ঢাকা ০২:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের মূল্যে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো দরপতন ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতের সমাপ্তির দিকে; যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি যোগাযোগ হয়েছে: ট্রাম্প আজকের নামাজের সময়সূচি: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ আজকে কোন টিভি চ্যানেলে কোন খেলা সৌদি আরবের একটি এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার দাবি করেছে হুথি বিদ্রোহীরা পবিত্র নগরী মক্কা ও মদিনা অঞ্চলে হুথিদের হামলার নিন্দা জানিয়েছে ওআইসি হুথি বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ইসরায়েলের কাছে সহায়তা চেয়েছে সৌদি আরব সৌদি আরব ভ্রমণের ক্ষেত্রে নতুন করে সতর্কতা জারি করেছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর আজকের নামাজের সময়সূচি: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ আজকে কোন টিভি চ্যানেলে কোন খেলা

বিচারের মুখোমুখি করতে হাসিনাকে অবশ্যই ফিরিয়ে দিতে হবে ভারতকে: প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস

  • অনলাইন ডেস্ক
  • Update Time : ১২:০৭:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৪
  • ২০২ Time View
ক্ষমতা ছেড়ে ভারত পালিয়ে যাওয়া সাবেক স্বৈরশাসক শেখ হাসিনা তার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেছেন, বিচারের মুখোমুখি করতে হাসিনাকে অবশ্যই ফিরিয়ে দিতে হবে ভারতকে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দুকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ড. ইউনূস এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, হাসিনাকে ফিরিয়ে না দিলে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে খুব একটা সুখের সম্পর্ক তৈরি হবে না।
একইসঙ্গে আওয়ামী লীগকে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার সুযোগ দেওয়া হবে কিনা, সে প্রশ্নেও কথা বলেছেন নোবেলজয়ী এই অর্থনীতিবিদ। সোমবার (১৮ নভেম্বর) সংবাদমাধ্যমটির ওয়েবসাইটে সাক্ষাৎকারটি প্রকাশিত হয়।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দেখা না হওয়া নিয়ে ড. ইউনূস বলেন, হ্যাঁ, এটি এখনও ঘটেনি। আমি যখন জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে গিয়েছি, তখন মোদি সেখান থেকে চলে গিয়েছিলেন। আমি বাকুতে জলবায়ু সম্মেলনে যোগ দিয়েছিলাম, কিন্তু মোদি সেখানে ছিলেন না, বিমসটেক (থাইল্যান্ডে) বাতিল করা হয়েছে এবং আমরা কেউই কমনওয়েলথ বৈঠকে যাইনি। কিন্তু তার মানে এই নয় যে— আমরা দেখা করব না। আমরা শুধু প্রতিবেশী নই, ইতিহাস আমাদের একত্র করেছে। ভূগোল আমাদের একত্রিত করেছে। ভাষাগত সম্পর্ক আমাদের একত্রিত করেছে। সাংস্কৃতিক যোগসূত্র আমাদের একত্রিত করেছে। প্রথম দিন থেকেই আমি প্রধানমন্ত্রী মোদিকে সার্ককে পুনরুজ্জীবিত করার প্রস্তাব দিয়েছি। অকার্যকর গোষ্ঠী হতে হবে কেন? এমনকি আমি পরামর্শ দিয়েছিলাম যে, সার্ক নেতারা নিউইয়র্কে মাত্র পাঁচ মিনিটের জন্য হলেও যেন বৈঠক করতে পারেন।
ভারত ও বাংলাদেশ এখন বিমসটেক, বিবিআইএন-এ সহযোগিতা করছে। তাহলে সার্ক কেন? এমন প্রশ্নের জবাবে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, সার্ক নয় কেন? আমরা যত বেশি বন্ধু এবং সম্পর্ক তৈরি করতে পারি, ততো ভাল। সার্ককে চলতেই হবে… এমন হওয়া উচিত নয় যে শুধুমাত্র দুই দেশের (ভারত ও পাকিস্তান) মধ্যে সম্পর্কের কারণে পুরো গোষ্ঠীটি অদৃশ্য হয়ে যায়। আমরা একটি রেজুলেশন পাস করতে পারি, ভারত-পাকিস্তানের যেকোনও ইস্যুকে এজেন্ডা থেকে স্থগিত করতে পারি, কিন্তু সার্ককে শেষ করতে পারি না।
সন্ত্রাসবাদ শেষ না হওয়া পর্যন্ত সার্ক এর কর্মকাণ্ড স্থগিত করতে ২০১৬ সালে ভারতকে সমর্থন করা কি বাংলাদেশের জন্য ভুল ছিল কিনা এমন প্রশ্নে জবাবে ড. ইউনূস বলেন, আমরা যদি এমন শর্ত সামনে রাখি, তাহলে কোনো সম্পর্কই চলবে না। দুই সদস্য দেশের সম্পর্কের কারণে দক্ষিণ এশিয়ার অন্য সব দেশকে কেন ভুগতে হবে?
Tag :
জনপ্রিয়

বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের মূল্যে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো দরপতন

বিচারের মুখোমুখি করতে হাসিনাকে অবশ্যই ফিরিয়ে দিতে হবে ভারতকে: প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস

Update Time : ১২:০৭:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৪
ক্ষমতা ছেড়ে ভারত পালিয়ে যাওয়া সাবেক স্বৈরশাসক শেখ হাসিনা তার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেছেন, বিচারের মুখোমুখি করতে হাসিনাকে অবশ্যই ফিরিয়ে দিতে হবে ভারতকে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দুকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ড. ইউনূস এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, হাসিনাকে ফিরিয়ে না দিলে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে খুব একটা সুখের সম্পর্ক তৈরি হবে না।
একইসঙ্গে আওয়ামী লীগকে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার সুযোগ দেওয়া হবে কিনা, সে প্রশ্নেও কথা বলেছেন নোবেলজয়ী এই অর্থনীতিবিদ। সোমবার (১৮ নভেম্বর) সংবাদমাধ্যমটির ওয়েবসাইটে সাক্ষাৎকারটি প্রকাশিত হয়।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দেখা না হওয়া নিয়ে ড. ইউনূস বলেন, হ্যাঁ, এটি এখনও ঘটেনি। আমি যখন জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে গিয়েছি, তখন মোদি সেখান থেকে চলে গিয়েছিলেন। আমি বাকুতে জলবায়ু সম্মেলনে যোগ দিয়েছিলাম, কিন্তু মোদি সেখানে ছিলেন না, বিমসটেক (থাইল্যান্ডে) বাতিল করা হয়েছে এবং আমরা কেউই কমনওয়েলথ বৈঠকে যাইনি। কিন্তু তার মানে এই নয় যে— আমরা দেখা করব না। আমরা শুধু প্রতিবেশী নই, ইতিহাস আমাদের একত্র করেছে। ভূগোল আমাদের একত্রিত করেছে। ভাষাগত সম্পর্ক আমাদের একত্রিত করেছে। সাংস্কৃতিক যোগসূত্র আমাদের একত্রিত করেছে। প্রথম দিন থেকেই আমি প্রধানমন্ত্রী মোদিকে সার্ককে পুনরুজ্জীবিত করার প্রস্তাব দিয়েছি। অকার্যকর গোষ্ঠী হতে হবে কেন? এমনকি আমি পরামর্শ দিয়েছিলাম যে, সার্ক নেতারা নিউইয়র্কে মাত্র পাঁচ মিনিটের জন্য হলেও যেন বৈঠক করতে পারেন।
ভারত ও বাংলাদেশ এখন বিমসটেক, বিবিআইএন-এ সহযোগিতা করছে। তাহলে সার্ক কেন? এমন প্রশ্নের জবাবে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, সার্ক নয় কেন? আমরা যত বেশি বন্ধু এবং সম্পর্ক তৈরি করতে পারি, ততো ভাল। সার্ককে চলতেই হবে… এমন হওয়া উচিত নয় যে শুধুমাত্র দুই দেশের (ভারত ও পাকিস্তান) মধ্যে সম্পর্কের কারণে পুরো গোষ্ঠীটি অদৃশ্য হয়ে যায়। আমরা একটি রেজুলেশন পাস করতে পারি, ভারত-পাকিস্তানের যেকোনও ইস্যুকে এজেন্ডা থেকে স্থগিত করতে পারি, কিন্তু সার্ককে শেষ করতে পারি না।
সন্ত্রাসবাদ শেষ না হওয়া পর্যন্ত সার্ক এর কর্মকাণ্ড স্থগিত করতে ২০১৬ সালে ভারতকে সমর্থন করা কি বাংলাদেশের জন্য ভুল ছিল কিনা এমন প্রশ্নে জবাবে ড. ইউনূস বলেন, আমরা যদি এমন শর্ত সামনে রাখি, তাহলে কোনো সম্পর্কই চলবে না। দুই সদস্য দেশের সম্পর্কের কারণে দক্ষিণ এশিয়ার অন্য সব দেশকে কেন ভুগতে হবে?