ঢাকা ০৬:৪২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাজারগুলোতে হু হু করে বাড়ছে শাক-সবজিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম

  • অনলাইন ডেস্ক
  • Update Time : ১০:১০:০৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ মার্চ ২০২৩
  • ২২৯ Time View

আসন্ন রমজানের আগেই রাজধানীর বাজারগুলোতে হু হু করে বাড়ছে শাক-সবজিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম। সবজিভেদে কেজিতে দাম বেড়েছে ১০ থেকে ২০ টাকা। ব্রয়লার মুরগির দামে লাগাম টানা যাচ্ছে না। গত সপ্তাহে বাজারে এই মুরগি ২৪০-২৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও চলতি সপ্তাহে তা ২৬০ টাকা কেজি।

মাংস, ডিমের বাজার আগের মতো চড়া। সপ্তাহের ব্যবধানে নতুন করে বেড়েছে বিভিন্ন মসলা জাতীয় পণ্যের দাম। এর মধ্যে রয়েছে শুকনা মরিচ, আদা, রসুন, দারুচিনি। শুক্রবার সকালে রাজধানীর কয়েকটি বাজার ঘুরে এসব তথ্য জানা গেছে।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, গত এক সপ্তাহে তুলনামূলক প্রায় প্রতিটি সবজিরই দাম বেড়েছে। দুই একটি ছাড়া কোনও সবজিই ৪০ থেকে ৫০ টাকার নিচে পাওয়া যাচ্ছে না। সজনে বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা কেজিতে, ঢেঁড়স ১০০ থেকে ১১০ টাকায়, করলা ১০০ থেকে ১১০ টাকা কেজিতে। কেজিপ্রতি সিম বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা, পটল ৮০ টাকা, বেগুন ৮০ থেকে ১০০ টাকা, গাজর ৪০ টাকা, টমেটো ৩০ থেকে ৪০ টাকা, আলু পোলান্ড ৩০, দেশি ছোট আলু ৪০ টাকা, পেঁপে ৫০ টাকা এবং বরবটি ১০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়াও কাঁচামরিচ ১৩০ থেকে ১৪০ টাকায়, ফুলকপি ৫০ থেকে ৫৫ টাকা, বাঁধাকপি ৩৫ থেকে ৪০ টাকা, শসা ৫০ থেকে ৬০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া প্রতি কেজি ৪০ টাকা, এক হালি লেবু আকারভেদে বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৬০ টাকায়।

সবজি বিক্রেতারা বলছেন, শীতকালীন সবজি শেষ হয়ে যাওয়া এবং অনেক সবজির ক্ষেতে ধান লাগানোর কারণে উৎপাদন কমে গেছে। সেই কারণে সবজির সরবরাহ কম থাকায় দাম বাড়তি। এরমধ্যে রোজার প্রভাবও রয়েছে। তারা আরও বলেন, রোজা শুরু হলে বেগুন, শসা, লেবু, টমেটো ও ধনেপাতার দাম কিছুটা বাড়তে পারে। সঙ্গে কাঁচামরিচও।

এদিকে বাজারভেদে ব্রয়লার মুরগি গত সপ্তাহের মতো ২৪০-২৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে অন্যান্য মুরগির দাম ২০-৫০ টাকা বেড়ে পাকিস্তানি মুরগি ৩৪০-৩৮০ টাকা ও বড় কর্ক মুরগি ৩২০-৩৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। দেশি মুরগির দাম এখন প্রতি পিস ৫০০-৫৫০ টাকা।

ছোলা প্রতি কেজি ৯০-১০০ টাকা। প্রতি কেজি খোলা চিনি ১১৫-১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া মসুর ডাল ১৩৫-১৫০ টাকা, খেসারি ডাল ৮০-৯০ টাকা, অ্যাংকরের বেসন ৭৫-৮৫ টাকা এবং বুটের বেসন বিক্রি হচ্ছে ১০০-১১০ টাকায়।

বাজারে কয়েক সপ্তাহ ধরে মাছের দাম বেশি। আকারভেদে প্রতি কেজি রুই বিক্রি হচ্ছে ৩০০-৫০০ টাকায়। দেশি জলাশয়ের মাছের দাম ৮০০-১০০০ টাকা চাওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া ইলিশ মাছ এক হাজার ৩৫০ থেকে দুই হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

দেশি শুকনা মরিচ ৩৯০ থেকে ৪৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহে ছিল ৩২০ থেকে ৪২০ টাকা কেজি। দেশি আদা ১৫০ থেকে ১৮০ টাকা কেজি, যা গত সপ্তাহে ছিল ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা। আমদানি করা চীনা রসুন বিক্রি হচ্ছে ১৩০ থেকে ১৭০ টাকা কেজি দরে, যা গত সপ্তাহে ছিল ১০০ থেকে ১৫০ টাকা কেজি। দারুচিনি ৪৫০ থেকে ৫২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে, যা গত সপ্তাহে ছিল ৪৩০ থেকে ৪৬০ টাকা কেজি।

