ঢাকা ০৫:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
মোটরসাইকেলের সামনে নম্বরপ্লেট বাধ্যতামূলক, সময় বেঁধে দিল বিআরটিএ বাজারজুড়েই সবজির পসরা; বেশিরভাগ সবজির গায়েই আগুন শারদীয় দুর্গোৎসব মহাষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে শুরু হচ্ছে আজ আজকে কোন টিভি চ্যানেলে কোন খেলা আজকের নামাজের সময়সূচি : ১৬ অক্টোবর ২০২৬ ফরিদপুরের শতবর্ষী ঐতিহ্যবাহী বাকীগঞ্জ ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসার প্রথম অ্যালামনাই কনফারেন্স আগামী ২৪ অক্টোবর ফরিদপুর জেলা পরিষদের ৬০ কিলোওয়াট সৌরবিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ শুরু ফেনীতে ১,৫৪২ কোটি টাকার মুহুরী-কহুয়া প্রকল্প উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর দেশে ফেরার রোডম্যাপ জানাবেন শেখ হাসিনা বাল্টিক অঞ্চলে উত্তেজনা বাড়ার মধ্যে ন্যাটোকে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের হুঁশিয়ারি দিয়েছে রাশিয়া

প্রতি বস্তায় চালের দাম প্রায় ৩০০ টাকা করে বৃদ্ধি পেয়েছে, কৃত্রিম সংকট তৈরি করা হয়েছে

  • অনলাইন ডেস্ক
  • Update Time : ১০:৪০:৫৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২১
  • ২৯৩ Time View

বাজারে কৃত্রিম চালের সংকট তৈরি করা হয়েছে বলে দাবি করেছে চালের পাইকারি ব্যবসায়ীরা। কৃষকের উৎপাদিত ধানের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে দুই মাস ধরে চাল আমদানি বন্ধ রেখেছে সরকার। এই সুযোগে আমদানিকৃত চালের দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন আমিদানিকারকরা। এতে করে প্রতি বস্তায় চালের দাম প্রায় ৩০০ টাকা করে বৃদ্ধি পেয়েছে।

পাইকারদের ভাষ্যমতে, ধানের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে দুই মাস ধরে চাল আমদানি বন্ধ রেখেছে সরকার। এই সুযোগ কাজে লাগিয়েছেন আমিদানিকারকরা। আগে আমদানি করা চাল এখন বাড়তি দামে বিক্রি করছেন। প্রচুর মজুত থাকা সত্ত্বেও কৃত্রিম সংকট তৈরি করেছেন। এক সপ্তাহের ব্যবধানে আমদানিকৃত ৫০ কেজির বস্তা চালের দাম ৩০০ টাকা বাড়িয়েছেন আমিদানিকারকরা।

আমদানিকারদের সরকার চাল আমদানির জন্য সর্বশেষ অনুমতি দেয় চলতি বছরের ২৫ আগস্ট। সেসময় ৪০০ আমদানিকারককে সাড়ে ১৬ লাখ টন চাল আমদানির অনুমতি দেয়া হয়। ৩০ অক্টোবরের মধ্যে এসব চাল আমদানি শেষ করারও নির্দেশনা দেয়া হয়। ৩১ অক্টোবর থেকে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের এক নির্দেশনায় ভারত থেকে চাল আমদানি বন্ধ করে দেয়া হয়। আমদানি বন্ধের আগে প্রচুর চাল আমদানি হয়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

চালের দাম বৃদ্ধির ব্যাপারে বাংলাদেশ মেজর অ্যান্ড হাস্কিং মিল মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক কেএম লায়েক আলী বলেন, নতুন মৌসুমে ধান-চাল বাজারে এলেও সরবরাহ বাড়েনি। আমদানিকৃত ভারতীয় চালের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশের বাজারে দামে প্রভাব পড়েছে। এ ছাড়া জ্বালানি তেলসহ ভোগ্যপণ্যের দাম বৃদ্ধির প্রভাব পড়েছে চালের বাজারে।

কোন চালের বস্তায় কত দাম বেড়েছে

খাতুনগঞ্জের চাক্তাই বাণিজ্যিক এলাকার বিভিন্ন আড়তে দেখা গেছে, স্বর্ণা সেদ্ধ চালের বস্তাপ্রতি ১০০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে দুই হাজার ১০০ টাকা, মিনিকেট সেদ্ধ মানভেদে ৩০০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে দুই হাজার ৪০০ থেকে দুই হাজার ৫০০ টাকা, পাইজাম সেদ্ধ চাল ৩০০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে দুই হাজার ৪০০ থেকে দুই হাজার ৫০০ টাকা, কাজলতা সেদ্ধ ২০০ টাকা বেড়ে দুই হাজার ৭০০ টাকা, জিরাশাইল সেদ্ধ ২০০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে তিন হাজার ১০০ টাকা।

