ঢাকা ০২:৪৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
ফেনীতে ১,৫৪২ কোটি টাকার মুহুরী-কহুয়া প্রকল্প উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর দেশে ফেরার রোডম্যাপ জানাবেন শেখ হাসিনা বাল্টিক অঞ্চলে উত্তেজনা বাড়ার মধ্যে ন্যাটোকে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের হুঁশিয়ারি দিয়েছে রাশিয়া আজকে কোন টিভি চ্যানেলে কোন খেলা আজকের নামাজের সময়সূচি : ১ অক্টোবর ২০২৬ ফরিদপুরে দুর্গাপূজায় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা: শতভাগ সিসিটিভি ক্যামেরা নিশ্চিত করার নির্দেশ পুলিশ সুপারের মরক্কোর প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হলেন ফাতিমা জাহরা প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘ সফর নিয়ে সংবাদ সম্মেলন বিকেলে আজকে কোন টিভি চ্যানেলে কোন খেলা আজকের নামাজের সময়সূচি :৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ভগবান ভেঙ্কটেশ্বরের মন্দিরে প্রতিদিন গড়ে প্রণামী পড়ে ৪ থেকে ৬ কোটি রুপি

ভগবান ভেঙ্কটেশ্বরের মন্দিরে চমকে দেওয়া কাণ্ড ঘটেছে গতকাল ২২ এপ্রিল শনিবার। গত এক বছরের মধ্যে সবচেয়ে কম প্রণামী পড়েছে এ দিনই। কিন্তু কত কম? প্রণামীর পরিমাণ ছিল ২ কোটি ৮৫ লক্ষ রুপি। তাতেই কর্তৃপক্ষের বিস্ময়, উদ্বেগ! এক বছরে এত কম প্রণামী জমা পড়েনি। হঠাৎ মন্দিরে দানের পরিমাণ কমল কেন?

ভারতের ধনীতম মন্দির হল অন্ধ্রপ্রদেশের তিরুপতি শহরের তিরুমালা মন্দির। যা তিরুপতি মন্দির নামেই অধিক পরিচিত। লক্ষ লক্ষ ভক্তের প্রণামী দানে মন্দিরের তহবিল প্রতিদিনই ফুলেফেঁপে ওঠে।

তিরুপতি মন্দিরে ভক্তদের দানকে বলা হয় ‘হুন্ডি’। এর জোরেই বিশ্বের সবচেয়ে ধনী মন্দির এটি। গত বছরের নভেম্বর মাসে তিরুমালা তিরুপতি দেবস্থানম ট্রাস্ট ঘোষণা করেছিল, দশ টনের বেশি সোনা এবং নগদ ১৫ হাজার ৯৩৮ কোটি রুপি সম্পত্তি রয়েছে এ মন্দিরের। প্রতিদিন গড়ে প্রণামী পড়ে ৪ থেকে ৬ কোটি রুপি। চলতি বছরের ২ জানুয়ারি যাবতীয় পুরনো রেকর্ড ভেঙে মন্দিরের একদিনের আয় হয়েছিল ৭ কোটি ৬ লক্ষ রুপি। এবার উলটো রেকর্ডের সাক্ষী হল মন্দির। গত কয়েক দিনে ধরেই ‘হুন্ডি’ বা দানের পরিমাণ কমছিল। কমতে কমতে শনিবার তা দাঁড়ায় ২ কোটি ৮৫ লাখে।

মনে করা হচ্ছে, এর কারণ ভরা গ্রীষ্ম। তীব্র গরম চলছে অন্ধ্রপ্রদেশ, তেলেঙ্গানা-সহ দক্ষিণের রাজ্যগুলিতে। গরমে কাহিল উত্তর ভারতের রাজ্যগুলোও। স্কুলগুলোতে গ্রীষ্মের ছুটি পড়ে গিয়েছে। এই অবস্থায় তীর্থস্থানেও ভিড় কমছে। তবে মন্দিরের ট্রাস্টের দাবি, এপ্রিলের শেষ থেকেই ফের ভক্তদের সংখ্যা বাড়বে তীর্থস্থানে। দানের পরিমাণও সমান তালে বাড়বে।

এই মন্দিরে আরাধ্য দেবতার প্রতি ভক্তদের অসীম বিশ্বাস। তারা মনে করে, ভক্তি ভরে যা চাওয়া যায় তাই পাওয়া যায়। আর মনোবাঞ্ছা পূরণের আশায় কিংবা পুরণ হওয়ার পর মানত পূরণে ভক্তরা সোনাসহ নানা মূল্যবান ধাতু, অর্থ ইত্যাদিতে মুড়ে দেন ঈশ্বরের বিগ্রহকে। আরাধ্যদেবতাকে মাথার চুলও দান করেন ভক্তরা। সেই চুল আন্তর্জাতিক বাজারে বিক্রি করে আসে বিশাল পরিমাণ আয়। প্রতিদিন চুলই জমা পড়ে এক টনের বেশি।

