ঢাকা ০২:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির নেতৃত্বে গঠন হওয়া নতুন জোট ‘যুক্তফ্রন্ট’ নির্বাচনে অংশ নেয়ার ঘোষণা দিয়েছে

  • অনলাইন ডেস্ক
  • Update Time : ১০:০৩:১৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ নভেম্বর ২০২৩
  • ২০৭ Time View

সরকারের পদত্যাগ ও নিরপেক্ষ সরকারসহ এক দফা দাবিতে বিএনপির সঙ্গে যুগপৎ আন্দোলনে থাকা বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির নেতৃত্বে গঠন হওয়া নতুন জোট ‘যুক্তফ্রন্ট’ আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেয়ার ঘোষণা দিয়েছে। একইসাথে আগামী নির্বাচনে ১০০ আসনে প্রার্থী দেবে যুক্তফ্রন্ট।

বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি (হাতঘড়ি), বাংলাদেশ মুসলিম লীগ (হাতপাঞ্জা) ও জাতীয় পার্টি ( কাঁঠাল )- এ তিন দলের সমন্বয়ে ‘যুক্তফ্রন্ট’ নতুন জোটের আত্মপ্রকাশ ঘটেছে।

বুধবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান ও যুক্তফ্রন্টের সভাপতি মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম এ ঘোষণা দেন।

সংবাদ সম্মেলনে সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম বলেন, আগামী দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে জোটগতভাবে আমরা অংশ নিবো। আমরা ২০২৪ সালের নির্বাচন জাতি ও বিশ্বের কাছে গ্রহণযোগ্য করতে চাই। সরকারের পতন ও তত্ত্ববধায়ক সরকারের দাবিতে ১২ দলীয় জোট ও বিএনপির আন্দোলন ব্যর্থ হওয়ার কারণে বিকল্প পথ বেঁছে নিয়েছি। একপ্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আশা করি, নির্বাচন সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হবে।

২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩৮ আসনে ৩৩ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। নির্বাচনে কোন প্রার্থীই বিজয়ী হননি।

সৈয়দ ইবরাহিম বলেন, ২০১৪ সালের নির্বাচনে সরকার লোভনীয় প্রস্তাব ও সরকারের চাপ থাকা সত্ত্বেও আমরা নির্বাচনে যাইনি। ২০১৮ সালের আমাদের প্রস্তাব দেয়া হয়েছিল বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট থেকে অন্য জোটের সাথে নির্বাচনে যাওয়া জন্য, কিন্তু আমরা যাইনি বরং বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করেছি। এবার জাতির বৃহত্তর স্বার্থে নির্বাচনে যাচ্ছি।

তিনি আরো বলেন, নির্বাচনে যাওয়ার জন্য ২০১৪ সালে আমন্ত্রণ পেয়েছিলাম। প্রচণ্ড চাপ থাকার পরেও আমরা সেই নির্বাচনে যায়নি। বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটে থেকে আন্দোলন করেছি। আর ২০১৮ সালে আমন্ত্রণ ছিলো ২০ দল থেকে বের হয়ে নির্বাচন করার জন্য। কিন্তু আমরা ২০ দলের থেকেই নির্বাচন করেছি। আর বিএনপির প্রতি কৃতজ্ঞ প্রকাশ করবো। কারণ তাদের কাছে আমরা রাজনীতি শিখেছি। কারণ একা রাজনীতি শেখা যায় না।

বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের এই শীর্ষ নেতা বলেন, ২০১৮ জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট দ্বিধাদ্বন্দ্ব ছিলো। কিন্তু সেটা ভুলে আবার পথচলা শুরু করেছি।

যুগপৎ আন্দোলনে জোট ১২ দলীয় জোটের এই শীর্ষ নেতা বলেন, আশা করছি- আগামী নির্বাচন অতীতের চেয়ে ফ্রি অ্যান্ড ফেয়ার হবে। তাই আমরা আবেদন করছি, সরকার যেনো সুন্দর, অংশগ্রহণ এবং গ্রহণযোগ্য নির্বাচনে জন্য যা করেছে তা যেনো অব্যাহত রাখে। আর সংলাপের দরজা যাতে বন্ধ না করেন।

সংবাদ সম্মেলনে কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম, জাতীয় পার্টির মহাসচিব মো. জাফর আহমেদ জয়, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের চেয়ারম্যান শেখ জুলফিকার বুলবুল চৌধুরীসহ তিনটি দলের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।

