ঢাকা ০৩:৫৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
ফরিদপুরে ইবিএলের স্টুডেন্ট ব্যাংকিং কনফারেন্স ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে ৩ জনের মৃত্যু ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৩ জনের মৃত্যু ফরিদপুরে ‘বেতাল সুরে মাটির গান লোক উৎসব-২০২৬’ অনুষ্ঠিত ফরিদপুরের ঐতিহ্যবাহী ময়েজউদ্দিন হাই স্কুলের শতবর্ষপূতি উদযাপন সফল করতে প্রাক্তন ছাত্রদের সভা বাংলাদেশ ব্যবসার জন্য উন্মুক্ত : প্রধানমন্ত্রী বেনিনের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচ খেলবেন মেসি, প্রকাশ হলো জার্সির ছবি আজকে কোন টিভি চ্যানেলে কোন খেলা আজ থেকে শুরু হামের বিশেষ টিকা ক্যাম্পেইন চলমান সংঘাত অবসান এবং হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দিতে সাত দিনের একটি রূপরেখা দিয়েছে ইরান

ফরিদপুর-২ আসনে বিদ্রোহী প্রার্থী জামাল হোসেনসহ ২ জনের মনোনয়ন প্রত্যাহার

ফরিদপুর-২ আসনের উপনির্বাচনে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিলেন আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী অ্যাডভোকেট মো: জামাল হোসেন মিয়া। একইসাথে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী মো: আলমগীর মিয়াও।

বুধবার (১৯ অক্টোবর) দুপুরে ফরিদপুরের সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা মো: হাবিবুর রহমান দুজনের মনোনয়ন প্রত্যাহারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

আওয়ামী লীগের দলীয় সিদ্ধান্ত মেনে এ মনোনয়ন প্রত্যাহার করা হয়েছে বলে জানান জামালের বড় ভাই মো: কামাল হোসেন মিয়া।

কামাল হোসেন মিয়া বলেন, নৌকার প্রার্থীকে সমর্থন করে জামাল মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। আমরা আ’লীগের মনোনীত প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন করেছি। আমরা নির্বাচনে নৌকার পক্ষে কাজ করবো।’

এদিকে মনোনয়ন প্রত্যাহারের ব্যাপারে জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী মো: আলমগীর মিয়া বলেন, ‘ফরিদপুর-২ আসনের সাবেক সংসদ সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী একজন সম্মানী ব্যক্তি ও আওয়ামী লীগের একজন প্রবীণ নেতা ছিলেন। আর তাইতো তার পরিবারের সম্মানার্থে আমি আমার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছি। এর বেশি কিছু বলতে চাননি তিনি।’

ফরিদপুর-২ আসনের উপনির্বাচনে মোট ০৬ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। যার মধ্যে ০৪ জন বৈধ প্রার্থী হিসেবে তালিকায় থাকেন এবং ০২ জনের তথ্যের গড়মিল থাকায় যাঁচাই-বাছাইয়ে প্রার্থিতা বাতিল করা হয়।

গত বুধবার (১২ অক্টোবর) মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে ৪ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ও দুইজন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণা করে জেলা নির্বাচন অফিস।

যাচাই-বাছাই শেষে বৈধভাবে মনোনীত প্রার্থীগণ হলেন- শাহাদাব আকবার লাবু চৌধুরী (বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ), মো: জয়নুল আবেদীন বকুল মিয়া (বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন), মো: আলমগীর মিয়া (জাতীয় পার্টি), জামাল হোসেন মিয়া (স্বতন্ত্র)।

মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়া প্রার্থীরা হলেন- মো: কামরুজ্জামান (স্বতন্ত্র), সমর্থন সূচক স্বাক্ষর যুক্ত তালিকায় তথ্যের গড়মিল থাকায় বাতিল হয় তার মনোনয়নপত্র। মো: আবদুল কাদের (স্বতন্ত্র) সমর্থন সূচক স্বাক্ষর যুক্ত তালিকায় তথ্যের গড়মিল থাকায় তার মনোনয়নও বাতিল করা হয়।

পরে ১৯ অক্টোবর মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনে আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী প্রার্থী জামাল হোসেন মিয়া ও জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী মো: আলমগীর মিয়া মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেন।

ফরিদপুর জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান জানান, এই নির্বাচন ইভিএময়ের মাধ্যমে হবে। ফরিদপর-২ সংসদীয় আসনের মোট ৩ লাখ ১৮ হাজার ৪৭৯ জন ভোটার তাদের ভোট প্রয়োগ করবেন ।

ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী প্রার্থিতা প্রত্যাহার ১৯ অক্টোবর এবং ভোটগ্রহণ আগামী ৫ই নভেম্বর। খুলনা আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করবেন।

