ঢাকা ১১:৪৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
মোটরসাইকেলের সামনে নম্বরপ্লেট বাধ্যতামূলক, সময় বেঁধে দিল বিআরটিএ বাজারজুড়েই সবজির পসরা; বেশিরভাগ সবজির গায়েই আগুন শারদীয় দুর্গোৎসব মহাষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে শুরু হচ্ছে আজ আজকে কোন টিভি চ্যানেলে কোন খেলা আজকের নামাজের সময়সূচি : ১৬ অক্টোবর ২০২৬ ফরিদপুরের শতবর্ষী ঐতিহ্যবাহী বাকীগঞ্জ ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসার প্রথম অ্যালামনাই কনফারেন্স আগামী ২৪ অক্টোবর ফরিদপুর জেলা পরিষদের ৬০ কিলোওয়াট সৌরবিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ শুরু ফেনীতে ১,৫৪২ কোটি টাকার মুহুরী-কহুয়া প্রকল্প উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর দেশে ফেরার রোডম্যাপ জানাবেন শেখ হাসিনা বাল্টিক অঞ্চলে উত্তেজনা বাড়ার মধ্যে ন্যাটোকে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের হুঁশিয়ারি দিয়েছে রাশিয়া

প্রবাসীর সঙ্গে প্রতারণা মামলায় মডেল স্বর্ণা রিমান্ডে

প্রতারণা করে সৌদি প্রবাসীর কাছ থেকে কোটি টাকারও বেশি অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার মডেল ও অভিনেত্রী রোমানা ইসলাম স্বর্ণার একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর হাকিম মামুনুর রশীদের আদালতে তার সাতদিনের রিমান্ড আবেদন করেন পুলিশ। শুনানি শেষে বিচারক তার একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

প্রতারণা করে অর্থ হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগে গত ১১ মার্চ অভিনেত্রী স্বর্ণাসহ আরও ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন সৌদি প্রবাসী কামরুল ইসলাম। মামলার পরদিন স্বর্ণা, তার মা শেইলী, ছেলে আন্নাফিকে গ্রেফতার করে পুলিশ। বর্তমানে তারা কারাগারে রয়েছেন।

মামলার অভিযোগে বাদী কামরুল উল্লেখ করেন, তিনি স্বর্ণার বাসায় কয়েকদিন অবস্থান করতে বাধ্য হয়েছিলেন এবং ২০১৯ সালের ৬ এপ্রিল সৌদি আরবে চলে যান। সৌদি আরবে যাওয়ার পর প্রথম দিকে স্বর্ণা বাদীর সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতেন এবং তিনি তাকে নিয়মিত সাংসারিক খরচ দিতেন। চার-পাঁচ মাস পর বাদী কামরুল সৌদি আরব থেকে বাংলাদেশে এসে তার সঙ্গে দেখা করতে চাইলে, স্বর্ণা তার সঙ্গে খারাপ আচরণ করতে থাকে এবং দেখা করতে অস্বীকৃতি জানান।

এ বিষয়ে বাদী স্বর্ণার পরিবারের সঙ্গে কথা বললে তারাও তাকে ভয়ভীতি ও হুমকি দেন। স্বর্ণার আচরণ সন্দেহজনক মনে হওয়ায় তাকে ফ্ল্যাট ও গাড়ি বুঝিয়ে দিতে বললে সেসব নেই বলে বাদীকে জানান।

২০২০ সালের ৬ জানুয়ারি আদালতে মামলা করেন কামরুল। মামলার পর স্বর্ণা টাকা, স্বর্ণালংকার, ফ্ল্যাট ও গাড়ি ফেরত দিতে চাইলে মামলাটি প্রত্যাহার করে সৌদি আরব ফিরে যান কামরুল।