অপরদিকে, আতপ চালের মধ্যে মিনিকেট বস্তাপ্রতি ২০০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে দুই হাজার ৭০০ টাকা, বেতি সেদ্ধ ২০০ টাকা বেড়ে মানভেদে দুই হাজার ৩০০ টাকা থেকে দুই হাজার ৫০০ টাকা, ইরি আতপ ১৫০ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে বস্তাপ্রতি এক হাজার ৯৫০ টাকা, কাটারি আতপ ৩০০ টাকা বেড়ে তিন হাজার ৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পাইকারি বাজারে দাম বাড়ায় খুচরা বাজারেও চালের দাম কেজিপ্রতি বেড়েছে পাঁচ-ছয় টাকা।

Tag :
জনপ্রিয়

মোটরসাইকেলের সামনে নম্বরপ্লেট বাধ্যতামূলক, সময় বেঁধে দিল বিআরটিএ

প্রতি বস্তায় চালের দাম প্রায় ৩০০ টাকা করে বৃদ্ধি পেয়েছে, কৃত্রিম সংকট তৈরি করা হয়েছে

Update Time : ১০:৪০:৫৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২১

বাজারে কৃত্রিম চালের সংকট তৈরি করা হয়েছে বলে দাবি করেছে চালের পাইকারি ব্যবসায়ীরা। কৃষকের উৎপাদিত ধানের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে দুই মাস ধরে চাল আমদানি বন্ধ রেখেছে সরকার। এই সুযোগে আমদানিকৃত চালের দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন আমিদানিকারকরা। এতে করে প্রতি বস্তায় চালের দাম প্রায় ৩০০ টাকা করে বৃদ্ধি পেয়েছে।

পাইকারদের ভাষ্যমতে, ধানের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে দুই মাস ধরে চাল আমদানি বন্ধ রেখেছে সরকার। এই সুযোগ কাজে লাগিয়েছেন আমিদানিকারকরা। আগে আমদানি করা চাল এখন বাড়তি দামে বিক্রি করছেন। প্রচুর মজুত থাকা সত্ত্বেও কৃত্রিম সংকট তৈরি করেছেন। এক সপ্তাহের ব্যবধানে আমদানিকৃত ৫০ কেজির বস্তা চালের দাম ৩০০ টাকা বাড়িয়েছেন আমিদানিকারকরা।

আমদানিকারদের সরকার চাল আমদানির জন্য সর্বশেষ অনুমতি দেয় চলতি বছরের ২৫ আগস্ট। সেসময় ৪০০ আমদানিকারককে সাড়ে ১৬ লাখ টন চাল আমদানির অনুমতি দেয়া হয়। ৩০ অক্টোবরের মধ্যে এসব চাল আমদানি শেষ করারও নির্দেশনা দেয়া হয়। ৩১ অক্টোবর থেকে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের এক নির্দেশনায় ভারত থেকে চাল আমদানি বন্ধ করে দেয়া হয়। আমদানি বন্ধের আগে প্রচুর চাল আমদানি হয়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

চালের দাম বৃদ্ধির ব্যাপারে বাংলাদেশ মেজর অ্যান্ড হাস্কিং মিল মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক কেএম লায়েক আলী বলেন, নতুন মৌসুমে ধান-চাল বাজারে এলেও সরবরাহ বাড়েনি। আমদানিকৃত ভারতীয় চালের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশের বাজারে দামে প্রভাব পড়েছে। এ ছাড়া জ্বালানি তেলসহ ভোগ্যপণ্যের দাম বৃদ্ধির প্রভাব পড়েছে চালের বাজারে।

কোন চালের বস্তায় কত দাম বেড়েছে

খাতুনগঞ্জের চাক্তাই বাণিজ্যিক এলাকার বিভিন্ন আড়তে দেখা গেছে, স্বর্ণা সেদ্ধ চালের বস্তাপ্রতি ১০০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে দুই হাজার ১০০ টাকা, মিনিকেট সেদ্ধ মানভেদে ৩০০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে দুই হাজার ৪০০ থেকে দুই হাজার ৫০০ টাকা, পাইজাম সেদ্ধ চাল ৩০০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে দুই হাজার ৪০০ থেকে দুই হাজার ৫০০ টাকা, কাজলতা সেদ্ধ ২০০ টাকা বেড়ে দুই হাজার ৭০০ টাকা, জিরাশাইল সেদ্ধ ২০০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে তিন হাজার ১০০ টাকা।

অপরদিকে, আতপ চালের মধ্যে মিনিকেট বস্তাপ্রতি ২০০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে দুই হাজার ৭০০ টাকা, বেতি সেদ্ধ ২০০ টাকা বেড়ে মানভেদে দুই হাজার ৩০০ টাকা থেকে দুই হাজার ৫০০ টাকা, ইরি আতপ ১৫০ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে বস্তাপ্রতি এক হাজার ৯৫০ টাকা, কাটারি আতপ ৩০০ টাকা বেড়ে তিন হাজার ৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পাইকারি বাজারে দাম বাড়ায় খুচরা বাজারেও চালের দাম কেজিপ্রতি বেড়েছে পাঁচ-ছয় টাকা।