সূত্র: ভারতীয় গণমাধ্যম

Tag :

ফেনীতে ১,৫৪২ কোটি টাকার মুহুরী-কহুয়া প্রকল্প উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর

ভগবান ভেঙ্কটেশ্বরের মন্দিরে প্রতিদিন গড়ে প্রণামী পড়ে ৪ থেকে ৬ কোটি রুপি

Update Time : ০৯:৫৯:৪৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৩
ভগবান ভেঙ্কটেশ্বরের মন্দিরে চমকে দেওয়া কাণ্ড ঘটেছে গতকাল ২২ এপ্রিল শনিবার। গত এক বছরের মধ্যে সবচেয়ে কম প্রণামী পড়েছে এ দিনই। কিন্তু কত কম? প্রণামীর পরিমাণ ছিল ২ কোটি ৮৫ লক্ষ রুপি। তাতেই কর্তৃপক্ষের বিস্ময়, উদ্বেগ! এক বছরে এত কম প্রণামী জমা পড়েনি। হঠাৎ মন্দিরে দানের পরিমাণ কমল কেন?

ভারতের ধনীতম মন্দির হল অন্ধ্রপ্রদেশের তিরুপতি শহরের তিরুমালা মন্দির। যা তিরুপতি মন্দির নামেই অধিক পরিচিত। লক্ষ লক্ষ ভক্তের প্রণামী দানে মন্দিরের তহবিল প্রতিদিনই ফুলেফেঁপে ওঠে।

তিরুপতি মন্দিরে ভক্তদের দানকে বলা হয় ‘হুন্ডি’। এর জোরেই বিশ্বের সবচেয়ে ধনী মন্দির এটি। গত বছরের নভেম্বর মাসে তিরুমালা তিরুপতি দেবস্থানম ট্রাস্ট ঘোষণা করেছিল, দশ টনের বেশি সোনা এবং নগদ ১৫ হাজার ৯৩৮ কোটি রুপি সম্পত্তি রয়েছে এ মন্দিরের। প্রতিদিন গড়ে প্রণামী পড়ে ৪ থেকে ৬ কোটি রুপি। চলতি বছরের ২ জানুয়ারি যাবতীয় পুরনো রেকর্ড ভেঙে মন্দিরের একদিনের আয় হয়েছিল ৭ কোটি ৬ লক্ষ রুপি। এবার উলটো রেকর্ডের সাক্ষী হল মন্দির। গত কয়েক দিনে ধরেই ‘হুন্ডি’ বা দানের পরিমাণ কমছিল। কমতে কমতে শনিবার তা দাঁড়ায় ২ কোটি ৮৫ লাখে।

মনে করা হচ্ছে, এর কারণ ভরা গ্রীষ্ম। তীব্র গরম চলছে অন্ধ্রপ্রদেশ, তেলেঙ্গানা-সহ দক্ষিণের রাজ্যগুলিতে। গরমে কাহিল উত্তর ভারতের রাজ্যগুলোও। স্কুলগুলোতে গ্রীষ্মের ছুটি পড়ে গিয়েছে। এই অবস্থায় তীর্থস্থানেও ভিড় কমছে। তবে মন্দিরের ট্রাস্টের দাবি, এপ্রিলের শেষ থেকেই ফের ভক্তদের সংখ্যা বাড়বে তীর্থস্থানে। দানের পরিমাণও সমান তালে বাড়বে।

এই মন্দিরে আরাধ্য দেবতার প্রতি ভক্তদের অসীম বিশ্বাস। তারা মনে করে, ভক্তি ভরে যা চাওয়া যায় তাই পাওয়া যায়। আর মনোবাঞ্ছা পূরণের আশায় কিংবা পুরণ হওয়ার পর মানত পূরণে ভক্তরা সোনাসহ নানা মূল্যবান ধাতু, অর্থ ইত্যাদিতে মুড়ে দেন ঈশ্বরের বিগ্রহকে। আরাধ্যদেবতাকে মাথার চুলও দান করেন ভক্তরা। সেই চুল আন্তর্জাতিক বাজারে বিক্রি করে আসে বিশাল পরিমাণ আয়। প্রতিদিন চুলই জমা পড়ে এক টনের বেশি।

সূত্র: ভারতীয় গণমাধ্যম