অবহেলা করে কোনো দেশ এগিয়ে যেতে পারে না। তারা সম্মুখ সারির যোদ্ধা, তাদের কার্যকর ভূমিকা ছাড়া নতুন বাংলাদেশ গড়া সম্ভব নয়।”

সোমবার (১৭ মার্চ) রাজধানীর তেজগাঁওয়ের প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে মাঠ পর্যায়ে পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আইন সঠিকভাবে প্রয়োগ এবং শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠিত করতে পারলে সব যুদ্ধে জয়ী হওয়া সম্ভব। আইন না থাকলে সরকার, গণতন্ত্র, নাগরিক অধিকার কিছুই থাকবে না।

তিনি বলেন, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না থাকলে দেশ গড়ার কোনো পরিকল্পনাই কাজে আসবে না। নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে পুলিশ সদস্যদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে।

ড. ইউনূস বলেন, পুলিশ আগে খারাপ মানুষের পাল্লায় পড়েছিল, এখন পুলিশকে আলোময় বাংলাদেশ গড়তে ভূমিকা পালন করতে হবে।

তিনি বলেন, নির্বাচন যতই কাছে আসবে ষড়যন্ত্র ততই তীব্র হবে। সেজন্য পুলিশকে সতর্ক থাকতে হবে। আমরা যুদ্ধাবস্থায় আছি, এইটা মনে রেখে পুলিশকে দায়িত্ব পালন করতে হবে। এই যুদ্ধাবস্থার সুযোগে শান্তি নষ্টের চেষ্টা করবে ষড়যন্ত্রকারীরা।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, মস্তবড় সম্ভাবনার দেশ বাংলাদেশ। সেটাকে আমরা বাস্তবতায় নিতে পারিনি। কিন্তু জুলাই আন্দোলনের মাধ্যমে নতুন করে দেশ গড়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। এই সম্ভাবনাকে যেন আমরা হেলায় না হারাই।

বৈঠকে অন্যান্যের মধ্যে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, স্বরাষ্ট্র সচিব নাসিমুল গনি এবং পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম বক্তব্য রাখেন।

মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আহসান হাবিব পলাশ এবং রাজশাহী পুলিশ সুপার ফারজানা ইসলাম।

Tag :

‘লেহরা দো তিরঙ্গা’ অনুষ্ঠানে যাওয়ার পথে প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে-কে আটক করেছে পুলিশ

পুলিশকে অবহেলা করে দেশ গড়া যাবে না: ড. ইউনূস

Update Time : ০৪:০১:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ মার্চ ২০২৫

দেশের উন্নয়ন ও সুশাসন নিশ্চিত করতে পুলিশ বাহিনীর ভূমিকা অপরিহার্য বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

তিনি বলেন, “পুলিশকে অবহেলা করে কোনো দেশ এগিয়ে যেতে পারে না। তারা সম্মুখ সারির যোদ্ধা, তাদের কার্যকর ভূমিকা ছাড়া নতুন বাংলাদেশ গড়া সম্ভব নয়।”

সোমবার (১৭ মার্চ) রাজধানীর তেজগাঁওয়ের প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে মাঠ পর্যায়ে পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আইন সঠিকভাবে প্রয়োগ এবং শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠিত করতে পারলে সব যুদ্ধে জয়ী হওয়া সম্ভব। আইন না থাকলে সরকার, গণতন্ত্র, নাগরিক অধিকার কিছুই থাকবে না।

তিনি বলেন, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না থাকলে দেশ গড়ার কোনো পরিকল্পনাই কাজে আসবে না। নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে পুলিশ সদস্যদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে।

ড. ইউনূস বলেন, পুলিশ আগে খারাপ মানুষের পাল্লায় পড়েছিল, এখন পুলিশকে আলোময় বাংলাদেশ গড়তে ভূমিকা পালন করতে হবে।

তিনি বলেন, নির্বাচন যতই কাছে আসবে ষড়যন্ত্র ততই তীব্র হবে। সেজন্য পুলিশকে সতর্ক থাকতে হবে। আমরা যুদ্ধাবস্থায় আছি, এইটা মনে রেখে পুলিশকে দায়িত্ব পালন করতে হবে। এই যুদ্ধাবস্থার সুযোগে শান্তি নষ্টের চেষ্টা করবে ষড়যন্ত্রকারীরা।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, মস্তবড় সম্ভাবনার দেশ বাংলাদেশ। সেটাকে আমরা বাস্তবতায় নিতে পারিনি। কিন্তু জুলাই আন্দোলনের মাধ্যমে নতুন করে দেশ গড়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। এই সম্ভাবনাকে যেন আমরা হেলায় না হারাই।

বৈঠকে অন্যান্যের মধ্যে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, স্বরাষ্ট্র সচিব নাসিমুল গনি এবং পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম বক্তব্য রাখেন।

মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আহসান হাবিব পলাশ এবং রাজশাহী পুলিশ সুপার ফারজানা ইসলাম।