প্রসঙ্গ, সদ্য প্রয়াত সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর মৃত্যুতে গত ১১ সেপ্টেম্বর সংসদীয় এ আসনটি শূন্য ঘোষণা করা হয়। ২৬ সেপ্টেম্বর তফসিল ঘোষণা করেন নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তফসিল ঘোষণা অনুযায়ী ১০ অক্টোবর মনোনয়নপত্র জমার শেষ দিন, মনোনয়নপত্র বাছাই ১২ অক্টোবর ও প্রার্থীতা প্রত্যাহার ১৯ অক্টোবর। আগামী ৫ নভেম্বর ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

Tag :

ফরিদপুরে ইবিএলের স্টুডেন্ট ব্যাংকিং কনফারেন্স

ফরিদপুর-২ আসনে বিদ্রোহী প্রার্থী জামাল হোসেনসহ ২ জনের মনোনয়ন প্রত্যাহার

Update Time : ০১:২৫:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অক্টোবর ২০২২

ফরিদপুর-২ আসনের উপনির্বাচনে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিলেন আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী অ্যাডভোকেট মো: জামাল হোসেন মিয়া। একইসাথে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী মো: আলমগীর মিয়াও।

বুধবার (১৯ অক্টোবর) দুপুরে ফরিদপুরের সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা মো: হাবিবুর রহমান দুজনের মনোনয়ন প্রত্যাহারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

আওয়ামী লীগের দলীয় সিদ্ধান্ত মেনে এ মনোনয়ন প্রত্যাহার করা হয়েছে বলে জানান জামালের বড় ভাই মো: কামাল হোসেন মিয়া।

কামাল হোসেন মিয়া বলেন, নৌকার প্রার্থীকে সমর্থন করে জামাল মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। আমরা আ’লীগের মনোনীত প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন করেছি। আমরা নির্বাচনে নৌকার পক্ষে কাজ করবো।’

এদিকে মনোনয়ন প্রত্যাহারের ব্যাপারে জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী মো: আলমগীর মিয়া বলেন, ‘ফরিদপুর-২ আসনের সাবেক সংসদ সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী একজন সম্মানী ব্যক্তি ও আওয়ামী লীগের একজন প্রবীণ নেতা ছিলেন। আর তাইতো তার পরিবারের সম্মানার্থে আমি আমার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছি। এর বেশি কিছু বলতে চাননি তিনি।’

ফরিদপুর-২ আসনের উপনির্বাচনে মোট ০৬ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। যার মধ্যে ০৪ জন বৈধ প্রার্থী হিসেবে তালিকায় থাকেন এবং ০২ জনের তথ্যের গড়মিল থাকায় যাঁচাই-বাছাইয়ে প্রার্থিতা বাতিল করা হয়।

গত বুধবার (১২ অক্টোবর) মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে ৪ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ও দুইজন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণা করে জেলা নির্বাচন অফিস।

যাচাই-বাছাই শেষে বৈধভাবে মনোনীত প্রার্থীগণ হলেন- শাহাদাব আকবার লাবু চৌধুরী (বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ), মো: জয়নুল আবেদীন বকুল মিয়া (বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন), মো: আলমগীর মিয়া (জাতীয় পার্টি), জামাল হোসেন মিয়া (স্বতন্ত্র)।

মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়া প্রার্থীরা হলেন- মো: কামরুজ্জামান (স্বতন্ত্র), সমর্থন সূচক স্বাক্ষর যুক্ত তালিকায় তথ্যের গড়মিল থাকায় বাতিল হয় তার মনোনয়নপত্র। মো: আবদুল কাদের (স্বতন্ত্র) সমর্থন সূচক স্বাক্ষর যুক্ত তালিকায় তথ্যের গড়মিল থাকায় তার মনোনয়নও বাতিল করা হয়।

পরে ১৯ অক্টোবর মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনে আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী প্রার্থী জামাল হোসেন মিয়া ও জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী মো: আলমগীর মিয়া মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেন।

ফরিদপুর জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান জানান, এই নির্বাচন ইভিএময়ের মাধ্যমে হবে। ফরিদপর-২ সংসদীয় আসনের মোট ৩ লাখ ১৮ হাজার ৪৭৯ জন ভোটার তাদের ভোট প্রয়োগ করবেন ।

ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী প্রার্থিতা প্রত্যাহার ১৯ অক্টোবর এবং ভোটগ্রহণ আগামী ৫ই নভেম্বর। খুলনা আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করবেন।

প্রসঙ্গ, সদ্য প্রয়াত সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর মৃত্যুতে গত ১১ সেপ্টেম্বর সংসদীয় এ আসনটি শূন্য ঘোষণা করা হয়। ২৬ সেপ্টেম্বর তফসিল ঘোষণা করেন নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তফসিল ঘোষণা অনুযায়ী ১০ অক্টোবর মনোনয়নপত্র জমার শেষ দিন, মনোনয়নপত্র বাছাই ১২ অক্টোবর ও প্রার্থীতা প্রত্যাহার ১৯ অক্টোবর। আগামী ৫ নভেম্বর ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।