চলতি বছর ১২ ফেব্রুয়ারি সৌদি আরব থেকে কামরুল বাংলাদেশে এসে ফোন করলে লালমাটিয়ার বাসায় যেতে নিষেধ করেন স্বর্ণা। ১৬ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টার দিকে ফোন করলে স্বর্ণা তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজসহ ভয়ভীতি ও হুমকি দিতে থাকে। মোহাম্মদপুর থানার এসআই সাইফুল ইসলাম ও ফোর্সসহ রাত আনুমানিক ৩টার দিকে ওই বাসায় যান। বাসার সিকিউরিটি জানায়, রাত আনুমানিক ২টা ৪০ মিনিটে স্বর্ণা বাসায় ফিরেছে। পরে পুলিশ তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের গ্রেফতার করেন।

Tag :
জনপ্রিয়

মোটরসাইকেলের সামনে নম্বরপ্লেট বাধ্যতামূলক, সময় বেঁধে দিল বিআরটিএ

প্রবাসীর সঙ্গে প্রতারণা মামলায় মডেল স্বর্ণা রিমান্ডে

Update Time : ০২:০৬:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ এপ্রিল ২০২১

প্রতারণা করে সৌদি প্রবাসীর কাছ থেকে কোটি টাকারও বেশি অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার মডেল ও অভিনেত্রী রোমানা ইসলাম স্বর্ণার একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর হাকিম মামুনুর রশীদের আদালতে তার সাতদিনের রিমান্ড আবেদন করেন পুলিশ। শুনানি শেষে বিচারক তার একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

প্রতারণা করে অর্থ হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগে গত ১১ মার্চ অভিনেত্রী স্বর্ণাসহ আরও ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন সৌদি প্রবাসী কামরুল ইসলাম। মামলার পরদিন স্বর্ণা, তার মা শেইলী, ছেলে আন্নাফিকে গ্রেফতার করে পুলিশ। বর্তমানে তারা কারাগারে রয়েছেন।

মামলার অভিযোগে বাদী কামরুল উল্লেখ করেন, তিনি স্বর্ণার বাসায় কয়েকদিন অবস্থান করতে বাধ্য হয়েছিলেন এবং ২০১৯ সালের ৬ এপ্রিল সৌদি আরবে চলে যান। সৌদি আরবে যাওয়ার পর প্রথম দিকে স্বর্ণা বাদীর সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতেন এবং তিনি তাকে নিয়মিত সাংসারিক খরচ দিতেন। চার-পাঁচ মাস পর বাদী কামরুল সৌদি আরব থেকে বাংলাদেশে এসে তার সঙ্গে দেখা করতে চাইলে, স্বর্ণা তার সঙ্গে খারাপ আচরণ করতে থাকে এবং দেখা করতে অস্বীকৃতি জানান।

এ বিষয়ে বাদী স্বর্ণার পরিবারের সঙ্গে কথা বললে তারাও তাকে ভয়ভীতি ও হুমকি দেন। স্বর্ণার আচরণ সন্দেহজনক মনে হওয়ায় তাকে ফ্ল্যাট ও গাড়ি বুঝিয়ে দিতে বললে সেসব নেই বলে বাদীকে জানান।

২০২০ সালের ৬ জানুয়ারি আদালতে মামলা করেন কামরুল। মামলার পর স্বর্ণা টাকা, স্বর্ণালংকার, ফ্ল্যাট ও গাড়ি ফেরত দিতে চাইলে মামলাটি প্রত্যাহার করে সৌদি আরব ফিরে যান কামরুল।

চলতি বছর ১২ ফেব্রুয়ারি সৌদি আরব থেকে কামরুল বাংলাদেশে এসে ফোন করলে লালমাটিয়ার বাসায় যেতে নিষেধ করেন স্বর্ণা। ১৬ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টার দিকে ফোন করলে স্বর্ণা তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজসহ ভয়ভীতি ও হুমকি দিতে থাকে। মোহাম্মদপুর থানার এসআই সাইফুল ইসলাম ও ফোর্সসহ রাত আনুমানিক ৩টার দিকে ওই বাসায় যান। বাসার সিকিউরিটি জানায়, রাত আনুমানিক ২টা ৪০ মিনিটে স্বর্ণা বাসায় ফিরেছে। পরে পুলিশ তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের গ্রেফতার করেন।