Tag :
জনপ্রিয়

বাজারগুলোতে হু হু করে বাড়ছে শাক-সবজিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম

Update Time : ১০:১০:০৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ মার্চ ২০২৩

আসন্ন রমজানের আগেই রাজধানীর বাজারগুলোতে হু হু করে বাড়ছে শাক-সবজিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম। সবজিভেদে কেজিতে দাম বেড়েছে ১০ থেকে ২০ টাকা। ব্রয়লার মুরগির দামে লাগাম টানা যাচ্ছে না। গত সপ্তাহে বাজারে এই মুরগি ২৪০-২৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও চলতি সপ্তাহে তা ২৬০ টাকা কেজি।

মাংস, ডিমের বাজার আগের মতো চড়া। সপ্তাহের ব্যবধানে নতুন করে বেড়েছে বিভিন্ন মসলা জাতীয় পণ্যের দাম। এর মধ্যে রয়েছে শুকনা মরিচ, আদা, রসুন, দারুচিনি। শুক্রবার সকালে রাজধানীর কয়েকটি বাজার ঘুরে এসব তথ্য জানা গেছে।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, গত এক সপ্তাহে তুলনামূলক প্রায় প্রতিটি সবজিরই দাম বেড়েছে। দুই একটি ছাড়া কোনও সবজিই ৪০ থেকে ৫০ টাকার নিচে পাওয়া যাচ্ছে না। সজনে বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা কেজিতে, ঢেঁড়স ১০০ থেকে ১১০ টাকায়, করলা ১০০ থেকে ১১০ টাকা কেজিতে। কেজিপ্রতি সিম বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা, পটল ৮০ টাকা, বেগুন ৮০ থেকে ১০০ টাকা, গাজর ৪০ টাকা, টমেটো ৩০ থেকে ৪০ টাকা, আলু পোলান্ড ৩০, দেশি ছোট আলু ৪০ টাকা, পেঁপে ৫০ টাকা এবং বরবটি ১০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়াও কাঁচামরিচ ১৩০ থেকে ১৪০ টাকায়, ফুলকপি ৫০ থেকে ৫৫ টাকা, বাঁধাকপি ৩৫ থেকে ৪০ টাকা, শসা ৫০ থেকে ৬০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া প্রতি কেজি ৪০ টাকা, এক হালি লেবু আকারভেদে বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৬০ টাকায়।

সবজি বিক্রেতারা বলছেন, শীতকালীন সবজি শেষ হয়ে যাওয়া এবং অনেক সবজির ক্ষেতে ধান লাগানোর কারণে উৎপাদন কমে গেছে। সেই কারণে সবজির সরবরাহ কম থাকায় দাম বাড়তি। এরমধ্যে রোজার প্রভাবও রয়েছে। তারা আরও বলেন, রোজা শুরু হলে বেগুন, শসা, লেবু, টমেটো ও ধনেপাতার দাম কিছুটা বাড়তে পারে। সঙ্গে কাঁচামরিচও।

এদিকে বাজারভেদে ব্রয়লার মুরগি গত সপ্তাহের মতো ২৪০-২৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে অন্যান্য মুরগির দাম ২০-৫০ টাকা বেড়ে পাকিস্তানি মুরগি ৩৪০-৩৮০ টাকা ও বড় কর্ক মুরগি ৩২০-৩৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। দেশি মুরগির দাম এখন প্রতি পিস ৫০০-৫৫০ টাকা।

ছোলা প্রতি কেজি ৯০-১০০ টাকা। প্রতি কেজি খোলা চিনি ১১৫-১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া মসুর ডাল ১৩৫-১৫০ টাকা, খেসারি ডাল ৮০-৯০ টাকা, অ্যাংকরের বেসন ৭৫-৮৫ টাকা এবং বুটের বেসন বিক্রি হচ্ছে ১০০-১১০ টাকায়।

বাজারে কয়েক সপ্তাহ ধরে মাছের দাম বেশি। আকারভেদে প্রতি কেজি রুই বিক্রি হচ্ছে ৩০০-৫০০ টাকায়। দেশি জলাশয়ের মাছের দাম ৮০০-১০০০ টাকা চাওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া ইলিশ মাছ এক হাজার ৩৫০ থেকে দুই হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

দেশি শুকনা মরিচ ৩৯০ থেকে ৪৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহে ছিল ৩২০ থেকে ৪২০ টাকা কেজি। দেশি আদা ১৫০ থেকে ১৮০ টাকা কেজি, যা গত সপ্তাহে ছিল ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা। আমদানি করা চীনা রসুন বিক্রি হচ্ছে ১৩০ থেকে ১৭০ টাকা কেজি দরে, যা গত সপ্তাহে ছিল ১০০ থেকে ১৫০ টাকা কেজি। দারুচিনি ৪৫০ থেকে ৫২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে, যা গত সপ্তাহে ছিল ৪৩০ থেকে ৪৬০ টাকা কেজি।