ঢাকা ০৪:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিকেলে ইসলামী আন্দোলনের ইশতেহার ঘোষণা

  • অনলাইন ডেস্ক
  • Update Time : ০৯:০১:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৯৮ Time View

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ইশতেহার ঘোষণা করবে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টায় রাজধানীর পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ ইশতেহার ঘোষণা করা হবে।

গত শনিবার (৩০ জানুয়ারি) ইসলামী আন্দোলনের আমির মুফতি রেজাউল করীমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত দলের নিয়মিত বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

কালবেলাকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন দলটির কেন্দ্রীয় প্রচার ও দাওয়া সম্পাদক শেখ ফজলুল করীম মারুফ।

তিনি বলেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ইশতেহারে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রত্যাশাকে গুরুত্ব দেওয়া হবে এবং পুরোনো বন্দোবস্ত উৎখাত করে নতুন বন্দোবস্ত প্রতিষ্ঠার দাবির প্রতি সন্মান দেখিয়ে নয়া বন্দোবস্ত হিসেবে এতে শরিয়াহ প্রাধান্য পাবে। ইশতেহারের প্রতিপাদ্য হিসেবে ‘জনপ্রত্যাশার বাংলাদেশ’ শব্দ বন্ধনীকে গ্রহণ করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, জনপ্রত্যাশা হিসেবে শরিয়ার প্রাধান্য, জুলাই সনদের প্রতি দায়বদ্ধতা, তারুণ্যের কর্মসংস্থান, সুশাসন প্রতিষ্ঠা, নাগরিক সেবা ও অধিকার গুরুত্ব পাবে। আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা আনয়ন, বিনিয়োগ আকর্ষণ, জ্বালানি নিরাপত্তা, পারস্পরিক সহযোগিতা ও সম্মানভিত্তিক বৈদেশিক নীতি ইশতেহারে গুরুত্ব পাবে।

ইশতেহার উপস্থাপন করবেন ইসলামী আন্দোলনের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম। এ সময় দলটির কেন্দ্রীয় নেতারাসহ বিভিন্ন পেশার গুণীজন উপস্থিত থাকবেন বলে জানানো হয়েছে।

Tag :
জনপ্রিয়

বিকেলে ইসলামী আন্দোলনের ইশতেহার ঘোষণা

Update Time : ০৯:০১:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ইশতেহার ঘোষণা করবে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টায় রাজধানীর পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ ইশতেহার ঘোষণা করা হবে।

গত শনিবার (৩০ জানুয়ারি) ইসলামী আন্দোলনের আমির মুফতি রেজাউল করীমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত দলের নিয়মিত বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

কালবেলাকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন দলটির কেন্দ্রীয় প্রচার ও দাওয়া সম্পাদক শেখ ফজলুল করীম মারুফ।

তিনি বলেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ইশতেহারে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রত্যাশাকে গুরুত্ব দেওয়া হবে এবং পুরোনো বন্দোবস্ত উৎখাত করে নতুন বন্দোবস্ত প্রতিষ্ঠার দাবির প্রতি সন্মান দেখিয়ে নয়া বন্দোবস্ত হিসেবে এতে শরিয়াহ প্রাধান্য পাবে। ইশতেহারের প্রতিপাদ্য হিসেবে ‘জনপ্রত্যাশার বাংলাদেশ’ শব্দ বন্ধনীকে গ্রহণ করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, জনপ্রত্যাশা হিসেবে শরিয়ার প্রাধান্য, জুলাই সনদের প্রতি দায়বদ্ধতা, তারুণ্যের কর্মসংস্থান, সুশাসন প্রতিষ্ঠা, নাগরিক সেবা ও অধিকার গুরুত্ব পাবে। আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা আনয়ন, বিনিয়োগ আকর্ষণ, জ্বালানি নিরাপত্তা, পারস্পরিক সহযোগিতা ও সম্মানভিত্তিক বৈদেশিক নীতি ইশতেহারে গুরুত্ব পাবে।

ইশতেহার উপস্থাপন করবেন ইসলামী আন্দোলনের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম। এ সময় দলটির কেন্দ্রীয় নেতারাসহ বিভিন্ন পেশার গুণীজন উপস্থিত থাকবেন বলে জানানো হয়েছে।