Tag :
জনপ্রিয়

বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির নেতৃত্বে গঠন হওয়া নতুন জোট ‘যুক্তফ্রন্ট’ নির্বাচনে অংশ নেয়ার ঘোষণা দিয়েছে

Update Time : ১০:০৩:১৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ নভেম্বর ২০২৩

সরকারের পদত্যাগ ও নিরপেক্ষ সরকারসহ এক দফা দাবিতে বিএনপির সঙ্গে যুগপৎ আন্দোলনে থাকা বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির নেতৃত্বে গঠন হওয়া নতুন জোট ‘যুক্তফ্রন্ট’ আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেয়ার ঘোষণা দিয়েছে। একইসাথে আগামী নির্বাচনে ১০০ আসনে প্রার্থী দেবে যুক্তফ্রন্ট।

বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি (হাতঘড়ি), বাংলাদেশ মুসলিম লীগ (হাতপাঞ্জা) ও জাতীয় পার্টি ( কাঁঠাল )- এ তিন দলের সমন্বয়ে ‘যুক্তফ্রন্ট’ নতুন জোটের আত্মপ্রকাশ ঘটেছে।

বুধবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান ও যুক্তফ্রন্টের সভাপতি মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম এ ঘোষণা দেন।

সংবাদ সম্মেলনে সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম বলেন, আগামী দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে জোটগতভাবে আমরা অংশ নিবো। আমরা ২০২৪ সালের নির্বাচন জাতি ও বিশ্বের কাছে গ্রহণযোগ্য করতে চাই। সরকারের পতন ও তত্ত্ববধায়ক সরকারের দাবিতে ১২ দলীয় জোট ও বিএনপির আন্দোলন ব্যর্থ হওয়ার কারণে বিকল্প পথ বেঁছে নিয়েছি। একপ্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আশা করি, নির্বাচন সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হবে।

২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩৮ আসনে ৩৩ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। নির্বাচনে কোন প্রার্থীই বিজয়ী হননি।

সৈয়দ ইবরাহিম বলেন, ২০১৪ সালের নির্বাচনে সরকার লোভনীয় প্রস্তাব ও সরকারের চাপ থাকা সত্ত্বেও আমরা নির্বাচনে যাইনি। ২০১৮ সালের আমাদের প্রস্তাব দেয়া হয়েছিল বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট থেকে অন্য জোটের সাথে নির্বাচনে যাওয়া জন্য, কিন্তু আমরা যাইনি বরং বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করেছি। এবার জাতির বৃহত্তর স্বার্থে নির্বাচনে যাচ্ছি।

তিনি আরো বলেন, নির্বাচনে যাওয়ার জন্য ২০১৪ সালে আমন্ত্রণ পেয়েছিলাম। প্রচণ্ড চাপ থাকার পরেও আমরা সেই নির্বাচনে যায়নি। বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটে থেকে আন্দোলন করেছি। আর ২০১৮ সালে আমন্ত্রণ ছিলো ২০ দল থেকে বের হয়ে নির্বাচন করার জন্য। কিন্তু আমরা ২০ দলের থেকেই নির্বাচন করেছি। আর বিএনপির প্রতি কৃতজ্ঞ প্রকাশ করবো। কারণ তাদের কাছে আমরা রাজনীতি শিখেছি। কারণ একা রাজনীতি শেখা যায় না।

বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের এই শীর্ষ নেতা বলেন, ২০১৮ জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট দ্বিধাদ্বন্দ্ব ছিলো। কিন্তু সেটা ভুলে আবার পথচলা শুরু করেছি।

যুগপৎ আন্দোলনে জোট ১২ দলীয় জোটের এই শীর্ষ নেতা বলেন, আশা করছি- আগামী নির্বাচন অতীতের চেয়ে ফ্রি অ্যান্ড ফেয়ার হবে। তাই আমরা আবেদন করছি, সরকার যেনো সুন্দর, অংশগ্রহণ এবং গ্রহণযোগ্য নির্বাচনে জন্য যা করেছে তা যেনো অব্যাহত রাখে। আর সংলাপের দরজা যাতে বন্ধ না করেন।

সংবাদ সম্মেলনে কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম, জাতীয় পার্টির মহাসচিব মো. জাফর আহমেদ জয়, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের চেয়ারম্যান শেখ জুলফিকার বুলবুল চৌধুরীসহ তিনটি দলের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।